সহকারী শিক্ষক
২৬ মার্চ, ২০২৩ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ইতিহাসের আলোকেই জানা প্রয়োজন যে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পৃথিবীর মানচিত্রে একটি দেশের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়, সেই দেশটির নাম বাংলাদেশ। এ স্বাধীনতা দিবসের আনন্দোজ্জ্বল মুহূর্তের মধ্যে প্রথমেই যে কথাটি মনে পড়ে, তা হলো - এই দেশের অসংখ্য ‘দেশপ্রেমিক শহীদের আত্মদান’। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার সমস্ত মানুষ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের গ্লানি থেকেই মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছিল। লাখ লাখ শহীদের রক্তে রাঙানো স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছে। তাই এ দেশের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবস সবচেয়ে গৌরবময় ও পবিত্রতম দিন। সুতরাং ২৬ মার্চ, আমাদের ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’।
১৯৭২ সাল থেকেই এ দেশে স্বাধীনতা দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের একটি বিশেষ দিন। এ দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মূল্যায়ন করে চিত্রশিল্পে, সাহিত্যে, চলচ্চিত্রে, কবিতায়, নিবন্ধ বা গণমাধ্যমসহ নানা মাধ্যমেই যেন গুরুত্বের সাথে ফুটিয়ে তুলেছে। এমন দিন উপলক্ষেই বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারেও স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজের নানা আয়োজন হয়। তা ছাড়াও দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজসহ আলোচনা অনুষ্ঠান, মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দেশের প্রধান সড়কগুলো জাতীয় পতাকা দিয়েও সাজিয়ে থাকে। এই দিনে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয়া স্বাধীন-সার্বভৌম এদেশ আজ গর্বের দেশ। বলতেই হয়, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার পথে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করার এ গৌরবময় দিনটিই যেন বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবেই সমাদৃত।
৫
৫ মন্তব্য