Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ ডিসেম্বর, ২০২২ ০১:৫৪ অপরাহ্ণ

***** অজান্তেই ঘুমের ওষুধে ক্ষতি ******

ঘুম আমাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ঘুম ঠিকমতো না হলে কোনো কাজেই যেন মনোযোগ দেওয়া যায় না। বর্তমান সময়ে কমবেশি সব বয়সীদেরই ঘুমের সমস্যা দেখা যায়। মানসিক চাপ, দৈনিন্দন ব্যস্ততা ইত্যাদি অনেক কারণেই ঘুম হয় না ঠিকঠাক, যার ফলে ক্লান্তি ঘিরে ধরে সহজেই। আর এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই অনেকে সমাধান হিসেবে বেছে নেন ঘুমের ওষুধ।

চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, ঘুমের জন্য ওষুধের ওপর নির্ভারতা শরীরে বিপদ ডেকে আনে। নিয়ম ছাড়া ঘুমের ওষুধ খেলে, তা কর্টিসল হরমোন ক্ষরণে সহায়তা করার পাশাপাশি মেজাজ খিটখিটে হওয়াসহ অনেক সমস্যার কারণ হতে পারে। এ ছাড়াও ঘুমের ওষুধের ওপর নির্ভর হয়ে পড়ার একটা অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়।

নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেলে শরীরে যে ক্ষতি হতে পারে

মানসিক অবসাদ : নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবনে মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। শরীরে প্রয়োজনের বেশি কর্টিসল (হরমোন) ক্ষরিত হয়। যা মানসিক অবসাদের জন্য দ্বায়ী।

আসক্তি : নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবনে তা আসক্তিতে পরিণত হয়। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনই ঘুমের ওষুধ সেবন করা যাবে না।

মেজাজ খিটখিটে : দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ সেবন করলে তা শরীরের সঙ্গে মেজাজ খিটখিটে করতে সাহায্য করে। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।

খাবারে অনীহা : নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবনের ফলে একসময় খাবারের অনীহা তৈরি হয়। এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।

হজমের সমস্যা : ঘুমের ওষুধ দীর্ঘদিন সেবনের কারণে খাবার হজম হতে সমস্যা হয়।

ওষুধে অভ্যস্ততা : অনেকেই আছেন যারা চিকিৎসকের পরামর্শের বাহিরেও দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। যা একটা সময়ে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। তখন ওষুধ ছাড়া একদমই ঘুম আসতে চায় না।

ঘুমের সমস্যায় কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন : কারও যদি সাত থেকে দশ দিন সঠিকভাবে ঘুম না হয়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ড. রেজাউন নবী, সহকারী সার্জন, সখিপুর, টাঙ্গাইল উপজেলা।

মন্তব্য করুন