Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৯:২৮ পূর্বাহ্ণ

♥এসো আরবি শিখি ♦ আলোচ্য বিষয় - عدد ও معدود ?

? আলোচ্য বিষয় - عدد ও معدود ?


?যার দ্বারা কোনো কিছু গণনা করা হয় তাকে عدد বলে। যেমনঃ- أربعة، خمسة


?যা কিছু গণনা করা হয় তাকে معدود বলে। যেমনঃ- ستة رجال ।   


এখানে ستة হলো عدد আর رجال হলো معدود। কারণ এখানে ستة দিয়ে رجال কে গণনা করা হয়েছে তাই ستة হল عدد আর رجال হল معدود।


আদাদ দুই প্রকারঃ-

১. العدد الأصلي :- যার দ্বারা কোন কিছুর সংখ্যা বুঝায়। যেমন:- ثلاثة رجال তিনজন ব্যক্তি। 

২. العدد الترتيبي:- যার দ্বারা কোন কিছুর স্তর বুঝায়। যেমন:- الثاني দুই নাম্বার।


আদাদে আসলী দুইভাবে হয়। মুফরাদ, মুরাক্কাব।

মুফরাদ হল তিন থেকে দশ এবং সাথে مائة ، مليون ، ألف ، مليار। আর মুরাক্কাব হল এগারো থেকে নিরানব্বই।


✍️কাওয়ায়েদে আদাদ ও মাদুদকে আমরা দুটি ভাগে ভাগ করব। 

১. عدد এর নিয়মাবলী ২. معدود এর নিয়মাবলী।


? আদাদের নিয়মাবলীঃ—


?জেনে রাখা ভালো যে, عدد এর সংখ্যা কয়েকটি। তা নিম্নরুপঃ-


واحد ، واحدة، اثنان ،اثنتان، ثنتان، ثلاثة ، أربعة ، خمسة ، ستة ، سبعة ، ثمانية ، تسعة ،عشرة،  مائة، مائتان ، ألف، ألفان، ألوف ، آلاف، مليون، مليار...


?১. واحد  ও اثنان এর নিয়ম:-

এক ও দুইয়ের কোন আদাদ নেই। যে শব্দটির এক ও দুই বুঝানো উদ্যেশ্য সেটাকে একবচন হিসেবে নিয়ে আসলে এক বুঝায় । আর দ্বীবচন নিয়ে আসলে দুই বুঝায়। যেমনঃ- رجل একজন পুরুষ, كتابان দুটি কিতাব।


?২. ثلاثة থেকে عشر এর নিয়মঃ-


ক. যদি معدود মুজাক্কার হয় তাহলে عدد  হবে মুআন্নাস। যেমন:- خمسة رجال 

খ. যদি معدود মুআন্নাস হয় তাহলে عدد হবে মুজাক্কার। যেমনঃ- خمس مدارس


?৩. أحد عشر থেকে اثنا عشر এর নিয়মঃ-


ক. যদি معدود মুজাক্কার হয় তাহলে عدد এর উভয় অংশই مذكر হবে। যেমন:- أحد عشر رجلا

খ. যদি معدود মুআন্নাস হয় তাহলে عدد এর উভয় অংশই مؤنث হবে। যেমন:- إحدى عشرة امرأة


?৪. ثلثة عشر থেকে تسعة عشر এর নিয়মঃ-


ক. যদি معدود মুজাক্কার হয় তাহলে আদদের প্রথম অংশ مؤنث হবে আর দ্বিতীয় অংশ مذكر হবে। যেমনঃ- ثلاثة عشر رجلا

খ. যদি معدود মুআন্নাস হয় তাহলে আদদের প্রথমাংশ مذكر হবে আর দ্বিতীয়াংশ مؤنث হবে। যেমন:- خمس عشرة امرأة 


▫️কায়েদাঃ-

এগারো থেকে উনিশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর মধ্যখানে একটি واو লুকায়িত থাকে। যেমনঃ- أحد عشر মুলত أحد و عشر ছিল। 


?৫. দশক গুলোর নিয়ম অর্থাৎ عشرون থেকে تسعون এর নিয়মঃ-

দশক গুলো مذكر ও مؤنث উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়। যেমনঃ- عشرون درهما ، ثلاثون امرأة


?৬. সংখ্যা ২১, ২২, ৩১, ৩২, ৪১, ৪২, ৫১, ৫২, ৬১, ৬২, ৭১, ৭২, ৮১, ৮২, ৯১, ৯২ এর নিয়মঃ-


