Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ মার্চ, ২০২৩ ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

# আকন্দ পাতার যতসব ঔষধি গুণাগুণ

আকন্দ এক প্রকারের ঔষধি গাছ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Calotropis gigantea (C. procera)। গাছটির বিষাক্ত অংশ হলো পাতা ও গাছের কষ। কষ ভীষণ রেচক, গর্ভপাতক, শিশু হন্তারক, পাতা মানুষ হন্তারক বিষ। আকন্দের ফুল দেবাদিদেব মহাদেবের পুজোয় লাগে। আকন্দের ফুলকে সংস্কৃতে অর্ক পুষ্প বলা হয়ে থাকে ।


ওষুধ হিসেবে আকন্দের ভেষজ ব্যবহার বিষয়ে আয়ুর্বেদ ও ইউনানি চিকিৎসায় উল্লেখ রয়েছে। এই উদ্ভিদের ব্যবহার্য অংশ হলো ছাল, পাতা, ফুল, মূল ও কষ। বায়ুনাশক, উদ্দীপক, পাচক, পাকস্থলীর ব্যথা নিবারক, বিষনাশক, ফোলা নিবারক। প্লীহা, দাদ, শোথ, অর্শ, ক্রিমি ও শ্বাসকষ্টে উপকারী। ব্রণ, কোষ্ঠকাঠিন্য, বুকে কর্ফ, খোসপাচড়া, একজিমায় আকন্দের পাতা, কাণ্ড ও মূলের ব্যবহার রয়েছে। ইহার ফুল বহুমূত্ররোগ এর জন্যে বিশেষ উপকারী বলে মনে করা হয়।

আকন্দ পাতার শীর্ষ ৬টি উপকারিতা ও গুণাবলি

  1. আকন্দ পাতা ব্রণ ফাটাতে সাহায্য করে। এই পাতা দিয়ে ব্রণ চেপে বেঁধে রাখলে ব্রণ খুব সহজে ফেটে যায়। তখন দ্রুত্ব ভালো হয়ে যায়
  2. একধরনের বিছে পোকা কামড়ালে জ্বালা-পোড়া বা যন্ত্রনা হয়। জ্বালা-পোড়া বা যন্ত্রনা উপশম করতে এই পাতা ব্যবহার করা যায়।
  3. মানুষের কখনো শরীরের কোনো স্থানে ফোরা বা দূষিত ক্ষত হলে। সেই স্থানটিতে আকন্দ পাতা সেদ্ধ করে, সেদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হয়। এতে করে সেই স্থানে পুঁজ আর হয় না।
  4. অনেক সময় দেখা যায় বুকে সর্দি বসে গিয়েছে, তাহলে ভালো করে পুরনো ঘি বুকে মালিশ করতে হয়। এরপর ঘি মাখানো বুকে আকন্দের পাতা গরম করে ছেক দিলে সর্দি দ্রুত্ব ভালো হয়।
  5. যদি কাহারো খোস-পাচড়া বা একজিমা হয় সেই ক্ষেত্রে আকন্দের আঠার সঙ্গে চার গুণ সরিষার তেল মিশিয়ে গরম করতে হয়। তারপর গরম তেলের সঙ্গে কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খোস পাচড়ায় মাখলে তা ভালো হয়ে যায়।
  6. হাত-পা মোচকে গেলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, এই আকন্দ পাতা দিয়ে গরম করে ছেক দিলে ব্যথা নিরাময় হয়।


সংগৃহীত 


মন্তব্য করুন

ব্লগ