Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ ডিসেম্বর, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

পদার্থ বিজ্ঞান - জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ( Short Syllabus- 2022 exam)













সাইনান একাডেমি

(আলমগীর স্যার)

(উজিলাব)

এস এস সি পরীক্ষা - ২০২২ইং

বিষয়: পদার্থ


অধ্যায়ঃ-১: ভৌত রাশি ও পরিমাপ

জ্ঞানমূলক

১. লব্ধ রাশি কাকে বলে?

২. পরিমাপের একক কাকে বলে?

৩. ভার্নিয়ার স্কেল কাকে বলে?

৪. ভার্নিয়ার ধ্রæবক কাকে বলে?

৫. পীচ কী?

৬. মাত্রা কী?

৭. যান্ত্রিক ত্রæটি কী?

৮. এক মোল কাকে বলে?

অনুধাবনমূলক

১. বল একটি লব্ধ রাশি কেন?

২. এস আই একক বলতে কী বোঝ?

৩. লঘিষ্ঠ গনন বলতে কী বোঝ?

৪. ভার্নিয়ার সমপাতন বলতে কী বোঝ?

৫. ভার্নিয়ার সমপাতন ৬ বলতে কী বোঝ?

৬. পরিমাপে প্রধান স্কেলের সাথে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করতে হয় কেন?

৭. ¯øাইড ক্যালিপার্সকে ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স বলা হয় কেন?


অধ্যায়-২: গতি

জ্ঞানমূলক

১. প্রসঙ্গ কাঠামো কাকে বলে?

২. পর্যাবৃত্ত গতি কাকে বলে?

৩. স্পন্দন গতি কী.

৪. স্কেলার রাশি কাকে বলে?

৫. ভেক্টর রাশি কাকে বলে?

৬. সুষম দ্রæতি কাকে বলে?

৭. তাৎক্ষণিক দ্রুতি কাকে বলে?

৮. সুষম বেগ কাকে বলে?

৯. ত্বরণ কী?

১০. সুষম ত্বরণ কাকে বলে?

১১. অসম ত্বরণ কাকে বলে?

১২. অভিকর্ষজ ত্বরণ কাকে বলে?

১৩. পড়ন্ত বস্তুর প্রথম সূত্রটি লিখ?

১৪. পড়স্ত বস্তুর ২য় সূত্রটি লিখ?

১৫. পড়স্ত বস্তুর তৃতীয় সূত্রটি লিখ?

১৬. পরম গতি কী?

১৭. অসম দ্রæতি কাকে বলে?

অনুধাবনমূলক

১. বেগের পরিবর্তন না হলে ত্বরণ থাকে না- ব্যাখ্যা কর।

২. পড়ন্ত বস্তুর তৃতীয় সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।

৩. বায়ুতে শব্দের বেগ সুষম বেগ- ব্যাখ্যা কর।

৪. অভিকর্ষজ ত্বরণকে সমত্বরণ বলে ব্যাখ্যা কর।

৫. অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে না - ব্যাখ্যা কর।

৬. সুষম বেগে গতিশীল কোনো বস্তুর ত্বরণ ব্যাখ্যা কর।

৭. কোনো বস্তুর সরণ ৪০মি. পূর্বদিকে বলতে কী বুঝ?

৮. অভিকর্ষও এক ধরণের মহাকর্ষ- ব্যাখ্যা কর।

৯. ভ‚-পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ৯.৮ স ং-১  বলতে কী বুঝ?


অধ্যায়- ৩: বল

জ্ঞানমূলক

১. জড়তা কাকে বলে?

২. বল কাকে বলে?

৩. নিউটনের গতিবিষয়ক প্রথম সূত্রটি বিবৃত কর।

৪. স্পর্শ বল কাকে বলে?

৫. সাম্য বল কাকে বলে?

৬. নিউটনের গতিবিষয়ক দ্বিতীয় সূত্রটি বিবৃত কর।

৭. নিউটনের গতিবিষয়ক তৃতীয় সূত্রটি বিবৃত কর।

৮. ঘর্ষণ কী?

৯. ঘর্ষণ বল কাকে বলে?

১০. প্রবাহী ঘর্ষণ কী?

১১. ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রটি বিবৃত কর।

১২. অস্পর্শ বল কাকে বলে?

১৩. তাড়িৎ চৌম্বক বল কাকে বলে?

অনুধাবনমূলক

১. ঘর্ষণ বল কেন উৎপন্ন হয়- ব্যাখ্যা কর।

২. মাটিতে হাটার সময় আমরা মাটির ভেতর ঢুকে যাই না কেন?

৩. ভর, জড়তার পরিমাপক- ব্যাখ্যা কর।

৪. কোনো বস্তুর ভরবেগ ৫০০ ঘ ং-১ বলতে কী বুঝ?

৫. গাড়ীর টায়ারের পৃষ্ঠে খাজকাটা থাকে কেন?

৬. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র হতে প্রথম সূত্র কীভাবে প্রতিপাদন করা যায়?

৭. নিউটনের প্রথম সূত্র থেকে কীভাবে জড়তা ও বলের ধারণা পাওয়া যায়?

৮. নৌকা থেকে লাফ দিলে নৌকা পিছনের দিকে ছুটে যায়- ব্যাখ্যা কর।

৯. চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা কোন দিকে ঝুঁকে পড়ে?  কেন?

১০. হাটার ক্ষেত্রে নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।

১১. ঘর্ষণ একটি প্রয়োজনীয় উপদ্রব- এর স্বপক্ষে যুক্তি দাও।

১২. গুলি ছোড়ার সময় বন্দুক কেন পিছনের দিকে বেগপ্রাপ্ত হয়- ব্যাখ্যা কর।

১৩. গাড়ি রাস্তা দিয়ে চলার সময় কোন ধরনের ঘর্ষণ বল উৎপন্ন হয়- ব্যাখ্যা কর।

১৪. একটি উল্কাপিন্ড বায়ুমন্ডলে দগ্ধ হলে ভরবেগ কী সংরক্ষিত হবে?


অধ্যায়Ñ৪: কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

জ্ঞানমূলক

১. এক জুল কাকে বলে?

২. বিভবশক্তি কাকে বলে?

৩. নিউক্লিয় ফিশন কী?