ক. যদি এগুলোর معدود মুজাক্কার হলে আদদের প্রথম অংশ مذكر হবে। যেমনঃ- أحد و عشرون رجلا

খ. যদি এগুলোর معدود  মুআন্নাস হয় তাহলে আদদের প্রথম অংশ مؤنث হবে। যেমনঃ- إحدى و عشرون امرأة


▫️কায়েদাঃ-

বিশ হতে পরবর্তী সংখ্যাগুলোতে عدد ও معدود এর মধ্যখানে واو নিয়ে আসতে হবে। যেমনঃ- أحد و عشرون رجلا ।


?৭. ২৩-২৯ এবং ৯৩-৯৯ এর নিয়মঃ-


ক. এগুলোর معدود টি যদি মুজাক্কার হয় তাহলে আদদের প্রথম অংশ مؤنث হবে। যেমন:- ثلاثة و عشرون رجلا

খ.যদি معدود টি مؤنث হয় তাহলে আদদের প্রথম অংশ مذكر হবে।  যেমন:- ثلاث و عشرون امرأة


?৮. مائة، مائتان ، ألف، ألفان، ألوف ، آلاف، مليون، مليار এর নিয়মঃ-


এই আদদগুলো মুজাক্কার ও মুআন্নাস উভয় ক্ষেত্রেই আসে। কোন পার্থক্য নেই। যেমনঃ- مائة رجل، مائة امرأة


? মাদুদের নিয়মাবলীঃ—


?কায়েদাঃ- 

তিন থেকে দশ পর্যন্ত معدود টি জমা হবে ও কাসরা বিশিষ্ট হবে। যেমনঃ- ثلاثة رجال


?কায়েদাঃ-

এগারো থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত معدود টি ওয়াহিদ হবে এবং নসব হবে। যেমন:- أحد عشر قلما


?কায়েদাঃ-

এ مائة، مائتان، ألف، ألفان، ألوف، آلاف، مليون، مليار শব্দগুলোর মাদুদ ওয়াহিদ ও জমা আসে এবং কাসরা বিশিষ্ট হয়। যেমন:- مائة رجل ، مائة سنين


?কায়েদাঃ-

এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর পর ألف، مائة ইত্যাদি শব্দ আসলে এগুলোর মধ্যে পরিবর্তন হয়না। মুফরাদই থাকে। যেমন:- ثلاثمائة ، تسعمائة


? তারকীবী সূরতঃ—


▪️ক. তিন থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলো তারকীবে مضاف ও مضاف إليه হয়। আদদগুলো مضاف আর মাদুদগুলো مضاف إليه। যেমন:- ثلاثة أقلام 


▪️খ. এগারো থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত সংখ্যা গুলো তারকীবে مميز ও تميز হয়। আদদগুলো مميز আর মাদুদগুলো تميز হয়। যেমন:- أحد عشر رجلا


▪️গ. مائة، مائتان، ألف، ألفان، ألوف، آلاف শব্দগুলো مضاف হয় আর তার পরবর্তী মাদুদগুলো مضاف إليه হয়। যেমন:- ألف قلم


▪️ঘ. আদাদে রুতাবী হলে মাওসূফ সিফাতের তারকীব হবে। মাদুদটা হবে মাওসুফ আর আদদটা সিফাত। যেমনঃ- الرقم الثالث


? ইরাবের সূরতঃ—


?ক. তিন থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর আদদের ইরাব আমেল অনুযায়ী হবে আর দ্বিতীয় অংশ কাসরা। যেমন:- من ثلاثة أقلام 


?খ. এগারো থেকে উনিশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলো উভয় অংশ ফাতহার উপর মাবনী। কিন্তু اثنا عشر এর মধ্যে اثنا শব্দটি মুরাব। যেমন:- أحد عشر رجلا 

নোটঃ- ثماني عشرة এর মধ্যে ياء কে সাকিন করে পড়া যায়েজ। যেমন:- ثمانيْ عشرة

কখন ياء কে হযফ করা তবে এটা شاذ তখন نون কে ফাতহা- কাসরা উভয়টা দিয়েই পড়া যাবে। যেমন:- ثمانَِ عشرة


?গ. বিশ থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর ইরাব আমেল অনুযায়ী হবে। আর দ্বিতীয় অংশ প্রথম অংশের অনুকরণ করবে। যেমনঃ- من أحد و عشرين رجلا


