Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৭:৫৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ১০টি ঝর্ণার, বাকি ৫টির সম্পর্কে জেনে নিন।

বাকলাই ঝর্ণা (Baklai)।
অভিযাত্রীদের মতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ঝর্ণার নাম বাকলাই। ঝর্ণাটির উচ্চতা প্রায় ৩৮০ ফুট। বান্দরবনের থানচি উপজেলার বাকলাই গ্রামে অবস্থিত এই ঝর্ণায় যাবার পথ বেশ দুর্গম। ফলে বান্দরবান শহর থেকে ঝর্ণা দেখে ফিরে আসতে ৪-৫ দিন সময় লেগে যায়। তাই পাহাড়ের দুর্গম পথে ভ্রমণের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া বাকলাই ঝর্ণায় যাওয়া মোটেও উচিত নয়।

জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai)।
বান্দরবন জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত জাদিপাই ঝর্ণা বাংলাদেশের প্রশস্ততম ঝর্ণার মধ্যে অন্যতম। আর বর্ষাকালে এই জলপ্রপাতের পানি প্রবাহের পরিমাণ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায় তখন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণকারীরা জাদিপাই ঝর্ণার রূপ দেখতে আসেন। কেওক্রাডং থেকে প্রায় ২৫০০ ফুট নীচে জাদীপাই ঝর্ণার অবস্থান হওয়া সেখান থেকে পায়ে হেঁটে ঝর্ণায় যেতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লাগে।

খৈয়াছড়া ঝর্ণা (Khoiyachora)।

সীতাকুণ্ডের মিরসরাইয়ে অবস্থিত খৈয়াছড়া ঝর্ণা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণাগুলোর একটি। ঝর্ণার নয়টি ধাপের নান্দনিক সৌন্দর্য্য দেখে ভ্রমণপিয়াসী মানুষ মুগ্ধ হয়। গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা মেঠো পথ আর পাহাড়ের হাতছানিতে অনন্য খৈয়াছড়ার আবেদন উপেক্ষা করা কঠিন বলেই প্রকৃতিপ্রেমীরা খৈয়াছড়া ঝর্ণাকে বাংলাদেশের ঝর্ণা রানী হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন।

দামতুয়া জলপ্রপাত (Damtua)।
দামতুয়া ঝর্ণার হতে কয়েকশ গজ উপরে দামতুয়া জলপ্রপাতে অবস্থান। আর দামতুয়া জলপ্রপাতের ধাপগুলো যেন প্রকৃতির হাতে গড়া একেকটি অপূর্ব স্থাপত্য নিদর্শন। দামতুয়া জলপ্রপাত দেখতে হলে বান্দরবানের আলীকদম বাসস্ট্যান্ড থেকে থানচির নতুন রাস্তা ধরে প্রায় ১৭ কিলোমিটার এগিয়ে গাইডের সাহায্যে পাহাড়ি বনের আরো গভীরে যেতে হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু থানচি রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় চারপাশের অদ্ভুত সুন্দর পাহাড়ি দৃশ্য কল্পনাকে হার মানায়।

হামহাম জলপ্রপাত (Humhum)।
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি বনাঞ্চলের গভীরে একদল পর্যটক গাইড শ্যামল দেববর্মাকে সাথে হাম হাম জলপ্রপাত আবিষ্কার করেন। ২০১০ সাল প্রকাশিত ঝর্ণাটি স্থানীয়দের কাছে চিতা ঝর্ণা হিসাবে পরিচিত। প্রায় ১৪০ ফিট উচ্চতা হতে নেমে আসা ঝর্ণার বুনো সৌন্দর্য দেখার আশায় প্রতি বর্ষায় সমগ্র সারাদেশ থেকে ভ্রমনকারীরা হামহামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

উপরে উল্লেখিত ঝর্ণাগুলো এছাড়াও সহস্রধারা ঝর্ণা, ঝরঝরি ঝর্ণা, নাপিত্তছড়া, লাংলুক ঝর্ণা, ত্লাবং ঝর্ণা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

মন্তব্য করুন