সহকারী শিক্ষক
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১১:০২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শরীর ভালো রাখতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। থকথকে গাঢ় বাদামি রঙের এই মিষ্টি পদার্থটির গুণ অপরিসীম। মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন, এনজাইম যা বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।
এ ছাড়াও প্রতি দিন এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি থেকে মিলবে দ্রুত মুক্তি। হজমের সমস্যা দূর করতে মধু খেলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। মধুর স্বাদ প্রাকৃতিক ভাবেই মিষ্টি। তাই এতে থাকা মিষ্টি উপাদান শরীরে শক্তি যোগায় ও শরীর কর্মক্ষম রাখে। শারীরিক দূর্বলতা দূর করে। এক কথায় মধু শরীরবান্ধব একটি প্রাকৃতিক উপাদান। গুণের পাশাপাশি মধুর রুপেও আছে বৈচিত্র। বিভিন্ন ধরনের মধু শরীরের নানান অসুস্থতা সামাল দেয়। এত গুণে ভরা মধু বছরের পর বছর রাখলেও নষ্ট হয় না।
কিন্তু কেন মধু নষ্ট হয় না তা হয়তো অনেকেরই অজানা। মধু নষ্ট না হওয়ার অন্যতম কারণ মধুতে থাকে অতি মাত্রায় সুগার বা চিনির উপাদান আর থাকে খুব অল্প মাত্রার পানির পরিমাণ। সেই কারণে মধু হলো হাইগ্রোস্কোকিপ, আর এ কারণে এটি কখনো শুকিয়ে যায় না। এবং এর সংস্পর্শে আসা কোনও মাইক্রোব এটিকে প্রভাবিত করতে পারে না।
মধুর অ্যাসিডিক প্রকৃতি এটির দীর্ঘ জীবনের অন্যতম কারণ। মধুতে অতি মাত্রায় গ্লুকোনিক অ্যাসিড থাকে, ব্যাকটেরিয়াল গ্রোথকে ইহা প্রতিহত করে। নেকটার তৈরির সময় এই গ্লুকোনিক অ্যাসিড ক্ষরিত হয়।
নেকটারে গ্লুকোস অস্কাইড নামক একটি বিশেষ ধরনের এনজাইমের ক্ষরণ করে মধু সংগ্রাহক মৌমাছি। মধুতে সেই কারণে হাইড্রোজেন পার অস্কাইড তৈরি হয়। মধুতে উপস্থিত এই উপাদানটি অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল হিসেবে কাজ করে।
তবুও মধুর শিশিতে একাধিক মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ করা থাকে, কারণ টাটকা মধু যেন খেতে পারে সাধারণ মানুষ।
৫৩
৯২ মন্তব্য