Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ ডিসেম্বর, ২০২২ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

শিশুর দাঁত।।শিশুর দা।।শিশুর দা।।শিশুর দাঁত

শুরু থেকেই শিশুর দাঁতের যত্ন নেওয়া জরুরি। এতে পরে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। শিশুর দাঁতের যত্ন নিয়ে লিখেছেন অ্যাডভান্স হাসপাতালের চিফ কনসালটেন্ট ও ডেন্টাল সার্জন ডা. সাদিয়া আফরোজ মৌরি

ছোট থেকেই সন্তানের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে মা-বাবার চিন্তার অন্ত থাকে না। এর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে, সন্তানের বিভিন্ন বয়সে দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা। প্রায়ই তাঁদের সন্তানের দাঁতের সমস্যা নিয়ে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হয়। শিশুর সুন্দর দাঁতের জন্য সন্তানধারণের পর থেকেই মাকে কিছু বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

গর্ভাবস্থায় করণীয়

মায়ের গর্ভাবস্থায়ই শিশুর দাঁতের কাঠামো তৈরি হয়। তাই এ সময় গর্ভবতী মায়ের বেশি করে পুষ্টিকর এবং ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এতে শিশুর দাঁতের গঠন ভালো হবে। এ ছাড়া শিশুর সুন্দর ও সুস্থ দাঁতের জন্য গর্ভাবস্থায় যেকোনো রকম ওষুধ সেবনে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। গর্ভবতী মাকে টেট্রাসাইক্লিন ওষুধ সেবন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

 

জন্মের পর থেকে ছয় মাস

নবজাতকের মুখে প্রথম দাঁত গজায় ছয় মাস বয়সে। এর আগে থেকেই মাড়ি ও মুখগহ্বরের কিছু যত্ন নিতে হবে। এতে শিশু মুখগহ্বরের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি নতুন দাঁত ওঠার সময় অস্বস্তি কম পোহাবে। শিশুর মুখে দাঁত জন্মের শুরু থেকেই পরিষ্কার পানিতে পরিষ্কার নরম কাপড় ভিজিয়ে দাঁত, মাড়ি ও মুখগহ্বর পরিষ্কার করে দিতে হবে। দাঁত ওঠার আগে শিশুদের মাড়িতে অস্বস্তির ভাব হয়। মাড়ি ফুলে যায়। কিছু কামড়াতে চায়। এ সময় নরম নন-টক্সিক ম্যাটেরিয়ালে তৈরি টিথার দেওয়া যেতে পারে। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে শিশুকে দিতে হবে। ঠাণ্ডা স্থানে কামড় বসালে শিশুর আরাম লাগবে। শিশুর এই সময় একটু খিটখিটে মেজাজ, জ্বর হওয়া স্বাভাবিক। এ সময় চিকিত্সকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করাতে হবে।

১ থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুর দাঁতের যত্ন

শিশুদের দু-তিন বছরের মধ্যে মোট ২০টি দাঁত উঠে যায়। শিশুর বয়স এক বছর থেকেই থুতু ফেলা, কুলি করা শেখানো শুরু করতে হবে। এ সময় একটি চালের দানার পরিমাণ টুথপেস্ট ভালো ও নরম ব্রাশে লাগিয়ে ব্রাশ করাতে হবে। দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সে টুথপেস্টের পরিমাণ বাড়িয়ে মটরদানার সমান টুথপেস্ট দেওয়া যেতে পারে। বাজারে বয়স অনুযায়ী টুথপেস্ট ও ব্রাশ পাওয়া যায়। শিশুর বয়স অনুযায়ী টুথপেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে।

অল্প বয়স থেকেই শিশুদের দুই বেলা দাঁত ব্রাশের অভ্যাস করাতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন ব্রাশ করার পর অন্য কোনো খাবার সে না খায়। সকালে খাবার খাওয়ার পর শিশুকে ব্রাশ করাতে হবে।

অবহেলায় যেসব ক্ষতি

ছোট থেকে শিশুর দাঁতের সঠিক পরিচর্যা না হলে দাঁতে ক্ষয়রোগ হতে পারে। বাচ্চাদের অনেক সময় একই সঙ্গে অনেক দাঁত ক্ষয়ে যেতে দেখা যায়। কালো হয়ে ভেঙে যায়। এই রোগ প্রতিরোধ করতে দাঁত ওঠার পর থেকেই নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। শিশুর দাঁতে যদি বাদামি বা কালো দাগ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত নিকটস্থ ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

৬ থেকে ১০ বছর

ছয় বছর বয়স থেকে শিশুদের দুধদাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত ওঠে। এ সময় মা-বাবাকে খেয়াল রাখতে হবে দাঁতগুলো নড়ছে কি না। বাচ্চাকে নিয়মিত দাঁত নাড়াতে বলতে হবে। দাঁত নড়া শুরু হলে ভালোভাবে নাড়িয়ে ফেলে দিতে হবে। বাসায় কোনোভাবে সম্ভব না হলে বা পেছনে বা পাশে স্থায়ী দাঁত উঠে গেলে ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে যেতে হবে। দাঁতে গর্ত থাকলে এ সময়ই চিকিত্সা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের আগে দাঁত ফেলা উচিত নয়।

এতে দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ৮-৯ বছর বয়সের বাচ্চাদের সামনের দুই দাঁতের মাঝে ফাঁকা থাকে। এটা স্বাভাবিক। সব স্থায়ী দাঁত উঠে গেলে ১২-১৩ বছর বয়সে তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঠিক হয়ে যায়।

১১ থেকে ১৫ বছর

এ সময়ের মধ্যে সব দুধদাঁত পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত উঠে যায়। দাঁত আঁকাবাঁকা থাকা বা ফাঁকা থাকা, তা এ সময়ে এসে অনেকটাই ঠিক হয়ে যায়।

কিছু ক্ষেত্রে শিশুর শারীরিক গঠন বা জেনেটিক কারণে দাঁত আঁকাবাঁকা বা হাড়ের গঠনের সমস্যা থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে অর্থোডেন্টিক চিকিত্সায় দাঁত ও চোয়ালের গঠন ঠিক করা সম্ভব। চিকিৎসায় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

তথ্যসুত্রঃ কালের কন্ঠ (১২/১২/২২)                                                         

মোঃ লুৎফর রহমান (এম. এ., এম. এড)

সহকারী শিক্ষক,

কুন্দারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।

ICT4E জেলা অ্যাম্বাসেডর এটুআই, দিনাজপুর

সেরা কনটেন্ট নির্মাতা, শিক্ষক বাতায়ন, এপ্রিল, ২০২২

MIE Expert (Fourth time) - 2019-20, 2020-21, 2021-2022, 2022-23

 ইংরেজী মাস্টার ট্রেনার (TMTE Project of British Council Under DPE)

বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষক ইংরেজী, চারু ও কারুকলা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়,

শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ২০২২ (উপজেলা পর্যায়) 

মেন্টর, ICT Olympiad বাংলাদেশ

Ambassador, Wakelet. 

ওয়েব ডিজাইনার,

গ্রাফিক্স ডিজাইনার,

ব্লগা্‌র,

ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েটর

এন্ড্রয়েড ডেভলোপার 

চ্যানেল লিঙ্ক

E-mail: [email protected]

প্রাথমিক শিক্ষার সকল আপডেট পেতে আমার সাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন ও বুকমার্ক করে রাখুন। লিঙ্কঃ

www.lutfor11.com

 

 

 

 

মন্তব্য করুন