?ঘ. - مائة، مائتان، ألف، ألفان، ألوف، آلاف  শব্দগুলো তার পূর্ববর্তী আমেল অনুযায়ী ইরাব গ্রহন করে এবং তার পরবর্তী মাদুদগুলো কাসরা হয়। যেমন:- ألف قلم


? মণিমুক্তাঃ—


▫️ক. عشر শব্দটি যখন ة মুক্ত হবে তখন সীনে সাকিন হবে। যেমন:- عشْر مدارس 

আর ة যুক্ত হলে সীনে তিন হরকত দেয়া যায়- ফাতহা, কাসরা ও সাকিন । যেমন:- ثلاث عَشَِْرة، عشَرة رجال


▫️খ. যদি কোন কিছুর স্তর বা নাম্বার বুঝানো উদ্যেশ্য হয় এগুলোকে عدد رتبي বলে। তখন এই আদদগুলোকে فاعل এর ওজনে ব্যবহার করতে হবে। যেমন :-الواحد ، الثاني ، الثالث، الرابع ، الخامس، السادس، السابع ، الثامن ، التاسع ، العاشر


▫️গ. স্তর বা নাম্বার বুঝানো উদ্যেশ্য হয় তখন এগুলো মাদুদের অনুকরণে হবে। অর্থাৎ মাদুদ মুজাক্কার হলে সেটা মুজাক্কার আর মাদুদ মুআন্নাস হলে সেটা মুআন্নাস। যেমন:- الدرجة الرابعة ، الرقم الثالث


▫️ঘ. তের থেকে উনিশ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোর দ্বারা স্তর বা নাম্বার বুঝানো উদ্যোশ্য হলে উভয় অংশ ফাতহার উপর মাবনী হবে আর মাদুদের অনুকরণে আনতে হবে। যেমনঃ- الثالث عشر 


▫️ঙ. এগারো এর মুজাক্কারের ক্ষেত্রে حادي এর মধ্যে ياء কে সাকিন অথবা ফাতহা দিয়ে পড়া যায়। যেমন:- حاديْ عشر ، حاديَ عشر


▫️চ. مائة শব্দটি কয়েকভাবে লিখা যায়। مائة ، مئة، مية তার জমা আসে مئات، مئون এবং নিসবতের জন্য مئوي ব্যবহার হয়।


▫️ছ. আদদ যদি মাদুদের উপর মুকাদ্দাম হয়ে যায় তাহলে মুজাক্কার মুআন্নাস উভয় সুরতেই যায়েজ। যেমনঃ- رجال أربعة ، رجال أربع


▫️জ. মাদুদ যদি মাহযুফ থাকে তাহলে আদদটি মুজাক্কার মুআন্নাস উভয়টাই সঠিক। যেমনঃ- عن ثلاث ، عن ثلاثة 


▫️ঝ. যদি মাদুদ দুটি হয় তাহলে প্রথম মাদুদের অনুকরণে আনতে হবে। شاهدت ثلاث تلميذات و طلاب


▫️ঞ. যদি মাদুদটি মুজাক্কার মুআন্নাস উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয় তাহলে আদদটি মুজাক্কার মুআন্নাস আনা যাবে। যেমন:- ثلاث طرق، ثلاثة طرق


▫️ট. যদি মাদুদটি اسم جمع অথবা اسم جنس হয় তাহলে তার শুরুতে من নিয়ে আসা। যেমন:- ثلاثة من الجيش । তবে من ছাড়াও ব্যবহার হয় তখন اسم جنس ও اسم جمع যেমন আছে তেমনি থাকবে। যেমনঃ- في المدينة تسعة رهط


? বড় সংখ্যা গুলো লিখার নিয়মঃ-


বড় বড় সংখ্যা গুলো লিখার ক্ষেত্রে নিয়ম হল বড় সংখ্যাটি আগে নিয়ে আসা তারপর মাঝারি গুলো তারপর ছোটগুলো। অর্থাৎ প্রথমে ألف তারপরে مائة তারপর বাকী সংখ্যা গুলো নিয়ে আসা। আর এগুলোকে একটার উপরে আরেকটা عطف করা। যেমনঃ- ألف و مائة و ثلاثون رجلا (এগারো শত ত্রিশজন পুরুষ)।


?المصادر و المراجع?


جامع الدروس العربية ج١ ص ١٦-١٨

النحو و الصرف و الإعراب ص ٤٤٣-٤٤٧

النحو الوافي ج٤ ص ٥١٧- ٥٧٩

هداية النحو ص ٧٥

كافية ص ٧٨-٨١

মন্তব্য করুন