সহকারী শিক্ষক
২৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শীত আসতেই ত্বকের নানারকম পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় ত্বকে র্যাশ হওয়া, অ্যালার্জির সমস্যা বেড়ে যায়া থেকে হাত-পায়ের চামড়া ওঠার মতো সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায়। হাত-পায়ের চামড়া উঠলে দেখতেও খুব খারাপ লাগে। এ জন্য শুকিয়ে নিজে থেকে উঠে আসা চামড়া জোর করে তুলে ফেলেন অনেকেই যা একদম ঠিক না। এতে হাত বেশ খসখসে হয়ে যায়। শীতকালে মুখের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি হাত-পায়েরও যত্ন নেওয়া জরুরি। এই সমস্যার সমাধানে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি কাজে লাগালে সহজেই সমাধান পাওয়া যাবে।
জেনে নিন পদ্ধতিগুলো-
কাঁচা
দুধ ও গরম পানি : অর্ধেক
কাপ কাঁচা দুধ ও সম পরিমাণ গরম পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার তা তুলো দিয়ে
ভিজিয়ে ভালো করে হাতের চামড়া ওঠা অংশগুলোতে লাগিয়ে নিন। এতে ত্বক বেশ নরম থাকবে।
প্রতিদিন নিয়মিত করলে কিছুদিনেই ভালো ফল পাবেন।
গোলাপ জল, লেবুর রস ও কাঁচা দুধ : গোলাপ জল, লেবুর রস ও কাঁচা দুধ, এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার তা হাতের নির্দিষ্ট
অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর হাত ধুয়ে নিন। দিনের মধ্যে দুবার
এটি করলে সমস্যার সমাধান হবে তাড়াতাড়ি।
গুঁড়া দুধ, চিনি আর অলিভ অয়েল : গুঁড়া দুধ, চিনি আর অলিভ অয়েল একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার মিশ্রণটি হাতের চামড়া ওঠা জায়গাগুলোতে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট পর হাত ভালো করে ঘষে ঘষে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর সামান্য নারকেল তেল হাতে মেখে নিন। এভাবে লাগিয়ে রাখলে হাতের ত্বক বেশ নরম হবে। সপ্তাহে একদিন করে এই মিশ্রণ লাগালেই ফল পেয়ে যাবেন।
গোসলের আগে অলিভ অয়েল : গোসেলের আগে প্রতিদিন অলিভ অয়েল ভালো করে হাতে মালিশ করে নিতে হবে। এরমধ্যে রয়েছে বিভিন্ন উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অলিভ অয়েল না থাকলে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই তেল গোসলের পর নিয়মিত হাতে মালিশ করুন। কিছুদিনেই দূর হবে সমস্যা।
মাছ রান্না করার আগে নুন-হলুদ মাখিয়ে রাখা হয় কেন, কী হয় এর ফলে?
মাছের ঝোল
রান্নার আগে সবচেয়ে জরুরি কাজ হল মাছের টুকরোগুলি ভাল করে ধুয়ে তাতে নুন আর হলুদ মাখিয়ে
রাখা। প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই মাছ রান্নার আগে এই নিয়মটি মেনে চলা হয়। অনেকে আবার
যে দিন রান্না করবেন,
তার আগের দিন রাতে মাছে নুন-হলুদ মাখিয়ে ম্যারিনেট করে রেখে দেন।
তাতে নাকি রান্নার স্বাদ বাড়ে। রান্নার আগে মাছ, মাংস
ম্যারিনেট করা খুব সাধারণ একটি বিষয়। তবে শুধু যে এতে স্বাদের বদল ঘটে, তা নয়। এর আরও অনেক উপকার রয়েছে।
রান্নায় নুন, হলুদের ভূমিকা অপরিহার্য।
এই দু’টি ছাড়া রান্না অসম্পূর্ণ। অনেকেরই ধারণা, হলুদ
শুধু রান্নায় রং আনে। কিন্তু তা নয়, রান্নার স্বাদ বাড়ায়।
হলুদের গুণে সুস্বাদু হয় যে কোনও রান্না। হলুদের
স্বাস্থ্যগুণও
রয়েছে।
শারীরিক অনেক সমস্যার চটজলদি সমাধান করে হলুদ। বাড়ির রান্নাঘরে মা কিংবা বাড়ির
বড়রা যখন রান্না করেন,
তখন একটু লক্ষ করলে দেখা যাবে, মাছ ছাড়াও
বেগুন বা অন্য কোনও সব্জি ভাজার আগে নুনের সঙ্গে সামান্য হলুদ মাখিয়ে নিচ্ছেন।
হলুদ নাকি তেল কম শোষণ করে। আগে হলুদ মাখিয়ে রাখলে কম তেলে ভেজে নেওয়া যায়।
হলুদ যে কোনও কাঁচা খাবারই দীর্ঘ ক্ষণ সতেজ রাখতে সাহায্য করে। আগের রাতে মাছ কিনে এনেছেন। পরের দিন রান্না করবেন। মাছ নষ্ট হয়ে যাবে কি না, তা চিন্তা না করে বরং মাছে হলুদ মাখিয়ে রাখুন। তা হলে ফ্রিজের বাইরে রাখলেও নষ্ট হবে না। হলুদের গুণেই সতেজ থাকবে মাছ। কাঁচা কোনও খাবার সতেজ রাখতে নুনও দারুণ সাহায্য করে। নুন মাখিয়ে রাখলে যত দেরিতেই রান্না করুন না কেন, মাছ নষ্ট হবে না।
মাছে হলুদ মাখানোর আরও একটি কারণ রয়েছে। হলুদে আছে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। কাঁচা মাছে কোনও জীবাণু থাকলে হলুদের সংস্পর্শে এসে সেগুলি মারা যায়। নুনও সংক্রমণ প্রতিরোধী। যে কোনও ধরনের ব্যাক্টেরিয়া বা জীবাণু থেকে মাছ দূরে রাখতে নুনের ভূমিকা অনবদ্য। অনেকেই মাছ ফ্রিজে রাখেন। কৃত্রিম আবহাওয়ায় মাছে জন্ম নেওয়া কিছু জীবাণু সহজেই দূর করে নুন এবং হলুদ।
৭১
১৪৫ মন্তব্য