৪. শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতিটি লিখ।

৫. এক ওয়াট কাকে বলে?

৬. কর্মদক্ষতা কাকে বলে?

৭. বলের দ্বারা কাজ কাকে বলে?

৮. বলের বিরুদ্ধে কাজ কাকে বলে?

৯. জলবিদ্যুৎ কাকে বলে?

১০. যান্ত্রিক শক্তি কাকে বলে?

অনুধাবনমূলক

১. বিভবশক্তি কীসের ওপর নির্ভরশীল- ব্যাখ্যা কর।

২. একটি ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা ৭০% বলতে কী বুঝ?

৩. কোন্ োযন্ত্রের ক্ষমতা ২০ ি বলতে কী বুঝ?

৪. কোনো বস্তুর গতিশক্তি ৫০০ ঔ বলতে কী বুঝ?

৫. ১০০ স কে জুুলে প্রকাশ কর।

৬. বল প্রয়োগ করা সত্তে¡ও কাজ শূন্য হতে পারে ব্যাখ্যা কর।

৭. গতিশক্তি কখনও ঋণাত্বক হতে পারে না- ব্যাখ্যা কর।

৮. ৬০ ি এর বৈদ্যুতিক বাল্বের অর্থ কী?


অধ্যায়- ৮: আলোর প্রতিফলন

জ্ঞানমূলক

১. ব্যাপ্ত প্রতিফলন কাকে বলে?

২. দর্পণ কী?

৩. দর্পণের মেরু কাকে বলে?

৪. দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ কাকে বলে?

৫. গৌণ অক্ষ কাকে বলে?

৬. দর্পণের প্রধান ফোকাস কাকে বলে?

৭. ফোকাস তল কাকে বলে?

৮.প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

৯. বাস্তব প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

১০. অবাস্তব প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

১১. রৈখিক বিবর্ধন কী?

১২. নিয়মিত প্রতিফলন কাকে বলে?

১৩. দর্পণের বক্রতার কেন্দ্র কাকে বলে?

১৪. দর্পণের প্রধান অক্ষ কাকে বলে?

১৫. ফোকাস দূরত্ব কাকে বলে?


অধ্যায়-১১: চল তড়িৎ

জ্ঞানমূলক

১. ১ অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?

২. পরিবাহী কাকে বলে?

৩. অপরিবাহী কাকে বলে?

৪. অর্ধপরিবাহী কাকে বলে?

৫. ও’মের সূত্রটি বিবৃত কর।

৬. রোধ কী?

৭. এক ও’ম কাকে বলে?

৮. রোধক কী?

৯. তড়িচ্চালক শক্তি কাকে বলে?

১০. আপেক্ষিক রোধ কাকে বলে?

১১. শ্রেণি বর্তনী কাকে বলে?

১২. সমান্তরাল বর্তনী কাকে বলে?

 

 



(কেবল এ+ পাওয়া নয়, বরং এ+ এর দক্ষতা প্রয়োজন) ------- আলমগীর স্যার।


১ম অধ্যায়: ভৌত রাশি ও পরিমাপ

১. বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করেন কে?

উত্তর: আলেসান্দ্রো ভোল্টা।

২. পিচ কী?

উত্তর: স্ক্রুগজের টুপি একবার ঘোরালে এর যতটুকু সরণ ঘটে এবং রৈখিক স্কেল বরাবর যে দৈর্ঘ্য এটি অতিক্রম করে তাকে স্ক্রুটির পিচ বলে।

৩. ভার্নিয়ার সমপাতন কাকে বলে?

উত্তর: ¯øাইড ক্যালিপার্স দিয়ে কোনো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের সময় ভার্নিয়ার স্কেলের যে দাগটি প্রধান স্কেলের কোনো একটি দাগের সাথে মিলিত হয় বা খুব কাছাকাছি থাকে, তাকে ভার্নিয়ার সমপাতন বলে।

অধ্যায়-২: গতি

১. সমত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর বেগ যদি নির্দিষ্ট দিকে সবসময় একই হারে বাড়তে থাকে তাহলে সেই বস্তুর ত্বরণকে সমত্বরণ বলে।

২. পরিমাপের একক কাকে বলে?

উত্তর: পরিমাপের জন্য কোনো রাশির যে অংশকে আদর্শ ধরে রাশিটি পরিমাপ করা হয়, তাকে ঐ রাশির পরিমাপের একক বলে।

৩. স্পন্দন গতি কাকে বলে?

উত্তর: পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তু যদি পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় একইপথে তার বিপরীত দিকে চলে তবে তার গতিকে স্পন্দন গতি বলে।

৪. জড়তা কাকে বলে?

উত্তর: বস্তু স্থিতি বা গতির যে অবস্থায় আছে চিরকাল সে অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার যে প্রবণতা বা ধর্ম তাকে জড়তা বলে।

৫. সুষম ত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর বেগ যদি নির্দিষ্ট তিকে সবসময় একই হারে বাড়তে থাকে তাহলে সেই বস্তুর ত্বরণকে সুষম ত্বরণ বলে।

৬. মন্দন কী?

উত্তর: সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগ হ্রাসের হারকে মন্দন বলে।

৭. মাত্রা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো ভৌত রাশিতে উপস্থিত মৌলিক রাশিগুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।

৮. ত্বরণ কাকে বলে?

উত্তর: সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে।

৯. মাত্রা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো ভৌত রাশিতে উপস্থিত মৌলিক রাশিগুলোর সূচককে ঐ রাশিটির মাত্রা বলে।

১০. সরণ কাকে বলে?

উত্তর: নির্দিষ্ট দিকে কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনকে সরণ বলে।

১১. কর্মদক্ষতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো যন্ত্রের লভ্য কার্যকর শক্তি ও মোট প্রদত্ত শক্তির অনুপাতকে ঐ যন্ত্রের কর্মদক্ষতা বলে।

১২. অভিকর্ষজ ত্বরণ কী?

উত্তর: অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভ‚-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

১৩. বেগ কাকে বলে?

উত্তর: সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে, বস্তু নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই বেগ।

১৪. পরম গতি কাকে বলে?

