সহকারী শিক্ষক
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
কারক ও বিভক্তি সকলের কাছেই একটি কঠিন বিষয়। কিন্তু চাইলেও এই টপিক টা বাদ দেয়া যায় না। শ্রেণীর পরিক্ষা বা চাকরির পরিক্ষা, যে পরিক্ষা হোক না কেন কারক ও বিভক্তি থেকে প্রশ্ন আসবেই। চলমান ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) এর সকল পরিক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিলো। এছাড়াও বিগত দিনের চাকরির পরিক্ষার প্রশ্ন দেখলে আপনারা এর গুরুত্ব খুব সহজেই বুৃঝতে পারবেন।
বাক্যের পদ গুলোর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য শব্দের শেষে যে অতিরিক্ত বর্ণ গুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোই বিভক্তি। উদাহরণ: অন্তু সাদিয়াকে ভালোবাসে না। এখানে সাদিয়া শব্দটির সাথে কে যুক্ত করা হয়েছে, এটাই বিভক্তি।
প্রথমা/শূণ্য বিভক্তি: অ, ০
দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে
তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক
চতুর্থী বিভক্তি: কে, রে
পঞ্চমী বিভক্তি: হইতে, থেকে, চেয়ে
ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর
সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে
বাক্যের মধ্যে থাকা ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক থাকে তাকে কারক বলা হয়। কারক ৬ প্রকার:
যে কাজ করে সে কর্তা বা কর্তৃকারক। যেমন: অন্তু পোস্ট লিখছে। এখানে অন্তু কর্তা বা কর্তৃকারক।
চেনার উপায়: ক্রিয়াপদ কে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই কর্তৃকারক।
বাক্যের কর্তা যে কাজ করে বা যাকে অশ্রয় করে কাজ করে সেটাই কর্মকারক। যেমন: অন্তু সাদিয়াকে ভালোবাসে। এখানে সাদিয়া কর্মকারক।
চেনার উপায়: ক্রিয়া পদকে কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটাই কর্ম কারক।
কাজ করার জন্য যে যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক ব্যবহার করা হয় তাকে করণ কারক বলে। যেমন: মোবাইল দিয়ে ফেসবুক চালাতো যায়। এখানে মোবাইল করণ কারক।
চেনার উপায়: ক্রিয়া পদকে দ্বারা, দিয়ে, বা কর্তক দিয়ে প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়।
যাকে নিঃস্বার্থ দান, অর্চনা বা সাহায্য করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়। যেমন: ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও, এখানে ভিক্ষুককে সম্প্রদান কারক। সৎপাত্রে কণ্যাদান করো, এখানে সৎপাত্রে সম্প্রদান কারক।
সম্প্রদান কারকে কে বা রে থাকলে তাহলে সব সময় চতুর্থী বিভক্তি হবে।
যা থেকে কোন কিছু বিচ্যুত, উৎপন্ন, বিরত, আরাম, ও দূরীভূত হয় এবং যা দেখে কেউ ভয় পায় সেটাই অপাদান কারক। যেমন: গাছ থেকে পাতা পড়ে, এখানে গাছ অপাদান কারক। খেজুর রসে গুড় হয়, এখানে খেজুর রসে অপাদান কারক।
কাজ করার সময় বা স্থান কে অধিকরণ কারক বলা হয়। যেমন: পুকুরে মাছ আছে, এখানে পুকুরে অধিকরন কারক। প্রভাতে সূর্য ওঠে, এখানে প্রভাতে অধিকরন কারক।
চেনার উপায়: ক্রিয়া পদকে কোথায়, কখন, কবে দ্বারা প্রশ্ন করলে অধিকরন কারক পাওয়া যায়।
কারক ও বিভক্তি চেনার সহজ উপায় পিডিএফ
এক নজরে কারক চেনার উপায়,

৫৩
৯২ মন্তব্য