Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

কনজাংটিভাইটিসের(চোখ ওঠা) রোগ প্রতি রোধে শিক্ষকের ভূমিকা।

বিদ্যালয় স্টুডেন্ট বহুল স্থান। শিক্ষকদের সচেতনতা রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে পারে স্টুডেন্ট।  কনজাংটিভাইটিসের(চোখ ওঠা) সিজন এখন। চারদিকে প্রচুর লোকজন আক্রান্ত এই রোগে।  এটি অতিমাত্রায় ছোঁয়াচে। শিশুরা বেশ ঝুকিতে।

চোখ ওঠা রোগে শিক্ষক কী করবেন?

চোখের সাদা অংশটি লালচে হলে, চোখ দিয়ে পানি পড়লে, প্রদাহ হলে তাকে চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস বলে।

চোখ ওঠার লক্ষণ ও উপসর্গ
১. চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া;
২. চোখের পাতা ফুলে যাওয়া;
৩. চোখ দিয়ে পানি পড়া;
৪. চোখে জ্বালাপোড়া করা, খচখচ করা;
৫. ঘুম হতে ওঠার পর চোখের দুই পাতা একসঙ্গে লেগে থাকা;

কীভাবে চোখ উঠার জীবাণু ছড়ায়
১. চোখ ওঠা খুবই ছোঁয়াচে রোগ। সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এটি হয়। অপরিষ্কার হাত, আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শে, আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, গামছা ব্যবহারে চোখ উঠতে পারে।
২. অ্যালার্জি ধুলাবালির মাধ্যমে;

চিকিৎসা :-
যেসব কারণে চোখ ওঠে, সেসব বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
১. হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চোখের পাতাগুলো খোলা রাখতে হবে।
২. চোখে কালো চশমা পরতে পারেন।
৩. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খান।


কখন চিকিৎসকের কাছে পাঠবেন :-
১. যখন আপনার চোখ থেকে ঘন হলুদ কিংবা সবুজাভ হলুদ রঙের ময়লা পদার্থ বের হয়;
২. চোখ ব্যথা থাকলে;
৩. চোখে ঝাপসা দেখতে পেলে  অথবা দেখতে সমস্যা হলে;

৪. চোখের  সাদা অংশ ফুলে উঠলে কিংবা লাল হয়ে গেলে।

যা করতে নিষেধ করবেন  :-
১. কোনো  চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া চোখের ড্রপ ও ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

প্রতিকার :-
১. চোখ ওঠা খুবই ছোঁয়াচে রোগ। পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবাই কাপড়, তোয়ালে ও অন্যান্য জিনিস আলাদা ব্যবহার করুন।
২. চোখে হাত দেবেন না;
৩. ঘন ঘন  সাবান দিয়ে হাত ভালোমতো পরিষ্কার করুন;
৪. যেসব জিনিসে অ্যালার্জিক তা থেকে  দূরে থাকুন;
৫. সাথে জ্বর সর্দি কাশি থাকলে তার চিকিৎসা নিন।
৬. আক্রান্ত হলে ঘরে বিশ্রাম নিন।

ভাইরাস দ্বারা আশপাশে অনেককেই আক্রান্ত করে বা করতে পারে।

আর আক্রান্ত যারা যাচ্ছেন তারা সবসময় চোখে সানগ্লাস ব্যাবহার করুন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, টিস্যু/রুমাল রাখুন।বিনা প্রয়োজনে চোখে হাত দেয়া থেকে বিরত থাকুন। কনজাংটিভাইটিস কিন্তু অতিমাত্রায় ছোয়াছে।  হাত সবসময় পরিষ্কার রাখুন। আর আপনার ব্যাবহৃত রুমাল/টিস্যু যেখানে সেখানে ফেলা থেকে বিরত রাখুন।

আক্রান্ত শিশুকে বিদ্যালয়ে আসা থেকে বিরত রাখতে হবে।

সবাই সাবধানে থাকার চেষ্টা করুন।









মন্তব্য করুন

ব্লগ