Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ অক্টোবর, ২০২২ ০২:১৮ অপরাহ্ণ

আয়াতুল কুরসীর ফজিলত, আয়াতুল কুরসী হচ্ছে কুরআন শরীফের সূরা আল বাকারা ২৫৫ তম আয়াত।

আয়াতুল কুরসী হচ্ছে কুরআন শরীফের সূরা আল বাকারা ২৫৫ তম আয়াত। এবং এটি হচ্ছে কুরআন শরীফের শ্রেষ্ঠতম আয়াত । এই আয়াত সমূহের মধ্যে মহান আল্লাহ্‌ তালার এমন কিছু পূর্ণাঙ্গ পরিচিতি পেশ করা হয়েছে যার মতো আর পুরো কুরআন শরীফ এ নেই ।


যার জন্য হাদিস শরীফ আয়াতুল কুরসী ( Ayatul Kursi Bangla ) কে কুরআন শরীফের শ্রেষ্ঠ আয়াত বলে অভিহিত করেছে। আর এই জন্য আমরা প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি বেশি বার পাঠ করে থাকি।


আয়াতুল কুরসী পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহ্‌ আমাদের অনেক অনেক ফজিলত লাভ করার সুযোগ করে দিয়েছেন।

আল্লাহ তা-আলা মহাগ্রন্থ আল কুরআনে এমন এমন অনেক আয়াত মানবজাতির জন্য বিশেষত্ব দিয়েছেন যা আমল করে অনেক ফজিলত লাভ করা সম্ভব। আর সেই সব গুলো আয়াতের মধ্যে আয়াতুল কুরছি শ্রেষ্ঠতম।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন ফরজ নামাজ পড়ার পর আয়াতুল কুরছি পাঠ করবে তার মৃত্যুর সময় সহজভাবে জান কবজ করা হবে।


অন্য আরেক বর্ণনায় পাওয়া যায় যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতে যেতে আর কোনো বাধাই থাকবে না কেবলমাত্র মৃত্যু ছাড়া অর্থাৎ মৃত্যু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর জান্নাতের শান্তি উপভোগ করতে পারবে(সুবহানাল্লাহ)।


আরে থেকে বোঝা যায় আল্লাহ তাআলা কত মহান আল্লাহ তার বান্দাদের জন্য নানারকম সুযোগ দিয়েছেন যেন তার বান্দা আল্লাহ তা-আলার ইবাদতে মশগুল থেকে খুব সহজভাবে জান্নাত লাভ করতে পারে।


আল্লাহ তালা দুনিয়াতে যে এই আয়াতের এতো ফজিলত দিয়েছেন যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী পাঠ করে গুমায় তাহলে আল্লাহ তা-আলা তার মাথার কাছে এমন একজন ফেরেস্তা পাহারা দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করে দেন যে ফেরেস্তা সারা রাত তাকে পাহারা দেয় এবং সকল রকম অনিষ্ট থেকে তাকে হেফাজত করে।


আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে আল্লাহ্‌ জ্বিন শয়তান এবং সকল রকম অনিষ্ট হতে রক্ষা করেঃ

হাদিসে পাওয়া যায় যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসী প্রতিদিন সন্ধায় পড়বে সে সকাল পযন্ত জ্বিন এবং শয়তান থেকে হেফাজতে থাকবে। আবার যে যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসী প্রতিদিন সকালে পড়বে সে সন্ধা পযন্ত জ্বিন এবং শয়তান থেকে হেফাজতে থাকবে।


এই সময়ের মধ্যে খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে জ্বিন এবং শয়তান তার কোন অনিষ্ট করতে পারে না। এবং হযরত মুহাম্মাদ (স.) বলছেন আয়াতুল কুরসী পাঠকরে মাল- সম্পদ ফুক দিয়ে ঘুমায় তাহলে তার ওই সম্পদের কোন ক্ষতি হয় না। চোর সেই সম্পদ চুরি করতে পারে না।


এছাড়াও এই আয়াতুল কুরসী যে ব্যক্তি সব সময় পাঠ করবে আল্লাহ তা-আলা তার জন্য আটটি জান্নাতের সব গুলো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সুযোগ দিবেন।(আলহামদুলিল্লাহ)


আর তাই আমাদের সকলের উচিত বেশি বেশি আয়াতুল কুরসী পড়া।আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া যেন আল্লাহ্‌ তা-আলা আমাদের সকল গুনাহ মাপ করেন।

মন্তব্য করুন