Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ মার্চ, ২০২৩ ০৯:৩১ পূর্বাহ্ণ

Vitamin e খাওয়ার নিয়ম কী?ভিটামিন ই, একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা সাধারণত খাবারে পাওয়া যায় যেমন- বাদাম
main-qimg-2a5f41a43fa09e59880fb133d7c713f5

ভিটামিন ই, একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট যা সাধারণত খাবারে পাওয়া যায় যেমন- বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, বিভিন্ন ধরণের বীজ ইত্যাদি। এটি একটি ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন যা শরীরের জন্য খুব দরকারী।

ভিটামিন ই মানবদেহের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি উপাদান যা মানব দেহের ইমিউন সিস্টেমকে সতেজ রাখে। ভিটামিন-ই চুল পড়া বন্ধ করে ও শরীরের ত্বককে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখে।

অনেক মানুষ আছে যারা শাকসবজির পরিমাণ কম খেয়ে থাকে। শাকসবজি কম খাওয়ার ফলে তাদের শরীরে ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে না। যার ফলে ডাক্তাররা তাদের ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ার পরামর্শ দেয়। যদি কারো মাথার চুল পড়ে যায় অথবা শরীরের ত্বক খসখসে হয়ে যায় তখন ডাক্তার তাদের ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেতে বলে। চলুন এবার জেনে নেই ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার নিয়ম, কখন খেতে হয়।

মনে রাখবেন, কোনো ওষুধই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।

ভিটামিন ই ক্যাপসুল সাধারণত 200IU এবং 400IU হয়ে থাকে। 200IU ক্যাপসুল দিনে ১টা থেকে ২টা খেতে পারেন তবে 400IU হলে দিনে একটি খাওয়াই নিয়ম। এটি খাওয়ার সর্বোত্তম সময় হলো সন্ধ্যায় হালকা নাস্তা খাওয়ার পর খাওয়া। তাই সন্ধ্যায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাবেন। আর যদি সন্ধ্যায় খাওয়া সম্ভব না হয় তবে রাতে খাওয়ার ৪০ মিনিট পর খাবেন। উপকার পাওয়ার জন্য আপনাকে কমপক্ষে টানা ১মাস খেতে হবে। এছাড়া রোগের ধরণ অনুযায়ী যেমন:

# হার্টের সমস্যায়ঃ ৪০০-৮০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০-৪০০আই ইউ/ প্রতিদিন

# শিশুদের ভিতামিন-ই এর অভাবেঃ ২০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# থ্যালাসেমিয়াঃ ৮০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# সিকল সেল এনিমিয়াঃ ৪০০ আই ইউ/ প্রতিদিন

# চুল ও ত্বকের জন্যঃ ২০০-৪০০/ প্রতিদিন

# বয়স্কদের ঠান্ডাজনিত সমস্যাঃ ২০০ ই ইউ/প্রতিদিন

ইত্যাদি বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন ই নির্দেশিত।

তাছাড়া, ভিটামিন ই ক্যাপসুল মুখের ক্রিম বা মাথার তেলের সাথে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়।

সাধারনত ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই তবে কিছু ক্ষেত্রে শরীরে র‍্যাশ দেখা যাওয়া, মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্ত লাগা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এছাড়া ভিটামিন ই অতিরিক্ত সেবনে থাইরয়েডে সমস্যা, হাড় দূর্বল হয়ে যাওয়া, প্রস্টেট ক্যান্সার এর ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে।

যারা খাবেন না:

# গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মা

# যাদের ওষুধে নিম্নে দেয়া উপাদান আছেঃ

—————cholestyramine

—————mineral oil

—————orlistat (alli, Xenical)

—————warfarin (Coumadin,Jantoven)

# যাদের কিডনি রোগ আছে

# যাদের লিভার রোগ আছে

# যাদের ব্লিডিং ডিসঅর্ডার আছে বা রক্তরোগ আছে

# যাদের হাই কোলেস্টেরল আছে

# যাদের ডায়াবেটিস আছে (অনেক কোম্পানির ওষুধে সুগার আছে)

আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।

ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন