সহকারী শিক্ষক
১৬ অক্টোবর, ২০২১ ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
মনের স্বাস্থ্যের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক
খাবার শুধু শরীরের পুষ্টিই জোগায় না, মনের স্বাস্থ্যও ঠিক রাখে। মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির জন্য জিনগত অথবা বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে দায়ী মনে করা হলেও খাবারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
একসময় মনে করা হতো, ফোলেট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি যেকোনো একক খাদ্য উপাদান বিষণ্নতা, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো একক খাদ্য উপাদান নয় বরং সুষম খাবার (শর্করা, প্রোটিন, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি) খাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন এবং কিছু ভালো খাবার (অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ইত্যাদি) খাদ্যতালিকায় যুক্ত করার মাধ্যমে মনের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো সম্ভব।
দৈনিক শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান পরিহার ও সঠিক খাবার নির্বাচনের মাধ্যমে দেহে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করার পাশাপাশি বিভিন্ন মানসিক সমস্যা (আলঝেইমার, পারকিনসন, বিষণ্নতা, মানসিক চাপ ইত্যাদি) বিলম্বিত বা রহিত করা যেতে পারে।
যেসব খাবার বর্জন করা ভালো-
* অতিরিক্ত পরিশোধিত দানাশস্য (সাদা চাল, ময়দা ইত্যাদি) ও সম্পৃক্ত চর্বি (ঘি, মাখন, গরু-খাসির মাংস)।
* প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি ও লবণ, বাড়তি চিনি ও লবণযুক্ত করা হয়েছে এমন খাবার।
* ট্রান্সফ্যাটযুক্ত বেকারি খাবার (কেক, বিস্কুট), ফাস্ট ফুড (পিৎজা, বার্গার, পেস্ট্রি ইত্যাদি) ও বিভিন্ন কোমল পানীয়।
প্রতিদিন যে খাবারগুলো খেতে হবে-
******************************
*******************
৭১
১৪৫ মন্তব্য