সহকারী শিক্ষক
১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৯:১১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান করণ হচ্ছে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি। সতরাং বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ কমিয়ে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে পারি। এজন্য কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ন জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন- সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি ইত্যাদির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা বায়ুমন্ডলের কর্বন ডাইঅক্সাইড হ্রাশ করতে পারি। দৈনন্দিন জীবনে শক্তির ব্যবহার কমিয়েও আমরা কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন করতে পারি।এই সকল কর্মকান্ড দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাশ করতে সহায়তা করবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অতিযোজন
জলবায়ু পরিবর্তনের হার কমানোর জন্য মানুষ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে জলবায়ুর যে পরিবর্তন ইতোমধ্যে সাধিত হয়েছে তার সাথে আমাদের খাপ খাওয়াতে হবে। পরিবর্তিত জলবায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য গৃহীত কর্মসূচিই হলো 'জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজন'। অভিযোজনের উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি কমানো ও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে টিকে থাকার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ। যেমন-
- ঘরবাড়ি, মাদ্রাসা, কলকারখানা ইত্যাদি অবকাঠামোর উন্নয়ন। -বন্যা ও ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ।- উপকূলীয় বন সৃষ্টি। - লবণাক্ত পরিবেশে বাঁচতে পারে এমন ফসল উদ্ভাবন।- জীবন যাপনের ধরন পরিবর্তন করা। - জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কিত ধারণা সকলকে জানানো।
৫
৫ মন্তব্য