উত্তর: পরম স্থিতিশীল প্রসঙ্গ বস্তুর সাপেক্ষে কোনো বস্তুর গতিকে পরম গতি বলে।

১৫. চলন গতি কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তু যদি এমনভাবে চলতে থাকে যাতে করে বস্তুর সকল কণা একই সময়ে একই দিকে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাহলে ঐ গতিই চলন গতি।

১৬. ঘাত বল কী?

উত্তর: অতি অল্প সময় ধরে প্রচন্ড মানের কোনো বল বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল থাকলে, তাকে ঘাত বলে।

১৭. ভার্নিয়ার ধ্রæবক কী?

উত্তর: মূল স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের চেয়ে ভার্নিয়ার স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগ যতটুকু ক্ষুদ্রতর সেই পরিমাণকে দৈর্ঘ্য পরিমাপক যন্ত্রের ভার্নিয়ার ধ্রæবক বলে।

১৮. তাৎক্ষণিক বেগ কী?

উত্তর: গতিশীল কোনো বস্তুর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সময়ে নির্দিষ্ট দিকে সরণ ও ঐ সময় ব্যবধানের অনুপাতকে ঐ মুহুর্তে বস্তুটির তাৎক্ষণিক বেগ বলে।

১৯. মৌলিক রাশি কাকে বলে?

উত্তর: যে সকল রাশি স্বাধীন বা নিরপেক্ষ, যেগুলো অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের উপর নির্ভর করে তাদেরকে মৌলিক রাশি বলে।

২০. পড়ন্ত বস্তুর তৃতীয় সূত্রটি লেখ।

উত্তর: স্থির অবস্থান হতে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক অর্থাৎ  য ∞ ঃ২.

২১. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি বর্ণনা কর।

উত্তর: কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

২২. তাৎক্ষণিক দ্রæতি কী?

উত্তর: অতি অল্প সময় ধরে অতিক্রান্ত দূরত্ব ও সময় ব্যবধানের অনুপাতকে তাৎক্ষণিক দ্রæতি বলে।

২৩. গড় দ্রæতি কী?

উত্তর: অসম দ্রæতিতে চলমান কোনো বস্তুর নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে অতিক্রান্ত মোট দূরত্বকে ঐ সময় দিয়ে ভাগ করলে যে রাশি পাওয়া যায়, তাকে ঐ সময় পরিসরে গড় দ্রæতি বলে।

২৪. এক নিউটন বল কাকে বলে?

উত্তর: যে পরিমাণ বল ১ কেজি ভরের বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাতে ১ ত্বরণ সৃষ্টি করে তাকে ১ নিউটন বল বলে।

২৫. বৈজ্ঞানিক প্রতীক কী?

উত্তর: বিজ্ঞানে ব্যবহৃত সমীকরণগুলোতে ব্যবহৃত রাশিগুলোকে সুনির্দিষ্ট কতকগুলো নিয়মের আওতায় যে সকল হরফ বা চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করা হয় তারাই বৈজ্ঞানিক প্রতীক।

২৬. সরণ কাকে বলে?

উত্তর: নির্দিষ্ট দিকে কোন বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনকে সরণ বলে।

২৭. ভেক্টর রাশি কাকে বলে?

উত্তর: যে সকল রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন হয় তাদেরকে ভেক্টর রাশি বলে।

২৮. লঘিষ্ঠ গণন কী?

উত্তর: স্ক্রু-গজের বৃত্তাকার স্কেলের মাত্র এক ভাগ ঘুরালে এর প্রান্ত বা স্ক্রুটি যতটুকু সরে আসে তাকে বলা হয় যন্ত্রের লঘিষ্ঠ গণন।

২৯. সুষম মন্দন কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর বেগ যদি নির্দিষ্ট দিকে সবসময় একই হারে কমতে থাকে সে মন্দনই হবে সমমন্দন বা সুষম মন্দন।

৩০. প্লবতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণরুপে নিমজ্জিত করলে বস্তুটি প্রবাহীর চাপের দরুন ওপরের দিকে যে লব্ধি বল অনুভব করে তাকে প্লবতা বলে।

৩১. প্রসঙ্গ কাঠামো কী?

উত্তর: যে দৃঢ় ব্যবস্থার সাপেক্ষে কোনো বস্তুর গতি ও অবস্থান বর্ণনা করা হয়, তাকে প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।

৩২. বেগ কাকে বলে?

উত্তর: সময়ের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর সরণের হারকে এর বেগ বলে।


অধ্যায়-৩: বল

১. সাম্য বল কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে যদি বলসমূহের লব্ধি শূণ্য হয় অর্থাৎ বস্তুর কোনো ত্বরণ সৃষ্টি না হয়, তখন যেই বলগুলো এই সাম্যাবস্থা সৃষ্টি করে তাদেরকে সাম্য বল বলে।

২. গতি কাকে বলে?

উত্তর: পারিপার্শ্বের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করাকে গতি বলে।

৩. মহাকর্ষ বল কী?

উত্তর: মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

৪. পিছলানো ঘর্ষণ কী?

উত্তর: যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তু তথা তলের উপর দিয়ে পিছলিয়ে বা ঘষে চলতে চেষ্টা করে বা চলে তখন যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয় তাকে পিছলানো ঘর্ষণ বা বিসর্প ঘর্ষণ বলে।

৫. ন্যূনাঙ্ক কী?

উত্তর: স্ক্রু-গজের বৃত্তাকার স্কেলের মাত্র এক ভাগ ঘুরালে এর প্রান্ত বা স্ক্রটি যতটুকু সরে আসে, তাকে বলা হয় যন্ত্রের ন্যূনাঙ্ক।

৬. ক্ষমতার সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: একক সময়ে কোনো ব্যক্তি বা উৎস দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই ক্ষমতা।

৭. অর্ধায়ু কী?

উত্তর: যে সময়ে কোনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের মোট পরমাণুর ঠিক অর্ধেক পরিমাণ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় তাকে ঐ পদার্থের অর্ধায়ু বলে।

৮. বল কাকে বলে?

উত্তর: বল একটি বাহ্যিক কারণ যা কোন একটি বস্তুর গতি বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় বা ঘটাতে চায়।

৯. প্রবাহী ঘর্ষণ কী?

