সহকারী শিক্ষক
২৭ মার্চ, ২০২৩ ০৪:১৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রতিটি হোটেলে দেখা গেছে হরেক রকমের মাছ। দোকানের সামনে বিশাল থালায় সাজানো আছে সামুদ্রিক মাছ। মাছে নানারকম মসলা মিশানো। মসলার ঘ্রাণ আর পোড়া মাছের গন্ধে মৌ মৌ করছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশ বাতাস। আর পর্যটকদের মধ্যেও যেন কোন ক্লান্তি নেই। সারাদিন সমুদ্রে দপাদপি করে রাতে উপকূলীয় দোকানগুলোর সামনে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থেকে যেন সামুদ্রিক মাছের বার-বি-কিউ খেয়েই ছাড়ছে। বার-বি-কিউ নেই কোথায়, প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের যত্রতত্র মাছের বার-বি-কিউ শপ। যেমন দোকান আছে তেমনি রয়েছে মাছের মেন্যুকে ঘিরে আবার সুসজ্জিত হোটেলের বুফে তালিকাও। সেন্টমার্টিনে দেখা গেছে, রাত যতই ঘনিয়ে আসছে জমিয়ে তোলা হচ্ছে সামুদ্রিক মাছের পসরা। টোনা, কোরাল, বাটারফ্লাই, স্যামন ফিশ, চাঁন্দা, কালা চান্দা, হোয়াইট মিল্কি, পোয়া ও দাতিনা কোরাল নিয়ে পসরা সাজিয়েছে দোকানীরা। ভোজন রসিকের চাহিদা অনুযায়ী বার-বি-কিউ করে দেয়া হয় সামুদ্রিক মাছ। চারদিকে মৌ মৌ করছে মাছের বার-বি-কিউ ঘ্রাণ।বার-বি-কিউ আর বার-বি-কিউ। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বার-বি-কিউ।
৭১
১৪৫ মন্তব্য