সহকারী শিক্ষক
১২ অক্টোবর, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্যও পাঠদানে সহায়ক এমন উপকরণ (ই-ম্যানুয়াল) চালু করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ওয়েবসাইটে এসব উপকরণ পাওয়া যাবে। সম্প্রতি এসব উপকরণ প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য করা ই-শিক্ষার উপকরণের ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পাঠ নিতে পারবে।
ই- বুক কাকে বলে
একটি ইলেক্ট্রনিক বুক (যাকে ই-বুক, ইবুক, ডিজিটাল বুক বা ই-সংস্করনও বলা হয়) হল একটি বই যার প্রকাশনা করা হয়েছে ডিজিটাল আকারে, যাতে সাধারণ বইয়ের মতই লেখা, ছবি, চিত্রলেখ ইত্যাদি রাখা হয়েছে এবং এগুলো কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে পড়া যায়। যদিও কখনো কখনো বলা হয় ছাপানো বইয়ের ইলেক্ট্রনিক সংস্করন, তবুও অনেক ই-বই আছে যাদের কোন ছাপানো বই নেই। বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা এবং বিক্রিত ই-বই সাধারনত ই-রিডারে পড়ার উপযোগি করে বানানো হয়। যদিও যে কোন যন্ত্রেই (প্রদর্শন সক্ষম) এটি চালানো যায় যেমন কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন ইত্যাদি।
ই-বুকের মাধ্যমে পড়াশোনার আগ্রহ আমেরিকায় বাড়ছে, ২০১৪ সালেই ২৮ ভাগ লোকের ই-বুক রয়েছে যার পরিমাণ ২০১৩ সালে ছিল ২৩ ভাগ। এই বৃদ্ধির কারণ ৫০ ভাগ আমেরিকান ২০১৪ সালের শেষ নাগাদ শুধু মাত্র ই-রিডার বা ট্যাবলেট যন্ত্র ক্রয় করেছে যার পরিমাণ ছিল ৩০ ভাগ ২০১৩ সালের শেষ নাগাদ।
ই-বুক কি? ই-বুক কেন ব্যবহার করবেন ?
ই-বুক মানে (Ebook) একটি ইলেক্ট্রনিক বুক (Electric Ebooks) হল একটি বই যার প্রকাশনা করা হয়েছে ডিজিটাল আকারে (যাকে ই-বুক, ইবুক, ডিজিটাল বুক বা ই-সংস্করনও বলা হয়), যাতে সাধারন বইয়ের মতই লেখা, ছবি, চিত্রলেখ ইত্যাদি রাখা হয়েছে এবং এগুলো কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে পড়া যায়।যদিও কখনো কখনো বলা হয় ছাপানো বইয়ের ইলেক্ট্রনিক সংস্করন, তবুও অনেক ই-বই আছে যাদের কোন ছাপানো বই নেই। বানিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা এবং বিক্রিত ই-বই সাধারনত ই-রিডারে পড়ার উপযোগি করে বানানো হয়। যদিও যে কোন যন্ত্রেই (প্রদর্শন সক্ষম) এটি চালানো যায় যেমন কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন ইত্যাদি।
ই-বুক পাঠের ক্ষতিকর দিক
কম্পিউটার, ট্যাব বা মোবাইলের মাধ্যমে বই পড়ার মাধ্যমে অনেক বই কম প্রকাশ করতে হচ্ছে। বহন করতে হয় না এবং অনেকগুলো বই অল্প জায়গায় রাখার সুবিধা তো আছেই। আডিও ভিডিও প্রেজেন্টেশন শহ অনেক সুবিধা সম্বলিত ইবুক এখন বাজারে আছে। বাংলাদেশের প্রক্ষিতে সব বইয়ের অনলাইন সংস্করণ তো বের হয়েছেই।
কিন্তু ই-বুকের রয়েছে চোখের জন্য ভয়ংকর ক্ষতিকর দিক। এই ক্ষতির পরিমান ডিসপ্লের ধরনের উপর নির্ভর করে। আর ব্যবহারকারী কতসময় একটানা ইবুক পড়ছে সেটার উপরও। ই-বুক ব্যবহারের সুবিধা
একটানা কম্পিউটার ডকুমেন্ট, ই-মেইল বা ভিডিও দেখার ক্ষেত্রেও চোখের ক্ষতির কারন হতে পারে। চোখ ব্যাথা, মাথা ব্যাথা বা ঝাপসা দেখার অনেক রুগিই কম্পিউটারের দিকেএকটানা তাকিয়ে থাকার কারনে হয়েছে।
ইবুক স্ক্রিনের ক্ষুদ্রতম ডিসপ্লে ইউনিট হলো পিক্সেল। সিএসভি বা পিডিএফ ইবুকের লেখাগুলো পিক্সেলেরই সমন্বয়। এগুলো চোখে জন্য দেখা একটু কঠিন হয়।এজন্য বেশি পিক্সেলের ডিসপ্লে তুলনামূলক ভাল। বেশি পিক্সেল এবং রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে কম ক্ষতিকর।
(প্রতি সেকেন্ডে যতবার ডিসপ্লে বন্ধ ও চালু হয় তাকে রিফ্রেশ রেট বলে। আমাদের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ১০ টির বেশি ছবি সঠিক ভাবে ট্র্যাক করতে পারে না। তাই আমরা এই বন্ধ ও চালু হওয়া ট্র্যাক করতে পারি না।)
সাধারণ বই পড়া