উত্তর: কোনো বস্তু প্রবাহী পদার্থের মধ্যে গতিশীল হলে, যে ঘর্ষণ ক্রিয়া করে তাই প্রবাহী ঘর্ষণ।

১০. তেজস্ত্রিয়তা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো মৌল থেকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে তেজস্ত্রিয় কণা বা রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ত্রিয়তা বলে।

১১. ভার্নিয়ার স্কেল কী

উত্তর: ভার্নিয়ার স্কেল হচ্ছে একটি সাহায্যকারী স্কেল যা মূল স্কেলের সাথে ব্যবহার করা হয় এবং যার সাহায্যে মূল স্কেলের ক্ষুদ্রতম ঘরের ভগ্নাংশ পরিমাপ করা হয়।

১২. চ‚ড়ান্ত ত্রæটি কাকে বলে?

উত্তর: কোনো রাশির প্রকৃত মানের তুলনায় পরিমাপ করা মাপের পার্থক্যকে চ‚ড়ান্ত ত্রæটি বলে।

১৩. তড়িৎ চুম্বক বল কাকে বলে?

উত্তর: সলিনয়েড ভিতর কোনো লোহার দন্ড বা পেরেককে ঢুকালে সলিনয়েড নিজের যে চৌম্বকক্ষেত্র রয়েছে তার চেয়ে বেশি শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে, ফলে সলিনয়েড থেকে বেশি চৌম্বক ক্ষেত্র পাওয়া যায়। তড়িৎ প্রবাহ চলাকালীন এটি বেশ শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত হয়। একে বলা হয় তাড়িত চুম্বক।

১৪. সবল নিউক্লিয় বল কী?

উত্তর: স্বল্পপাল্লার (১০Ñ১৫স) এবং সবচেয়ে শক্তিশালী যে মৌলিক বল নিউক্লিয়নসমূহকে একত্র করে রাখে তাকে সবল নিউক্লিয় বল বলে।

১৫. ঘর্ষণ কী?

উত্তর: একটি বস্তু যখন অন্য একটি বস্তুর সংস্পর্শে থেকে একের উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে বা চলতে থাকে তখন বস্তুদ্বয়ের স্পর্শতলে গতির বিরুদ্ধে একটি বাধার উৎপত্তি হয়, এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে।

১৬. গতি ঘর্ষণ কাকে বলে?

উত্তর: যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তু তথা তলের উপর দিয়ে পিছলিয়ে বা ঘষে চলতে চেষ্টা করে বা চলে তখন যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয় তাকে গতি ঘর্ষণ বলে।

১৭. ঘাত বলে?

উত্তর: অতি অল্প সময় ধরে প্রচÐ মানের কোনো বল বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল থাকলে, উক্ত বলকে ঘাত বল বলে।

১৮. পদার্থের কোন ধর্ম জড়তার পরিমাপক?

উত্তর: পদার্থের ভর জড়তার পরিমাপক।


অধ্যায়- ৪: কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি


১৯. গতি কী?

উত্তর: পারিপার্শ্বের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন করার ঘটনাই গতি।

২০. নিউটনের ২য় সূত্র কী?

উত্তর: কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

২১. রাশি কাকে বলে?

উত্তর: ভৌত জগতে যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলে।

২২. বলের ঘাত কী?

উত্তর: কোনো বল ও  বলের ক্রিয়াকালের গুণফলকে ঐ বলের ঘাত বলে।

২৩. প্রতিধ্বনি কাকে বলে?

উত্তর: যখন প্রতিফলিত শব্দ মূল শব্দ থেকে আলাদা হয়ে মূল শব্দের পুনরাবৃত্তি করে, তাকে ঐ প্রতিফলিত শব্দকে প্রতিধ্বনি বলে।

২৪. কর্মদক্ষতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো যন্ত্রের লভ্য কার্যকর শক্তি ও মোট প্রদত্ত শক্তির অনুপাতকে ঐ যন্ত্রের কর্মদক্ষতা বলে।

২৫. বিভব শক্তি কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুকে স্বাভাবিক অবস্থা বা অবস্থান থেকে পরিবর্তন করে অন্য কোনো অবস্থা বা অবস্থানে আনলে বস্তু কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তাকে ঐ বস্তুর বিভবশক্তি বলে।

২৬. পরিমাপের একক কাকে বলে?

উত্তর: কোনো কিছু পরিমাপের জন্য গৃহীত আদর্শ বা স্ট্যান্ডার্ড পরিমাণকে পরিমাপের একক বলে।

২৭. গতিশক্তি কাকে বলে?

উত্তর: কোনো গতিশীল বস্তু তার গতির জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য লাভ করে তাকে গতিশক্তি বলে।

২৮. এক জুল কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগের ফলে যদি বলের দিকে বস্তুটির এক মিটার সরণ হয় তাকে তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে এক জুল বলে।

২৯. বৈজ্ঞানিক প্রতীক কাকে বলে?

উত্তর: বিজ্ঞানে ব্যবহৃত সমীকরণগুলোতে ব্যবহৃত রাশিগুলোকে সুনির্দিষ্ট কতগুলো নিয়মের আওতায় যে সকল হরফ বা চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়, তাদেরকে বৈজ্ঞানিক প্রতীক বলে।

৩০. প্যাসকেলের সূত্রটি লিখ।

উত্তর: পাত্রে আরদ্ধ তরল বা বায়বীয় পদার্থের কোনো অংশের উপর বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছুমাত্র না কমে তরল বা বায়বীয় পদার্থের সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল বা বায়বীয় পদার্থ সংলগ্ন পাত্রের গায়ে লম্বভাবে ক্রিয়া করে।

৩১. পীড়ন কাকে বলে?

উত্তর: বস্তুর ভিতর একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে উদ্ভ‚ত বিকৃতি প্রতিরোধককারী বলকে পীড়ন বলে।

৩২. কাজ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল এবং বলের দিকে বস্তুর সরণের গুণফলকে কাজ বলে।

৩৩. ওজনহীনতা কী?

