Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

জেমস ওয়াট :বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারক
আজ আমাদের বিশ্ব এতো দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে যার বিশেষ আবিষ্কারের ফলে তার নাম জেমস ওয়াট। তিনিই প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করে সাড়া পৃথিবীতে অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটা আলোড়ন তুলে ফেলেন।
যার ফলে আজ সাড়া বিশ্বে পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রেন চলছে, শীপ চলছে, গাড়ি চলছে এমনকি ইন্ডাস্ট্রি গুলো দিবারাত্রি অব্যাহত গতিতে উৎপাদন করে চলছে।
জেমস ওয়াট ১৭৩৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি স্কটল্যান্ডে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি ১৭৬৯ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের নির্মাতারূপে তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
এর কিছুদিনের মধ্যেই বাষ্পীয় শক্তিচালিত ইঞ্জিন নিয়ে তাঁর ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্র সৃষ্টিকর্তা হিসেবে কাজ করার সময়, ওয়াট বাষ্প ইঞ্জিনের প্রযুক্তিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
ভাবনার একপর্যায়ে তিনি উপলব্ধি করেন যে সমকালীন ইঞ্জিন ডিজাইন বারবার শীতল এবং সিলিন্ডার উত্তপ্ত দ্বারা শক্তির একটি বিরাট অংশ নষ্ট করছে।
ওয়াট একটি নকশা বর্ধিতকরণ চালু করেন যা শক্তির এই অপচয় এড়ানো,আমূল ক্ষমতা, দক্ষতা, এবং বাষ্প ইঞ্জিনের খরচ কার্যকারিতা উন্নত করে. অবশেষে তিনি তার ইঞ্জিন অভিযোজিত ঘূর্ণনশীল গতি উত্পাদন, ব্যাপকভাবে পাম্পিং জল এর ব্যবহার প্রসারিত করেন।
ওয়াট তার এই বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উদ্ভাবনের সাহায্যে তাঁর বাণিজ্যের বিকাশ ঘটানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বিশাল আর্থিক অসুবিধা সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত তিনি Boulton নতুন দৃঢ় ১৭৭৫ সালে ম্যাথু Boulton সঙ্গে একটি অংশীদারিত্ব প্রবেশ করেন।
ওয়াট অবশেষে তার এই প্রচেষ্টায় স্বীয় মেধা ও শ্রমের দ্বারা অত্যন্ত সফল ছিলেন। ওয়াট পর্যায়ক্রমে একজন ধনী মানুষ হয়ে ওঠেন।
তার অবসরে, ওয়াট নতুন উদ্ভাবনের বিকাশ অব্যাহত রাখলেও তার বাষ্পীয় ইঞ্জিনের কাজ যতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তেমন আর কোনও উদ্ভাবনই তেমন ছিল না। তিনি ৮৩ বছর বয়সে ১৮১৯ সালের ১৯ শে আগস্ট মারা যান.
জেমস ওয়াট তার গবেষণা ও প্রচেষ্টায় অশ্বশক্তি এর ধারণা বিকশিত করেন তারই ফলে ক্ষমতার এসআই ইউনিটকে নির্ধারণ করে "ওয়াট" নামকরণ করা হয়, তারই নাম থেকে।
জেমস ওয়াট ১৭৯৬ সালে একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮১৯ সালে ১৯শে আগস্ট জেমস ওয়াট মারা যান।
মন্তব্য করুন