Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৫:২৬ অপরাহ্ণ

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম শহরের ইতিকথা, ইতিহাস নির্ভর তথ্য চিত্র


মাত্র ৪ দশমিক ৬৪৯ বর্গমাইল আয়তন নিয়ে ১৮৬৩ সালে যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম পৌরসভা। এর ছয় বছর পর করা পরীক্ষামূলক আদমশুমারি অনুযায়ী শহরে তখন জনসংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৪৭৮। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯০ সালে। তখন জনসংখ্যা ছিল ২০ লাখ। এখন চট্টগ্রাম শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। ঘরবাড়ির সংখ্যা প্রায় দুই লাখ।

বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের কারণে প্রতিবছরই এই শহরে জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু ৪০ বছরেও শহরের আয়তন বাড়েনি। শহর সম্প্রসারণের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেই। যত্রতত্র ভবন নির্মাণের কারণে শহরে পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা খুব কম। শহরের প্রায় অধিকাংশ এলাকায় ঘরবাড়ি নির্মাণের সময় জায়গা ছাড়া হয়নি।

১৯৫৯ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) গঠনের পর এই শহরের জন্য প্রথম মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয় ১৯৬১ সালে। এরপর দ্বিতীয় মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় ১৯৯৫ সালে। মহাপরিকল্পনা থাকলেও সে অনুসারে শহর গড়ে তোলার ব্যাপারে কারও তেমন গরজ ছিল না। এখন আরেকটি মহাপরিকল্পনা তৈরির কাজ চলছে।

অপরিকল্পিতভাবে শহর গড়ে ওঠার কারণে নাগরিক দুর্ভোগ প্রকট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পাহাড় কেটে এবং খাল ও নালা-নর্দমা ভরাট করে ভবন নির্মাণের কারণে চমৎকার শহরটির সৌন্দর্যহানি হয়েছে। এখনই যদি পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে এটি পরিত্যক্ত শহরে পরিণত হবে। তিনি চট্টগ্রামকে নান্দনিক ও বাসযোগ্য করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান।

মন্তব্য করুন