উত্তর: কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ওপর অভিকর্ষজনিত প্রতিক্রিয়া বল না থাকলে সে নিজেকে ওজনহীন মনে করবে। এরূপ অনুভ‚তিকেই ওজনহীনতা বলে।

৩৪. ১ জুল কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুটির বলের দিকে এক মিটার সরণ হয় তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে এক জুল বলে।

৩৫. ভ‚-তাপীয় শক্তি কী?

উত্তর: ভ‚-অভ্যন্তরের তাপকে কাজে লাগিয়ে যে শক্তি পাওয়া যায় তাই ভ‚-তাপীয় শক্তি।

৩৬. ক্ষমতা কী?

উত্তর; একক সময়ে কোনো ব্যক্তি বা উৎস দ্বারা সম্পাদিত কাজের পরিমাণই ক্ষমতা।

৩৭. কাজ কী?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগে যদি বস্তুটির সরণ ঘটে, তাহলে বল এবং বলের দিকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর সরণের উপাংশের গুণফলকে কাজ বলে।

৩৮. ভরবেগের নিত্যতার সূত্রটি বিবৃত করো।

উত্তর: একাধিক বস্তুর মধ্যে শুধু ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো বল কাজ না করলে কোনো নির্দিষ্ট দিকে তাদের মোট ভরবেগের কোনো পরিবর্তন হবে না।

৩৯. তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তর: যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত করে না তা-ই তরঙ্গ।

৪০. কনভেক্স মিরর কাকে বলে?

উত্তর: কোনো গোলকের উত্তল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলকরূপে কাজ করে তবে তাকে কনভেক্স মিরর বলে।

৪১. ডাই কাকে বলে?

উত্তর: এনজিওগ্রাম করার সময় রক্তনালিকায় বিশেষ সরু ও নমনীয় নলের মাধ্যমে যে তরল পদার্থ প্রবেশ করান হয় তা-ই ডাই।

৪২. কন্ট্রোল রড কী?

উত্তর: নিউট্রন শোষণ করার জন্য নিউক্লিয়ার রি-অ্যাক্টরে বোরন বা ক্যাডমিয়ামের যে বিশেষ ধরনের দÐ থাকে, সেগুলোকে কন্ট্রোল রড বলে।

৪৩. প্রত্যয়নী বল কাকে বলে?

উত্তর: বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুকে বিকৃত করলে বস্তুর ভিতর থেকে বিকৃতি প্রতিরোধকারী যে বলের উদ্ভব হয়, তাকে বলা হয় প্রত্যয়নী বল।

৪৪. রেডিওথেরাপি কী?

উত্তর: রেডিওথেরাপি হলো কোনো রোগের চিকিৎসায় আয়ন সৃষ্টিকারী বিকিরণের ব্যবহার।

৪৫. ঘনত্ব কী?

উত্তর: কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।

৪৬.  এক ওয়াট কত এইচ পি?

উত্তর: এক ওয়াট ৭৪৬ ভাগের  ১ ভাগ এইচ পি।

৪৭. স্প্রিং ধ্রæবক কী?

উত্তর: কোনো স্প্রিংকে তার স্থিপিস্থাপক সীমার মধ্যে সাম্যাবস্থান হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ সংকুচিত বা প্রসারিত করলে এত যে প্রত্যয়নী বলের উদ্ভব হয়, সে বলের মান এবং উক্ত সরণের মানের অনুপাতকে স্প্রিংটির স্প্রিং ধ্রæবক বলে।  

৪৮. অরৎ ঞৎধপশ কী?

উত্তর: এটি হলো একটি বৈজ্ঞানিক কৌশল বা ডিভাইস যা নি¤œ ঘর্ষণের পরিবেশে গতি পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।


অধ্যায়- ৫: পদার্থের অবস্থা ও চাপ

১. প্লবতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুকে তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত করলে বস্তুটি প্রবাহীর অভ্যন্তরে চাপের পার্থক্যের দরুন ওপরের দিকে যে লব্ধি বল অনুভব করে তাকে প্লবতা বলে।

২. বায়ুমন্ডলীয় চাপ কাকে বলে?

উত্তর: বায়ুমন্ডল তার ওজনের জন্য ভ‚পৃষ্ঠে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করে তাকে ঐ স্থানের বায়ুমন্ডলীয় চাপ বলে।

৩. পীড়ন কাকে বলে?

উত্তর: বাহ্যিক বলের প্রভাবে কোনো বস্তুর মধ্যে বিকৃতির সৃষ্টি হলে স্থিতিস্থাপকতার দরুন বস্তুর ভিতরে একটি প্রতিরোধ বলের উদ্ভব হয়। বস্তুর ভিতর একক ক্ষেত্রফলে উদ্ভূত এ প্রতিরোধকারী বলকে পীড়ন বলে।

৪. চাপ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলের মানকে চাপ বলে।

৫. আর্কিমিডিসের সূত্রটি বিবৃত কর।

উত্তর: কোনো বস্তুকে স্থির তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবালে বস্তুটি কিছু ওজন হারায় বলে মনে হয়। এই হারানো ওজন বস্তুটিুর দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান।

৬. ঘনত্ব কী?

উত্তর: কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।

৭. হুকের সূত্রটি লিখ।

উত্তর: স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক।

৮. আপেক্ষিক তাপ কী?

উত্তর: একক ভরের কোনো বস্তুর তাপমাত্রা এক একক বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।

৯. বিকৃতি কাকে বলে?

উত্তর: বাইরে থেকে বল প্রয়োগের ফলে কোনো বস্তুর একক মাত্রায় যে পরিবর্তন হয় তাকে বিকৃতি বলে।

১০. তরলের আপাত প্রসারণ কাকে বলে?

উত্তর: পাত্রের প্রসারণ বিবেচনায় না এনে তরলের যে প্রসারণ পাওয়া যায় তাকে তরলের আপাত প্রসারণ বলে।

১১. ক্যালরিমিতির মূলনীতিটি লিখ।

উত্তর: ক্যালরিমিতির মূলনীতি, গৃহীত তাপ = বর্জিত তাপ।

১২. পৃষ্ঠটান কাকে বলে?

উত্তর: কোনো তরলপৃষ্ঠে একটি কল্পিত রেখার প্রতি একক দৈর্ঘ্যে রেখার উপর লম্বভাবে তরল পৃষ্ঠের স্পর্শক বরাবর যে বল ক্রিয়া করে তাকে ঐ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।

১৩. গলন কী?

