Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:০০ অপরাহ্ণ

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সমূহের সুবিধা অসুবিধা সমুহ নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা



বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও বহুল ব্যবহৃত একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি কনডম। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এ ছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এটি যৌনবাহিত রোগ প্রতিরোধ করে। এর সাফল্যের হার ৯৮ শতাংশ। মানে ২ শতাংশ ঝুঁকি থেকেই যায়। অনেক সময় এটি ফেটে যেতে পারে বা কারও কারও ক্ষেত্রে ল্যাটেক্সজনিত অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে। খাওয়ার পিল বর্তমানে ব্যবহৃত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। কয়েক ধরনের পিল পাওয়া যায়। যেমন কম্বাইন্ড ওরাল পিল, মিনিপিল, ইমার্জেন্সি পিল।




বাজারে প্রচলিত পিলগুলোর সিংহভাগই কম্বাইন্ড পিল, যা ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন নামে দুটি হরমোনের মিশ্রণে তৈরি। এটি জন্মনিয়ন্ত্রণে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ সাফল্য দেয়। পিলগুলো ২৮টি ট্যাবলেটের একটি পাতায় পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২১টি থাকে সক্রিয় পিল ও ৭টি নিষ্ক্রিয় আয়রন পিল। মাসিকের প্রথম দিন থেকে খাওয়া শুরু করতে হয় ও টানা ২১ দিন খেতে হয়। তবে প্রথম দিন খেতে ভুলে গেলে পঞ্চম দিন পর্যন্ত যেকোনো দিন শুরু করা যায়। কেউ একদিন পিল খেতে ভুলে গেলে, তিনি পরদিন যখন মনে পড়বে তখনই খেয়ে নেবেন।

মন্তব্য করুন