Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ০৭:২৮ পূর্বাহ্ণ

মুখের লোমকূপের ছিদ্র ছোট রাখতে যা করবেন

ফাগুনের হাওয়া আসতে না আসতেই হালকা গরম হাওয়া বইতে শুরু করেছে চারদিকে। গরমের এ হাওয়ায় ত্বকের নানা সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এসব সমস্যার মধ্যে অন্যতম একটি সমস্যা হলো মুখের লোমকূপের ছিদ্র বা পোরগুলো বড় হয়ে যাওয়া।

আমাদের ত্বকের উপরিভাগে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। এ ছিদ্রগুলো ত্বকের শ্বাসপ্রশ্বাসে সাহায্য করে এবং আর্দ্রভাব ধরে রাখে। স্বাভাবিক অবস্থায় এগুলো এতই ছোট থাকে যে খালি চোখে তা দেখতে পাওয়া যায় না। অথচ অনেকেরই কপাল, নাক ও গালের মধ্যে লোমকূপের বড় গর্তগুলো দেখতে পাওয়া যায়। ত্বকে এসব পোর দেখা গেলে ত্বককে অনেক শিথিল ও বয়স্ক দেখায়।

সাধারণত হরমোনের সমস্যা থাকলে, অতিরিক্ত ধূমপান করলে বা বংশগত কারণেও ত্বকের লোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। ত্বক অপরিচ্ছন্ন রাখলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ত্বকের ছিদ্র বড় হলে তাতে ধুলোময়লা জমে। এর ফলে ত্বক সারাক্ষণ তৈলাক্ত থাকে। ত্বকে তখন পোরের পাশাপাশি ব্রণ, র‌্যাশের সমস্যাও বাড়ে। যেহেতু ত্বকের একটি সমস্যা অনেকটি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায় তাই লোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করাটা জরুরি। এ সমস্যা সমাধানের জন্য অনায়াসে অনুসরণ করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি। যেমন-

১) সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে বাজারের অ্যালোভেরা জেল নয়, বাড়ির গাছের রস লাগালে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি পোর বা ত্বকের ছিদ্রের আকারও ছোট করে দেয়।

২) সম পরিমাণে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আর পানি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি তুলোয় করে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। অপেক্ষা করুন ত্বকে শুকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত। এটি নিয়মিত টোনার হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বকের ছিদ্রগুলো ক্রমশ ছোট হতে শুরু করবে।

৩) ত্বকের ছিদ্রগুলো ছোট করতে ডিমের সাদা অংশ, ওটমিলের গুঁড়ো আর সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করে নিতে পারেন। এটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর ভালো ব্র্যান্ডের একটি ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এতে ত্বকের টানটান ভাব ফিরে আসবে।

৪) পরিমাণ মতো টক দইয়ের মধ্যে বেসন আর এক চিমটে হলুদ মিশিয়ে প্যাক হিসেবে লাগান। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কিছু দিনের মধ্যে ছিদ্র ছোট হয়ে যাবে এবং ত্বকের হারানো জেল্লাও ফিরে আসবে। ত্বক কোমল ও মসৃণ হবে।

৫) মুখের পোরগুলোকে খুব তাড়াতাড়ি ছোট করতে চাইলে এক টুকরো বরফ ঘষে নিতে পারেন। নিয়মিত এই অভ্যাসে আপনার ত্বকের পোরের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।

৬) ত্বকের পোরের সমস্যার ক্ষেত্রে কলার খোসাও দারুণ উপকারী। এই কলার খোসা আলতো হাতে মুখে ঘষুন। তারপর তা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বকের ধরন বুঝে লাগিয়ে নিন একটি ময়েশ্চারাইজার ক্রিম। নিয়মিত এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।


মন্তব্য করুন

ব্লগ