উত্তর: তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় তরলে পরিণত করাকে গলন বলে।

১৪. ১ প্যাস্কেল এর সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: চাপের একক প্যাসকেল। একক ক্ষেত্রফলের ওপর ১ নিউটন বল লম্বভাবে প্রযুক্ত হলে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে এক প্যাসকেল বলে।

১৫. পুনঃশিলীভবন কী?

উত্তর: চাপ প্রয়োগ করে কোনো কঠিন পদার্থকে তরলে পরিণত করা এবং চাপ হ্রাস করে একে আবার কঠিন অবস্থায় পরিণত করার প্রক্রিয়াকে পুনঃশিলীভবন বলে।

১৬. বল, চাপ ও ক্ষেত্রফলের সম্পর্ক কী?

উত্তর: চাপ = বল/ক্ষেত্রফল।

১৭. টরিসেলের শূণ্যস্থান কী?

উত্তর: একমুখ বন্ধ প্রায় এক মিটার একটি লম্বা পারদপূর্ণ কাচ নলকে পারদপূর্ণ পাত্রে উল্টা করে খাড়াভাবে রাখলে বায়ুমÐলের চাপের কারণে পারদ স্তম্ভ কিছুটা নেমে এসে স্থির হয় অর্থাৎ উপরের কিছু অংশ বায়ু শূন্য হয়। এই শূন্য স্থানকে টরিসেলের শূন্যস্থান বলে।

১৮. ১ জুল কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগের ফলে যদি বস্তুটির বলের দিকে এক মিটার সরণ হয় তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে এক জুল বলে।

১৯. পানির ত্রৈধবিন্দুর তাপমাত্রা কত?

উত্তর: পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে ০.০১ সে. এবং কেলভিন স্কেলে ২৭৩.১৬ কেলভিন।

২০. পর্যায়কাল কাকে বলে?

উত্তর: যে সময়ে তরঙ্গের উপরস্থ কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হয় তাকে পর্যায়কাল বলে।

২১. তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তর: যে পর্যায়বৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত করে না তাই তরঙ্গ।

২২. শব্দের প্রাবল্য কাকে বলে?

উত্তর: শব্দ সঞ্চালনের দিকের সাথে একক ক্ষেত্রফলের মধ্যদিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় তাই হলে শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা।

২৩. শব্দের তরঙ্গ কাকে বলে?

উত্তর: যে শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্টজ এর চেয়ে কম তাকে শব্দেতর তরঙ্গ বলে।

২৪. প্রতিধ্বনি কাকে বলে?

উত্তর: যখন প্রতিফলিত শব্দ মূল শব্দ থেকে আলাদা হয়ে মূল শব্দের পুনরাবৃত্তি করে, তখন ঐ প্রতিফলিত শব্দকে প্রতিধ্বনি বলে।

২৫. শব্দের তীব্রতা কাকে বলে?

উত্তর: শব্দ সঞ্চালনের দিকে সাথে একক ক্ষেত্রফলের মধ্যদিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় তাই হলো শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা।

২৬. বিস্তার কাকে বলে?

উত্তর: সাম্যাবস্থান থেকে যেকোনো একদিকে তরঙ্গস্থিত কোনো কণার সর্বাধিক সরণকে বিস্তার বলে।

২৭. তরঙ্গবেগ কী?

উত্তর: তরঙ্গ এক সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গবেগ বলে।

২৮. দশা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো একটি তরঙ্গায়িত কণার যেকোনো মুহূর্তের গতির সামগ্রিক অবস্থা প্রকাশক রাশিকে তার দশা বলে।

২৯. কম্পাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর: তরঙ্গস্থিত কোন কণা প্রতি সেকেন্ডের যতগুলো পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।

৩০. সুরযুক্ত শব্দ কী?

উত্তর: শব্দ উৎসের নিয়মিত ও পর্যাবৃত্ত কম্পনের ফলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় এবং যা আমাদের কানে শ্রæতিমধুর বলে মনে হয় তাকে সুরযুক্ত শব্দ বলে।

৩১. তরঙ্গদৈর্ঘ্য কী?

উত্তর: তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে।

৩২. শব্দের তীক্ষèতা কাকে বলে?

উত্তর: সুরযুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে একই প্রাবল্যের খাদের সুর এবং চড়া সুরের মধ্যে পার্থক্য বুঝা যায় তাকে তীক্ষèতা বলে।

৩৩. শব্দের তীব্রতা কাকে বলে?

উত্তর: শব্দ বিস্তারের অভিমুখে লম্বভাবে রাখা একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দশক্তি হয় তাই হলো শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা।

৩৪. তড়িৎ বলরেখা কী?

উত্তর: তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে।

৩৫. প্রিজম কাকে বলে?

উত্তর: কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের দুই পৃষ্ঠ সমান্তরাল না হলে তাকে প্রিজম বলে।

৩৬. এক অশ্ব ক্ষমতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো ইঞ্জিন ১ ং এ ৭৪৬ ি কাজ সম্পাদন করলে তার ক্ষমতাকে এক অশ্বক্ষমতা বলে।

৩৭. ইয়ং এর গুণাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য পীড়ন ও দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাতকে বস্তুটির ইয়ং এর গুণাঙ্ক বলা হয়।

৩৮. তরঙ্গশীর্ষ কাকে বলে?

উত্তর: অনুপ্রস্থ তরঙ্গের উপরের দিকে সর্বাধিক সরণযুক্ত বিন্দুগুলোকে তরঙ্গশীর্ষ বলে।

৩৯. কম্পাংক কাকে বলে?

উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।

৪০. বৈদ্যুতিক আবেশ কী?

উত্তর: একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধু এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ আবেশ বলে।

৪১. তাপধারণ ক্ষমতা কাকে বলে?

উত্তর: কোন বস্তুর তাপমাত্রা ১কে বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপশক্তি প্রয়োগ করতে হয়, তাকে ঐ নির্দিষ্ট পরিমাণ বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বলে।

৪২. পরম শূণ্য তাপমাত্রা কাকে বলে?

