Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ নভেম্বর, ২০২২ ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

ভালো পড়াশোনা করার নিয়ম ও কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায়!

আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছ আজকে কি পোস্টে আমি  তোমাদের সাথে ভালো পড়াশোনা করার নিয়ম ও কিভাবে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট করা যায় সেই নিয়ে আলোচনা করব। সবার প্রথম লেখাটির শুরু করার পূর্বে একটা লাইন বলতে চাই সেটা হচ্ছে নিয়মিত না পড়লে কেউই ভালো রেজাল্ট করতে পারে না তাই অবশ্যই পড়ালেখা ভালো করতে হলে তোমাকে নিয়মিত পড়তে হবে।

প্রত্যেকটা ভালো ছাত্র ছাত্রীর একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য থাকে খারাপ ছাত্র ছাত্রী থেকে সেটা হলো নিয়মিত এবং অনিয়মিত। তুমি হয়তো খেয়াল করলে দেখে থাকবে যে তোমার ক্লাসের যে ভালো ছাত্র বা ছাত্রী তারা অবশ্যই নিয়মিত এবং মনোযোগী। আর অন্যদিকে যারা খারাপ ছাত্র বা ছাত্রী রয়েছে তারা অনিয়মিত একদিন স্কুলে গেলে অন্য দিনে যায়না এরকম টাইপের হয়ে থাকে। তাই তোমাদেরকে  আজকে যে উপদেশ গুলো দিবসে উপদেশগুলো মেনে যদি তোমরা চলো তাহলে অবশ্যই ভালো পড়াশোনা করা এবং ভালো ফলাফল বয়ে আনা কোন সমস্যাই হবে না।

রুটিনমাফিক পড়ালেখা করা

 তুমি যদি একজন ভাল স্টুডেন্ট হতে চাও তাহলে আজকে থেকে তোমাকে একটি পড়ার রুটিন তৈরি করে নিতে হবে। কারণ একজন ভালো ছাত্র ছাত্রীর প্রথম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সে রুটিন মাফিক পড়ালেখা করবে। যদি তুমি একটি রুটিন তৈরি করতে পারো এবং সি রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারো তাহলে অবশ্যই তোমার পড়ালেখা আগের তুলনায় অনেক ভালো হয়ে যাবে।  তুমি যদি একটি পড়ার রুটিন তৈরি করো তাহলে প্রতিদিন পড়ার সময় তোমার সাবজেক্টগুলো বিষয়গুলো সময় অনুযায়ী পড়তে পারবে।

 অনেক সময় দেখা যায় রুটিন তৈরি না করার কারণে পড়তে বসলে যে কোন একটি বিষয় নিয়ে আমরা পড়ি এবং সেটা পড়ার পরে আর অন্য বিষয়গুলো পড়তে ভালো লাগে না দেখা যায় দিনের পর দিন একটা সময় পরীক্ষা টাইম চলে আসে এবং সেই সাবজেক্টেই আমাদের পরীক্ষাতে খারাপ ফল বয়ে আনে। তাই তুমি যদি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে চায় তাহলে আজকে থেকে তোমাকে রুটিন তৈরি করে নিতে হবে।

 প্রচুর পরিমাণে নোট তৈরি করা

 ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হলো তারা অধ্যায়ভিত্তিক নোট তৈরি করে। অর্থাৎ কোন একটা অধ্যায় যদি তুমি পড়ো সেই অধ্যায়ের  গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন গুলো নোট করে রাখতে পারো। দেখা যাবে পরীক্ষার সময় সে নোট দেখে তুমি খুব দ্রুত সে অধ্যায়টা রিভাইস দিয়ে ফেলতে পারবে। তাই অধ্যায়ভিত্তিক নোট করতে শিখো এতেও তোমার  আগের থেকে ভালো ফল বয়ে আনতে সাহায্য করবে।

 নিয়মিত পড়ালেখা করা

 তোমাকে পরীক্ষায় ভালো করতে হলে অবশ্যই নিয়মিত পড়ালেখা করতে হবে তা না হলে তুমি কখনো পরীক্ষা তে ভালো রেজাল্ট করতে পারবে না। কারণ তুমি যদি নিয়মিত পড়াশোনা না করে সে ক্ষেত্রে পরীক্ষার পূর্বে তোমার পড়া গুলো শেষ করতে পারবে না যার জন্য পরীক্ষাতে খারাপ ফল চলে আসবে।

 বেশিরভাগ  ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেখা যায় যে সারা বছর পড়ালেখা করে না কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন রাতে অনেক বেশি পড়ালেখা করে যার ফলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন রকমের সমস্যায় পড়ে যেমন পরীক্ষায় হলে কম ঘুমের কারণে বমি বমি ভাব হওয়া,  মাথা ব্যথা , কষ্ট করে পড়ে কি মনে না থাকা ইত্যাদির মতো সমস্যায় পড়তে হয়।

তাই নিয়মিত পড়ালেখা করলে পরীক্ষার আগের দিন রাতে কম ঘুমের প্রয়োজন হবে না তুমি ঘুমিও পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে পারবে।

 নিয়মিত মনোযোগ সহকারে ক্লাস করা।

 ভালো ছাত্র ছাত্রীদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো তারা সব সময় নিয়মিত ক্লাস করবে এবং স্যারদের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠবে। দেখবে যদি ক্লাসে কোন একজন স্যার তোমাকে প্রশংসা করে তাহলে তোমার কতই না ভাল লাগে। তাই চেষ্টা করবে বেশি করে স্যারদের পছন্দের পাত্র হয়ে ওঠা আর পছন্দের পাত্রকে ওঠার একটাই কৌশল সেটা হল বিদ্যালয়ের পড়া শিখে যাওয়া এবং সেই পড়াটা ছাদের কাছে সঠিক ভাবে বলতে পারা।

 অনেক সময় দেখা যায় বিদ্যালয় কেউ যখন শিক্ষকরা ক্লাস করতে আসে কোন কিছু ছাত্র-ছাত্রী একেবারে অমনোযোগী থাকে। তাই তুমি যদি ভাল ছাত্র বা ছাত্রী হতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে প্রত্যেকটা ক্লাস মনোযোগ সহকারে করতে হবে এবং চেষ্টা করবে সব সময় সামনের  বেঞ্চ গুলোতে বসার জন্য  যাতে শিক্ষকদের লেকচার ভালো করে শুনতে পারো।


সংগৃহীত 


মন্তব্য করুন

ব্লগ