Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ এপ্রিল, ২০২৩ ০৩:৪৪ অপরাহ্ণ

ব্যাকটেরিয়া, ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা

ব্যাকটেরিয়া

ব্যাকটেরিয়া হল আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত অসবুজ, এককোষী আণুবীক্ষণিক জীব(এদের অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখা যায় না)।বিজ্ঞানী এন্টোনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান। ব্যাকটেরিয়ার কোষ গোলাকার, দন্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি ধরনের হতে পারে। ব্যাকটেরিয়ার আকার আকৃতির ভিত্তিতে এগুলোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। 

কক্কাসঃ

কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার। এগুলো কক্কাস ব্যাকটেরিয়া। এগুলো এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে যেমন-নিউমোনিয়া রোগ সৃষ্টকারী ব্যাকটেরিয়া, এগুলোকে নিউমোকক্কাস বলে।

ব্যাসিলাসঃ

এগুলো দেখতে লম্বা দন্ডের মত। ধনুষ্টংকার, রক্ত আমাশয় ইত্যাদি রোগ এরা সৃষ্টি করে।

কমাঃ

এগুলো বাকা দন্ডের মত আকৃতির ব্যাকটেরিয়া।  মানুষের কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া এধরনের ব্যাকটেরিয়া।

স্পাইরিলামঃ

এধরনের ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি প্যাঁচানো। ইদুরের কামড় থেকে অনেক সময় এ ধরনের ব্যাকটেরিয়া আমাদের শরীরে ঢুকে জ্বরসহ বিভিন্ন উপসর্গ তৈরি করে।

ব্যাকটেরিয়া সরল আণুবীক্ষণিক জীব হলেও এদের একটি সুগঠিত  কোষীয় গঠন রয়েছে। এসব কোষে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা প্রকৃতকোষী বা অকোষীয় অন্য জীবে পাওয়া আয়াবে না।ব্যাকটেরিয়া অকোষীয় জীব। এর অর্থ এওসব কোষে নিউক্লিয়াস সুগঠিত নয়। একটি আদর্শ নিউক্লিয়াসে নিজস্ব পর্দা থাকে, যা নিউক্লিয়াসটিকে কোষের অন্যান্য অঙ্গ থেকে পৃথক করে রাখে। কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে এমনটা হয় না।নিউক্লিয়ার বস্তু তথা ডিএনএ কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে। এগুলোকে নিউক্লিয়েড বলে। 

উপকারীতাঃ

  1. বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 
  2. একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে। পরিবেশে নাইট্রোজেন সাধারণত নিষ্ক্রিয় থাকে, সহজে কোনো যৌগ গঠন করে না। 
  3. পাট থেকে আশ ছাড়াতে ব্যাকটিরিয়া সাহায্য করে।
  4. দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়। 
মন্তব্য করুন

ব্লগ