উত্তর: সর্বনি¤œ যে তাপমাত্রার কোনো গ্যাসের আয়তন ও চাপ শূণ্য হয় অর্থাৎ যার নিচে আর কোনো তাপমাত্রা সম্ভব নয়, তাকে পরমশূন্য তাপমত্রা।

৪৩. শব্দানুভ‚তির স্থায়িত্বকাল কত?

উত্তর: শব্দানুভ‚তির স্থায়িত্বকাল ১০ ভাগের ১ ভাগ সেকেন্ড।

৪৪. শব্দের তীব্রতার একক কী?

উত্তর: শব্দের তীব্রতার একক .

৪৫. প্রতিসরণ কাকে বলে?

উত্তর: আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে ভিন্ন স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করলে দুই বিভেদতলে এর দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

৪৬. শ্রাব্যতার পাল্লা কাকে বলে?

উত্তর: যে কম্পাঙ্ক সীমার মধ্যে মানুষ শব্দ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে। মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ হার্টজ থেকে ২০০০০ হার্টজ।

৪৭. কম্পাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে তরঙ্গের কম্পাঙÍ বলে।

৪৮. এক্সরে টিউবের ভোল্টেজ কত?

উত্তর: এক্স-রে টিউবের ভোল্টেজ ১০০০০০ ভোল্ট এর কাছাকাছি হয়ে থাকে।

৪৯. টিম্বার কাকে বলে?

উত্তর: সুরযুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন একই প্রাবল্য ও তীক্ষèতাযুক্ত শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝা যায় তাকে টিম্বার বলে।

৫০. পদার্থের তাপমাত্রিক ধর্ম কী?

উত্তর: তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য পদার্থের যে ধর্ম নিয়মিতভাবে পরিবর্তিত হয় এবং এই পরিবর্তন লক্ষ করে সহজে ও সূ²ভাবে তাপমাত্রা নিরূপন করা যায় সেই ধর্মকে পদার্থের তাপমত্রিক ধর্ম বলে।

৫১. কত সালে ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি হয়?

উত্তর: ১৯৪৭ সালে ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরী হয়।


অধ্যায়- ৮: আলোর প্রতিফলন

১. উত্তল লেন্স কাকে বলে?

উত্তর: যে লেন্সের মধ্যভাগ পুরু ও প্রান্তভাগ ক্রমশ সরু তাকে উত্তল লেন্স বলে।

২. অপটিক্যাল ফাইবার কী?

উত্তর: অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে কাচ বা কোনো স্বচ্ছ পদার্থের তৈরি সরু তন্তু বা ফাইবার যা আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ধর্ম ব্যবহার করে আলোকীয় সংকেত বহনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

৩. আলোক কেন্দ্র কী?

উত্তর: আলোক কেন্দ্র হলো লেন্সের অভ্যন্তরে প্রধান অক্ষের উপর অবস্থিত একটি নির্দিষ্ট বিন্দু যার মধ্যদিয়ে কোনো রশ্মি অতিক্রম করলে প্রতিসরণের পর লেন্সের অপরপৃষ্ঠ থেকে নির্গত হওয়ার সময় আপতিত রশ্মির সমান্তরালভাবে নির্গত হয়।

৪. লেন্স কী?

উত্তর: দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।

৫. দর্পনের মেরু কাকে বলে?

উত্তর: গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠের মধ্যবিন্দুকে দর্পণের মেরু বলে।

৬. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কাকে বলে?

উত্তর: আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের অভিমুখে যাওয়ার পথে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে ক্রান্তিকোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হলে আলোকরশ্মির সবটুকুই দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সম্পূর্ণ প্র্রতিফলিত হয়ে ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

৭. আলোর প্রতিফলনের সংজ্ঞা লিখ।

উত্তর: আলোকরশ্মি যখন এক মাধ্যম দিয়ে চলতে চলতে অন্য এক মাধ্যমের কোনো তলে আপতিত হয় তখন দুই মাধ্যমের বিভেদতল হতে কিছু পরিমাণ আলো আবার প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

৮. প্রতিবিম্ব কী?

উত্তর: কোনো বিন্দু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হবার পর যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু হতে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তখন ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটি হলো প্রথম বিন্দুর প্রতিবিম্ব বা বিম্ব।

৯. ব্যপ্ত প্রতিফলন কাকে বলে?

উত্তর: যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর আর সমান্তরাল না থাকে বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মি গুচ্ছে পরিণত না হয় তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর ব্যাপ্ত বা অনিয়মিত প্রতিফলন বলে।

১০. আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে?

উত্তর: আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে ভিন্ন স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করলে, দুই মাধ্যমের বিভেদতলে এর দিক পরিবর্তন করার ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

১১. বাস্তব প্রতিবিম্ব কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বিন্দু হতে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো তলে প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হবার পর যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুর বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।

১২. প্রতিসরণাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর: একজোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং কোনো একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোকরশ্মি এক মাধ্যম থেকে অপর মাধ্যমে প্রতিসৃত হলে আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইন এর অনুপাতকে ঐ বর্ণের আলোর জন্য প্রথম মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক বলে।

১৩. অ্যানালগ সংকেত কাকে বলে?

উত্তর: যেসব সংকেতের মান নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিবর্তিত হয় তাদের এনালগ সংকেত বলা হয় যেমন- বাসাবাড়িতে সরবরাতকৃত বিদ্যুতের ভোল্টেজ।

১৪. দর্পণ কাকে বলে?

উত্তর: যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পন বলে।

১৫. প্রধান ফোকাস কাকে বলে?

উত্তর: প্রধান অক্ষের নিকটবর্তী ও সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তাই দর্পণের প্রধান ফোকাস।

১৬. ফোকাস তল কাকে বলে?

উত্তর: প্রধান ফোকাসের মধ্য দিয়ে লেন্সের প্রধান অক্ষের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত কল্পিত সমতলই হলো ফোকাস তল।

১৭. প্রধান অক্ষ কাকে বলে?

উত্তর: লেন্সের দুই পৃষ্ঠের বক্রতার কেন্দ্রের সংযোগকারী সরলরেখাকে লেন্সের প্রধান অক্ষ বলে।

১৮. লেন্সের ক্ষমতা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো লেন্সের আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার সামর্থ্যকে তার ক্ষমতা বলে।

১৯. সদ বিম্ব কাকে বলে?

