তেলাকুচা Cucurbitaceae পরিবারের একপ্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ।তেলাকুচো, কুন্দ্রি শাক এর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে পরিচিত।

তেলাকুচা বাড়ির চারপাশে,রাস্তার পাশে, বন-জঙ্গলে জন্মায়।তেলাকুচা লতানো বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।এই গাছের গাঢ় সবুজ আর এর ফল পাকলে লাল রঙের হয়।

১০০গ্রাম তেলাকুচায় পুষ্টিগুণ:-

১.২ গ্রাম প্রোটিন
১.৬ গ্রাম আঁশ
১.৪ মিলি গ্রাম আয়রন
৪০ মিলি গ্রাম ক্যালশিয়াম

এছাড়াও ভিটামিন,মিনারেল, বিটা-ক্যারোটিন আছে।  
তেলাকুচার পুষ্টিগুণ,উপকারিতা ও  অপকারিতা।


তেলাকুচার উপকারিতা:-

১:যেসব ব্যক্তিদের ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে তারা তেলাকুচা পাতা ও ডাটা রান্না করে খেতে পারেন, ডায়াবেটিস রোগীদের বেশ উপকার হয়।

২:যাদের জন্ডিস হয়েছে তারা তেলাকুচা গাছের মূল বেটে তার রস বের করে নিয়মিত সকালে খাবেন,এতে বেশ উপকার পাবেন।


৩:অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে অনেকেরই পা ফুলে যায় এতে তেলাকুচা গাছের মূল ও পাতা বেটে তার রস ২-৩চামচ খেতে পারেন, এতে বেশ উপশম পাবেন।

৪:ফোঁড়া ও ব্রণতে তেলাকুচা পাতা বেটে লাগালে বেশ উপকার পাবেন।

৫:সর্দি বা কাশির ফলে অনেক সময় নিশ্বাস নিতে সমস্যা হয়,তখন যদি তেলাকুচার মূল ও পাতা বেটে উষ্ণ গরম করে নিয়মিত ৩-৪ চামচ খেলে এই সমস্যা দূর হবে।

৬:অনেকেরই বার বার আমাশয় হয় তারা তেলাকুচার মূল ও পাতা বেটে তার রস ৭দিন ২-৪চামচ খেলে বেশ উপকার পাবেন।

৮:তেলাকুচা কিডনিতে পাথর জমতে দেয় না।

৯:গ্যাসট্রিক ও আলসারের মত সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

১০:হজম প্রক্রিয়াকে সঠিক রাখে।


তেলাকুচা রান্না করে,তেলাকুচা পাতা চূর্ণ,তেলাকুচার শিকড় চূর্ণ করে খেতে পারেন।এই সব খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই খাবেন।
 
তেলাকুচার অপকারিতা:-

১:শরীরে কোন রকমে সমস্যা থাকলে বা যদি কোন রকমের ঔষধ খান তাহলে তেলাকুচা খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই খাবেন।

২:তেলাকুচা খেয়ে কারো যদি কোন রকমের সমস্যা হয় তাহলে এটি খাবেন না।

অবশ্যই এটি খাওয়ার সময় ভাল করে ধুয়ে খাবেন আর অতিরিক্ত পরিমাণ তেলাকুচা খাবেন না।