Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৫ নভেম্বর, ২০২২ ০৭:৩০ অপরাহ্ণ

দরুদ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত (হে মুমিনরা, তোমরাও নবির ওপর দরুদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।)

                          দরুদ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত

মহান আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ নবির প্রশংসা করেন এবং তাঁর ফেরেশতারা নবির জন্য দোয়া করে। হে মুমিনরা, তোমরাও নবির ওপর দরুদ পাঠ কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও। (আহজাব-৫৬)।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলে আকরাম (সা.) বলেছেন, তোমরা আমার ওপর  দরুদ পড়; কারণ যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার সালাত তথা দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাকে ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন। মুসলিম-১/৩০৬।

হাদিস শরিফে এসেছে, হজরত কা’ব ইবনু আজুরা (রা.) বলেন, যখন উপরোক্ত আয়াতটি নাজিল হলো, তখন সাহাবিরা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কীভাবে আপনারা ওপর দরুদ প্রেরণ করব? তখন তিনি তাদের দরুদে ইবরাহিম শিক্ষা দিলেন। 

আরেকটি হাদিসে হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসূলে আকরাম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার  দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাকে ১০ বার রহমত করবেন, তার ১০টি পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং তার মর্যাদা ১০টি স্তর বাড়িয়ে দেওয়া হবে।  দরুদ পাঠের পুরস্কারের আরেকটি দিক হলো আল্লাহর সম্মানিত ফেরেশতারা দরুদ পাঠকারীর জন্য দোয়া করেন।

হজরত আমির বিন রাবিয়া (রা.) বলেছেন, আমি রাসূলে আকরাম (সা.)কে খুতবায় বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি আমার ওপর  দরুদ পাঠ করবে, যতক্ষণ সে  দরুদ পাঠ করতে থাকবে, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকবে, অতএব, কোনো বান্দা চাইলে তা বেশি করুক অথবা কম করুক। 


মন্তব্য করুন