সহকারী শিক্ষক
১৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্লেজারিজমঃএক কথায় অন্য কারো কাজ বা লেখাকে নিজের নামে ব্যবহার করা বা নিজের নামে প্রকাশ করাকেই Pleasureism বলে। সহজভাবে বলতে গেলে, আপনি যদি কোন ব্যক্তির গবেষণা, সাহিত্য এবং আইডিয়া হুবহু নকল বা সামান্য পরিবর্তন করে তা নিজের কাজ বলে চালিয়ে তাহলে তা হলো প্লেজারিজম। বর্তমান বিশ্বে এর মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১. সম্পূর্ণ প্লেজিয়ারিজম বা ডিরেক্ট Plagiarism:
প্রত্যক্ষ প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের কোনো লিখা হুবহু নিজের নামে প্রকাশ করা। অর্থাৎ অন্যের লেখা বা লেখার অংশ হুবহু নকল করে নিজের কাজে ব্যবহার করা কোনো প্রকার রেফারেন্স ছাড়াই।
২. প্যারাফ্রেজ/paraphrase প্লেজিয়ারিজম:
প্যারাফ্রেজ/paraphrase Plagiarism হলো অন্যের লেখার কিছুটা পরিবর্তন করে নিজস্ব হিসাবে দাবী করা। অর্থাৎ লেখার শব্দ বা বাক্যের গড়মিল করে সামান্য পরিবর্তন করার মাধ্যমে নিজের কর্ম বলে দাবী করা।
৩. মোজাইক প্লেজিয়ারিজম (Mosaic Plagiarism):
মোজাইক প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের লেখার বাক্যাংশ, কিছু শব্দ বা পাঠকে নিজের লেখার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা কোনো প্রকার উদ্ধৃতি চিহ্ন (Quotation mark) বা রেফারেন্স করা ছাড়াই। এটি প্রায় paraphrase Plagiarism এর মতো।
৪. Accidental Plagiarism:
যখন কোনো ব্যক্তি তার সংগ্রহীত তথ্যের সঠিক রেফারেন্স দিতে ভুল করে বা অনিচ্ছাকৃত/অবহেলার জন্য ভুলভাবে দেখায় তখন তাকে Accidental Plagiarism বলে।
এগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের Plagiarism রয়েছে। Plagiarism একটি বড় অনৈতিক কর্ম, যেখানে কন্টেন্ট আসল মালিক চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবে বর্তমানে এটিকে থেকে আসল মালিককে রক্ষা করার জন্য অনেক ধরনের নিয়ম-নীতি প্রকাশ হয়েছে।
প্লেজারিজম খুব বড় অনৈতিক কাজ। বুঝে হোক বা না বুঝে হোক অনেকে এ কাজটি করছে এবং তাদের অনেকেই এজন্য খুব বড় বিপদে পড়ে যায়। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে যেমন বেড়েছে ঠিক সেরকম এটি ধরার কৌশলও বেড়েছে।
সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডকুমেন্টের কোন অংশ ইন্টারনেটের কোন জায়গা থেকে হুবহু কপি করে এনেছে সেটা সহজে ধরা যায়। এ কারণে বিভিন্ন গবেষণা, প্রজেক্ট পেপার ইত্যাদির ডকুমেন্ট তৈরিতে প্লেজারিজম থেকে দূরে থাকতে হবে।
১
১ মন্তব্য