প্রধান শিক্ষক
১০ নভেম্বর, ২০২১ ০৮:০৫ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
কবি শামসুর রহমানের জীবন পরিচয়...
নাগরিকত্বঃ-ব্রিটিশ ভারতীয় (১৯২৯-১৯৪৭),পাকিস্তানী (১৯৪৭-১৯৭১),বাংলাদেশী (১৯৭১-২০০৬)
শিক্ষাঃ-এমএ (ইংরেজি)।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
পেশাঃ-কবি, সাংবাদিক।
দাম্পত্য সঙ্গীঃ-জোহরা বেগম।
সন্তানঃ-সুমায়রা আমিন, ফাইয়াজ রাহমান, ফাওজিয়া সাবেরিন, ওয়াহিদুর রাহমান মতিন ও শেবা রাহমান।
শামসুর রাহমানঃ- (জন্ম: অক্টোবর ২৩, ১৯২৯, মাহুতটুলি, ঢাকা – মৃত্যু: আগস্ট ১৭, ২০০৬ ) বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে দুই বাংলায় তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও জনপ্রিয়তা প্রতিষ্ঠিত। তিনি একজন নাগরিক কবি ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর লিখিত তাঁর দুটি কবিতা খুবই জনপ্রিয়।
জন্মঃ-
জন্ম নানাবাড়িতে। বাবা
মুখলেসুর রহমান চৌধুরী ও মা আমেনা বেগম। পিতার বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরায়
পাড়াতলী গ্রামে।
শৈশব ও শিক্ষাঃ-
কবি শামসুর রাহমানের
ভাই-বোনের সংখ্যা ১৩ জন। তন্মধ্যে, কবি ছিলেন ৪র্থ। পুরোনো ঢাকার পোগোজ স্কুল
থেকে ম্যাট্রিকুলেশন ১৯৪৫ সালে। ১৯৪৭ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আই এ পাশ
করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে ভর্তি হন এবং তিন বছর নিয়মিত ক্লাসও
করেছিলেন সেখানে। শেষ পর্যন্ত আর মূল পরীক্ষা দেননি। পাসকোর্সে বিএ পাশ করে তিনি
ইংরেজি সাহিত্যে এম এ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয় স্থান
অর্জন করলেও শেষ পর্বের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি।
পেশাঃ-
শামসুর রাহমান পেশায়
সাংবাদিক ছিলেন। সাংবাদিক হিসেবে ১৯৫৭ সালে কর্মজীবন শুরু করেন দৈনিক মর্নিং
নিউজ-এ। ১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত রেডিও পাকিস্তানের অনুষ্ঠান প্রযোজক
ছিলেন। এরপর তিনি আবার ফিরে আসেন তার পুরানো কর্মস্থল দৈনিক মর্নিং নিউজ-এ। তিনি
সেখানে ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সহযোগী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন
করেন।নভেম্বর,
১৯৬৪ থেকে শুরু করে সরকারি দৈনিক দৈনিক পাকিস্তান এর সহকারী
সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৭ এর জানুয়ারি পর্যন্ত (স্বাধীনতা উত্তর দৈনিক
বাংলা)। ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি
দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭ তে সামরিক সরকারের
শাসনামলে তাঁকে পদত্যাগ বাধ্য করা হয়। অতঃপর তিনি অধুনা নামীয় মাসিক সাহিত্য
পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাহিত্যধারাঃ-
বিংশ শতকের তিরিশের দশকের
পাঁচ মহান কবির পর তিনিই আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান পুরুষ হিসেবে প্রসিদ্ধ। কেবল
বাংলাদেশের কবি আল মাহমুদ এবং পশ্চিমবঙ্গের কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় বিংশ শতকের
শেষার্ধে তুলনীয় কাব্যপ্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বলে ধাণা করা হয়। আধুনিক কবিতার
সাথে পরিচয় ও আন্তর্জাতিক-আধুনিক চেতনার উন্মেষ ঘটে ১৯৪৯-এ, এবং তার প্রথম প্রকাশিত
কবিতা ১৯৪৯ মুদ্রিত হয় সাপ্তাহিক সোনার বাংলা পত্রিকায়। শামসুর রাহমান বিভিন্ন
পত্রিকায় সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লিখতে গিয়ে নানা ছন্দনাম নিয়েছেন। সে গুলো
হচ্ছে: সিন্দবাদ, চক্ষুষ্মান, লিপিকার,
নেপথ্যে, জনান্তিকে, মৈনাক।
পাকিস্তান সরকারের আমলে কলকাতার একটি সাহিত্য পত্রিকায় মজলুম আদিব (বিপন্ন লেখক)
নামে কবিতা ছাপা হয় যা দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সমালোচক আবু সায়ীদ
আইয়ুব।
ব্যক্তিগত জীবনঃ-
১৯৫৫ সালের ৮ই জুলাই শামসুর
রাহমান জোহরা বেগমকে বিয়ে করেন। কবির তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। তাদের নাম সুমায়রা
আমিন, ফাইয়াজ
রাহমান, ফাওজিয়া সাবেরিন, ওয়াহিদুর
রাহমান মতিন ও শেবা রাহমান।
মৃত্যুঃ-
কবি শামসুর রাহমান ২০০৬
সালের ১৭ই আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৩৫ মিনিটে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর
ইচ্ছানুযায়ী ঢাকাস্থ বনানী কবরস্থানে, নিজ মায়ের কবরের পাশে তাঁকে সমাধিস্থ করা
হয়।
সম্মাননা ও পুরস্কারঃ-
• আদমজী সাহিত্য পুরস্কার
• বাংলা একাডেমি পুরস্কার
• একুশে পদক
• নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক
• জীবনানন্দ পুরস্কার
• আবুল মনসুর আহমেদ স্মৃতি
পুরস্কার
• মিতসুবিসি পুরস্কার (সাংবাদিতার
জন্য)
• স্বাধীনতা পদক
• আনন্দ পুরস্কার
ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে।(সূত্রঃউইকিপিডিয়া)
(সংগৃহীত)
মোছাঃ মারুফা বেগম
প্রধান শিক্ষক
খগা বড়বাড়ী বালিকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
ডিমলা, নীলফামারী।
ইমেইলঃ [email protected]
ICT4E District Ambassedor
সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা
৭১
১৪৫ মন্তব্য