উত্তর: কোন বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোকে রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর যদি দ্বিতীয় কোন বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয় তাহলে দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর বাস্তব বা সদ বিন্দু বলে।

২০. সুষম প্রতিফলন কাকে বলে?

উত্তর: যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল আলোকরশ্মি কোনো মসৃণ তলে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ বা অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হয় তবে এ ধরনের প্রতিফলনকে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন বলে।

২১. হ্রস্বদৃষ্টি কাকে বলে?

উত্তর: চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি হলো এক ধরনের চোখের ত্রæটি। এই ত্রুটিগ্রস্থ চোখ দূরের বস্তু ভালোভাবে দেখতে পায় না কিন্তু কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায়।

২২. আলোক নল কী?

উত্তর: একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারকে আলোক নল বলে। 



 

অধ্যায়- ১১: চল বিদ্যুৎ 

 

১. ও’মের সূত্রটি লিখ।

উত্তর: তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত তড়িৎপ্রবাহ এর দুইপ্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।

২. তেজস্ক্রিয়তা কাকে বলে?

উত্তর: কোনো মৌল থেকে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে তেজস্ক্রিয় কণা বা রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।

৩. রোধ কাকে বলে?

উত্তর:  পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিঘিœত হয় তাকে রোধ বলে।

৪. তড়িচ্চালক শক্তি কাকে বলে?

উত্তর: কোনো তড়িৎ উৎস কর্তৃক একক ধনাত্মক আধানকে বর্তনীর এক বিন্দু থেকে সম্পূর্ণ বর্তনী ঘুরিয়ে আবার ঐ বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে ঐ উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি বলে।

৫. তড়িৎ তীব্রতা কাকে বলে?

উত্তর: তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা বলে।

৬. তড়িৎ আবেশ কাকে বলে?

উত্তর: কোনো অনাহিত বস্তুকে একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধু এর উপস্থিতিতে বস্তুটিকে আহিত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ আবেশ বলে।

৭. তড়িৎ বর্তনী কী?

উত্তর: তড়িৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথকে তড়িৎ বর্তনী বলে।

৮. তড়িৎ বলরেখার সাথে তড়িৎ তীব্রতার সম্পর্ক কী?

উত্তর: তড়িৎ বলরেখার দিকের সাথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যা তড়িৎ তীব্রতার সমানুপাতিক এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দু দিয়ে অতিক্রমকারী বলরেখার সাথে অঙ্কিত স্পর্শক ঐ বিন্দুতে তড়িৎ তীব্রতার দিক নির্দেশ কবে।

৯. তড়িৎক্ষেত্র কাকে বলে?

উত্তর: কোনো আহিত বস্তুর চারপাশের যে অঞ্চল জুড়ে এর প্রভাব বিদ্যমান থাকে সেই অঞ্চলকে ঐ আহিত বস্তুটির তড়িৎক্ষেত্র বলে।



১০. তড়িৎ ধারক কী?

উত্তর: কাছাকাছি স্থাপিত দুইটি তড়িৎ পরিবাহীর মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক পদার্থ রেখে তড়িৎ আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক কৌশলই তড়িৎ ধারক।


১১. গজও এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তর: গজও এর পূর্ণরূপ হলÑ গধমহবঃরপ ৎবংড়হধহপব রসধমরহম. 

১২. জেনারেটর কাকে বলে?

উত্তর: যে তড়িৎ যন্ত্র যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে জেনারেটর বলে।

১৩. আধান কী?

উত্তর: পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাসমূহের (ইলেকট্রন ও প্রোটন) মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই হচ্ছে আধান।

১৪. ওহ্মের সূত্রটি লেখ।

উত্তর: তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত তড়িৎপ্রবাহ এর দুপ্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।

১৫. তড়িৎচুম্বকীয় বল কী?

উত্তর: পরস্পরের সাপেক্ষে স্থির বা গতিশীল দুটি তড়িৎ চার্জ অথবা দুটি চৌম্বক মেরু অথবা একটি চুম্বক ও একটি গতিশীল তড়িৎ চার্জের মধ্যকার ক্রিয়াশীল অস্পর্শ তড়িৎচুম্বকীয় বল।

১৬. ডায়োড কী?

উত্তর: একটি চ টাইপ অর্ধপরিবাহীর সাথে একটি ঘ টাইপ অর্ধপরিবাহী যুক্ত করে যে জাংশন (চ-ঘ) তৈরি করা হয় তাকে ডায়োড বলে।

১৭. বিদ্যুৎ প্রবাহ কী?

উত্তর: কোনো পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ আধান অতিক্রম করে তাকে তড়িৎপ্রবাহ বলে।

১৮. তড়িৎ বিভব কাকে বলে?

উত্তর: অসীম দূরত্ব থেকে একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে।

১৯. ধারক কী?

উত্তর: কাছাকাছি স্থাপিত দুইটি তড়িৎ পরিবাহীর মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক পদার্থ রেখে আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক ব্যবস্থাই তড়িৎ ধারক।

২০. রিওস্টেট বা পরিবর্তী রোধ কী?

উত্তর: যে রোধের মান প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা যায় তাকে পরিবর্তী রোধক বা রিওস্টেট বলে।

২১. রোধ কাকে বলে?

উত্তর: পরিবাহকের যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ বিঘিœত হয় তাকে রোধ বলে।

২২. হীরার রোধ কত?

উত্তর: হীরার আপেক্ষিক রোধ ১ দ্ধ ১০ ১২ Ω স.

২৩. নিরপেক্ষ তারের বিভব কত?

উত্তর: নিরপেক্ষ তারের বিভব শূণ্য।

২৪. অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?

উত্তর: কোনো পরিবাহীর যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে এক সেকেন্ডে এক কুলম্ব আধান সুষমভাবে প্রবাহিত হলে যে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয় তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে।

২৫. তড়িৎ বলরেখা কাকে বলে?

উত্তর: তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলে।


................................................ধন্যবাদ......................................................


মন্তব্য করুন