Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ জুন, ২০২২ ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ

জেনে নিই সুস্থ এবং ফিট থাকার ৫ টি উপায় –-------------------------

সুস্থ এবং ফিট থাকার  উপায়

–সুস্থ জীবন যাপনের ইচ্ছা আমাদের সবার মনে অবশই থাকে। কিন্তু, আমাদের এই ব্যস্ততা ভরা জীবনে সেটা বজায় রাখাটা খুবই কঠিন হয়ে উঠেছে। আজকাল প্রায় প্রত্যেকেই সকাল থেকে বিকেল নিজেদের কাজ কর্মে ব্যস্ত হয়ে থাকেন। ফলে, এই ব্যস্ততা ভরা জীবনে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি ধ্যান বা নজর দেওয়াটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।


সুস্থ জীবন যাপন ধারণ করতে হলে, নিজের শরীরের প্রতি এখন থেকেই যত্ন নেওয়াটা শুরু করুন।

প্রতিদিন, নিজের কাম কাজের ব্যস্ততার মধ্যে কিছুটা সময় আপনারা যদি নিজের জন্য বের করতে পারেন এবং ভালো সাস্থের জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলেন, তাহলে একটি ফিট এবং সুস্থ জীবনের আরম্ভ অবশই করতে পারবেন।

১. সময় মতো ঘুমানো এবং সময় মতো ওঠা

আমাদের, প্রত্যেকদিন প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। সঠিক পরিমানের ঘুম শরীরের জন্য অনেক জরুরি। ভালো করে এবং সঠিক পরিমানের ঘুম নাহোলে, আমাদের কাজ কর্মে ব্যাঘাত আসে।

কারণ, চোখে ঘুম ঘুম ভাব থেকেযায় এবং যেকোনো কাজ করার জন্য মানসিক ভাবে সেই স্ফূর্তির অভাব দেখা যায়।

আজকাল, প্রায় প্রত্যেকেই রাতে ঘুমানোর সময় smartphone ব্যবহার করেন।

এবং, এই smartphone রাতে অনেক বেশি সময় ব্যবহার করার ফলে, সময় মতো আমরা ঘুমাইনা।

তাছাড়া, smartphone এর আলো অনেক বেশি সময় অন্ধকারে আমাদের চোখে পড়ার ফলে, আমাদের ঘুম, চোখ এবং ব্রেইনে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

এতে, ঘুমের অভাবের সৃষ্টি হয় এবং তার ফলে যথেষ্ট পরিমানের ঘুম নেয়াটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন এভাবে যথেষ্ট পরিমানে ঘুম না নেওয়ার ফলে, আমাদের শারীরিক এবং মানসিক ভাবে অনেক ধরণের সমস্যার দেখা দিতে পারে।

তাই, সুস্থ জীবন যাপনের উপায় হিসেবে, প্রথমেই আমি আপনাদের বলবো, নিয়মিত ভাবে প্রয়োজনীয় পরিমানে ঘুমানোর বিষয়টা নিয়ে ভাবুন। 

প্রত্যেক রাতে খাবার গ্রহণ করার কিছু সময় পর প্রায় ১০ টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যেস করুন।

এবং, প্রত্যেক সকাল ৬ থেকে ৭ ভেতরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যেস।

এই অভ্যেস করার পর, আপনি নিজের মধ্যে এক অনেক অসাধারণ পরিবর্তনের অনুভব করবেন এবং সারা জীবন সুস্থ থাকার জন্য এই অনুভব অনেক জরুরি।

২. Fast food এবং তৈলাক্ত খাবার কম গ্রহণ করুন

Fast food এবং তৈলাক্ত খাবার যারা অধিক পরিমানে খায়, তাদের জন্য এই ধরণের খাবার অনেক ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

তাই, এই ধরণের বাজারের তৈলাক্ত ও বাঁশি খাবার যারা বেশি পরিমানে খান, তারা একটু নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হয়ে উঠুন এবং এই ধরণের fast food আহার যতটা সম্ভব এড়ানোর চেষ্টা করুন।

যতটা সম্ভব ঘরে বানানো খাবার গ্রহণ করুন।

কারণ, fast food গুলি তৈরি করার জন্য যেই তেল (oil) ব্যবহার করা হয়, সেগুলি ভালো মানের থাকেনা।

তাছাড়া, অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো তেল বা আগে ব্যবহার করা তেল আবার ব্যবহার করে খাবার বানানোর সম্ভাবনা প্রচুর দেখা গেছে।

তাই, এই ধরণের পুরোনো এবং খারাপ মানের তেল ও মসলা (spices) দিয়ে তৈরি করা খাবার দীর্ঘদিন (regular) গ্রহণ করার ফলে, পেটের অনেক ধরণের সমস্যার দেখা দিতে পারে।

৩. পর্যাপ্ত পরিমানে জল পান করা

জল, আমাদের শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।

একজন ব্যক্তি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য সারাদিনে ২ থেকে ৩ লিটার এর ভেতরে জল (water) পান করা অবশই উচিত।

প্রত্যেকদিন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল পান করাটা, আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষেত্রে উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

৪. খারাপ অভ্যেস থেকে বিরত থাকা

আমরা দৈনন্দিন জীবনে কখনো না চাইতে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছে হিসেবে অনেক ধরণের খারাপ অভ্যেসে লিপ্ত হয়ে থাকি।

যেমন, ধূম্ৰপান (smoking), মদ্যপান (drinking), সাদা এবং পান মসলা ও গুটখা গ্রহণ করা।

৫. ব্যায়াম (physical exercise)

শারীরিক ভাবে ফিট এবং সুস্থ থাকার উপায় গুলির মধ্যে, সব থেকে জরুরি হলো “প্রত্যেক দিন কিছু সময় ব্যায়াম করাটা”.

ব্যায়ামের লাভ প্রচুর এবং যদি আপনি এর অভ্যেস করতে পারেন, তাহলে অনেক ধরণের শারীরিক সমস্যার থেকে দূরে বা বেঁচে থাকতে পারবেন।

তাই আমি প্রত্যেককেই বলবো, নিজের স্বাস্থ ভালো রাখতে হলে প্রত্যেকদিন কিছু সময় অল্প ব্যায়াম এবং প্রনয়ম অবশই করা শুরু করুন।

হে, হতে পারে আপনি অফিসে কাজ করেন বা আপনার কোনো ব্যবসা রয়েছে এবং আপনার কাছে একেবারেই সময় নেই।

এই ক্ষেত্রে, কাজ করে এসে বিকেলে কেবল ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য হলেও কিছু সাধারণ ব্যায়াম এবং প্রাণায়াম অবশই করুন।

দীর্ঘদিন নিয়মিত ভাবে physical exercise করার ফলে আপনি নিজের মধ্যে অনেক ভালো বা ধনাত্মক (positive) পরিবর্তনের অনুভব করবেন।সুস্থ এবং ফিট থাকার ৭ টি উপায় –৩. পর্যাপ্ত পরিমানে জল পান করা

জল, আমাদের শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।


একজন ব্যক্তি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য সারাদিনে ২ থেকে ৩ লিটার এর ভেতরে জল (water) পান করা অবশই উচিত।


প্রত্যেকদিন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল পান করাটা, আমাদের শরীরের জন্য অনেক ক্ষেত্রে উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

মন্তব্য করুন