সহকারী শিক্ষক
১৩ নভেম্বর, ২০২১ ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
তাহলে, জেনে নিই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে, যেসব খাবার খেলে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে-
দুধ: দুধ পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি খুব কমই দেখা যায়। দুধ অস্টিওপোরোসিস রোগের ভ্যাকসিনের মতো। কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন ডি, যা হাড় গঠনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। যারা নিয়মিত দুধ পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে তাই অস্টিওপোরোসিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। অন্যদিকে আমাদের দেশের নারীরা অনেকেই দুধ পান করতে পছন্দ করেন না। ফলে পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেশি। এছাড়াও দুধে প্রায় সবগুলো পুষ্টি উপাদানই বিদ্যমান। তাই শরীর সুস্থ ও সবল রাখতে দুধের জুড়ি নেই।
গাঢ় সবুজ শাকসবজি: গাঢ় সবুজ শাকসবজি যেমন বাধাকপি, ফুলকপি, শালগম ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন কে, যা অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
দধি বা দই: অনেকেই আছেন, যাদের ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স নামক রোগ আছে, তাদের দুধ খেলেই শুরু হয় পেটের পীড়া কিংবা ডায়রিয়া। তাদের জন্য সঠিক পুষ্টি নিশ্চিতে খেতে পারেন দই। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রোবায়োটিকস, যা অন্ত্র ভালো রাখতে সহায়তা করে।
লেবু জাতীয় ফল: লেবুতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা হাড়ের কোলাজেন ও তন্তুময় অংশ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।
মাছ: মাছে রয়েছে ভিটামিন ডি, যা হাড়ের গঠনে প্রয়োজন। এছাড়াও মাছের হাড়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন রাখে।
বাদাম জাতীয় খাবার: এতে রয়েছে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে ভূমিকা পালন করে।
৭০
১৪৪ মন্তব্য