একটানা কাগজে ছাপানো সাধান বই পড়লেও চোখের ক্ষতি হতে পারে। বই পড়ার ক্ষেত্রে একেবারে কম আলো থাকলেও ক্ষতির কারন হতে পারে। প্রতি দশ মিনিট পর পর পড়ার বাইরে কিছুর দিকে তাকালে চোখের উপর চাপ করমে পারে। তবে সাধারন কাগজের বইয়ে প্রতিফরিত আলো এসে পরে, তাই ক্ষতির পরিমান কম।
ই-বুক
ইবুক স্ক্রিনের ক্ষুদ্রতম ডিসপ্লে ইউনিট হলো পিক্সেল। সিএসভি বা পিডিএফ ইবুকের লেখাগুলো পিক্সেলেরই সমন্বয়। এগুলো চোখে জন্য দেখা একটু কঠিন হয়।এজন্য বেশি পিক্সেলের ডিসপ্লে তুলনামূলক ভাল। বেশি পিক্সেল এবং রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে কম ক্ষতিকর।
(প্রতি সেকেন্ডে যতবার ডিসপ্লে বন্ধ ও চালু হয় তাকে রিফ্রেশ রেট বলে। আমাদের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ১০ টির বেশি ছবি সঠিক ভাবে ট্র্যাক করতে পারে না। তাই আমরা এই বন্ধ ও চালু হওয়া ট্র্যাক করতে পারি না।)
প্রতিকার
চোখের ক্ষতি কমাতে ১০-১০-১০ সূত্র অনুসরণ করা যেতে পারে। কমপক্ষে ১০ মিনিট পর ১০ ফিট দূরের কোন বস্তুর দিকে ১০ সেকেন্ডের বেশি সময় তাকানো। তুলনামূলক বড় ফন্টকরে পড়লে চোখের উপর চাপ কমতে পারে। ডিসপ্লের জন্য লাইট কমিয়ে বাড়িয়ে নিজের সুবিধামতো করে নেওয়া উচিৎ। এটা চোখের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্ক্রিণে তাকালেই চোখ ব্যাথা করে এমন রোগিদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরমর্শ নিতে হবে।

বিশ্বজুড়ে বইয়ের দুনিয়ায় বিরাট পরিবর্তন নিয়ে এসেছে ডিজিটাল বই বা ই-বুক। দেশে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল বইয়ের (ই-বুক) ব্যবহার ও জনপ্রিয়তাও দিন দিন বাড়ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাগজে ছাপা বই পড়ার দিন ফুরিয়ে আসছে। দ্রুত ধেয়ে আসছে ই-বুক। উন্নত বিশ্বে ই-বুক পাঠকের সংখ্যা জ্যামিতিক হার বাড়ছে। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। আগামীতে কাগজে ছাপানো বইয়ের সংখ্যা হয়তো কমবে না, কিন্তু দাপট বাড়বে ডিজিটাল বইয়ের।বৃহস্পতিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের গৃহীত উদ্যোগ অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ই-বুক বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, পাঠ্য বিষয়বস্তুকে আনান্দদায়ক করে উপস্থাপনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ের ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল কনটেন্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২১টি টেক্সট বইকে ডিজিটাল টেক্সবুক বা ই-বুকে রূপান্তর করা হয়েছে। গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল টেক্সট বুক উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত ডাউনলোডের সংখ্যা ৫ লাখ ৫০ হাজার।এছাড়া জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ই-শিক্ষার উপকরণ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্যও পাঠদানে সহায়ক এমন উপকরণ (ই-ম্যানুয়াল) চালু করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ওয়েবসাইটে এসব উপকরণ পাওয়া যাবে। সম্প্রতি এসব উপকরণ প্রকাশ করা হয়েছে।শিক্ষার্থীদের জন্য করা ই-শিক্ষার উপকরণের ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পাঠ নিতে পারবে। তেমনি শিক্ষকেরাও পাঠদানের জন্য পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন পাবেন ডিজিটাল মাধ্যমে।(এএস/বিএ)
শুভেচ্ছান্তে
মোঃ মামুনুর রহমান
সহকারী শিক্ষক(আইসিটি),
আইসিটি (ICT4E) জেলা অ্যাম্বাসেডর, রাজশাহী , a2i, Bangladesh
ও
ব্রিটিশ কাউন্সিল কো-অর্ডিনেটর,রাজশাহী
গুল-গোফুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়
গোদাগাড়ী, রাজশাহী
Mobile & WhatsApp : +8801768927380
Email: [email protected]
বাতায়ন আইডি : mamunggghsc10 ,
Profile Link : https://www.teachers.gov.bd/profile/mamunggghsc10
৫৩
৯২ মন্তব্য