Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ০৬:২০ পূর্বাহ্ণ

●● আযানের জবাব দেবার নিয়ম এবং এর ফযীলতঃ

   ●●  আযানের জবাব দেবার নিয়ম এবং এর ফযীলতঃ


●● প্রশ্নঃ 

আযানের জবাব কিভাবে দিতে হয় এবং আযানের জবাব দিলে কি কোন প্রতিদান পাওয়া যাবে?


■■ উত্তরঃ 

         ক] আযানের জবাব কিভাবে দিতে হয়ঃ

মুয়াজ্জিন আযানে যা যা বলবে তার সাথে সাথে তাই বলতে হবে, শুধুমাত্র হাইয়্যা আ’লাস সালাহ ও হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ বললে জবাবে সেটা না বলে বলতে হবে “লা হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ”।

_______________

لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ

এটা হচ্ছে আযানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি। আযানের জবাব দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি সূন্নাহ।

_______________

■▪বিঃদ্রঃ ফযরের আযানে আস-সালাতু খায়রুম-মিনান-নাওম ও জামাতের ইকামাতের সময় ক্বাদকা মাতিস সালাহ – এই দুইটি বাক্যের জবাবে এইগুলোই বলতে হবে। অন্য কিছু বলতে এমন কোনো কিছু সহীহ হাদীসে নাই, তাই যা আছে তাই বলাটাই উত্তম।

_______________

■▪“আস-সালাতু খায়রুম-মিনান-নাওম” এর জবাবে “সাদাক্বতা ওয়া বারারতা” বলার কোনো ভিত্তি নেই! 

-----(মিরআ’ত ২/৩৬৩, হা/৬৬২)। তবে বললে কোন ক্ষতিও নেই!

_______________

■▪“ক্বাদকা মাতিস সালাহ” এর জবাবে “আক্বা-মাহাল্লা-হু ওয়া আদা-মাহা” বলা সম্পর্কে আবুদাউদে বর্ণিত হাদীছটি ‘যঈফ’।

-------আবু দাউদ হা/৫২৮, শায়খ আলবানী, ইরওয়াউল গালীল হা/২৪১। তবে এটা বললেও সমস্যা নেই!

_______________

          

              খ] আযানের জবাব দিলে কি কোন 

                  প্রতিদান পাওয়া যাবে?


রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ 

-------“যে ব্যক্তি খালেস অন্তরে আযানের জবাব দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়!" 

-----সহীহ মুসলিমঃ ৩৮৫।

_______________

●▪সুবহা’নাল্লাহ! শুধুমাত্র আযানের জবাব দিলেই জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়! আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহু আকবার!


●▪মাত্র ২-৩ মিনিটের মধ্যেই এতো সহজে করা যায় এমন একটা আমল হেলাফেলা করে বাদ দেওয়া ঠিক হবে না! আর এর জন্যতো আলাদা কোনো দু'আও মুখস্থ করা লাগছে না! শুধু মুয়াজ্জিনের সাথে সাথে অন্তরে বিশ্বাস এবং খেয়াল রেখে কথাগুলো বললেই হবে ইন শা আল্লাহ!

_______________

■▪আমরা চেষ্টা করলে আজকে থেকেই এই আমল করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি ইন শা’ আল্লাহ।।

মন্তব্য করুন