Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ এপ্রিল, ২০২৩ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

যাদের ওপর যাকাত ওয়াজিব ও যাকাতের অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহ

যাদের ওপর যাকাত ওয়াজিব :
যাদের ওপর যাকাত ওয়াজিব তারা তিন প্রকার:
১. নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া।

২. যাদের সম্পদের ওপর পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হয়েছে। তবে ফসলের ক্ষেত্রে এক বছর অতিবাহিত হওয়া জরুরি নয় বরং ফসলের যাকাতের সম্পর্ক ফসল পাকার সাথে।
৩. ফলের যাকাত ওয়াজিব হয় যখন তা পরিপক্কতা লাভ করে এবং খাওয়ার উপযোগী হয়।
যাকাত কার ওপর ফরয ?

ইসলামী শরীয়তে সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য বা যে কোন একটির সমমূল্যের সম্পদ একবছর কারো নিকট আবর্তিত হলে শতকরা ২.৫০% সম্পদের মূল্যমান আল্লাহ তা’আলার নির্দেশিত আট প্রকার খাতে ব্যয় করাকেই যাকাত বলা হয়।

সুতরাং যার কাছে সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্য বা যে কোন একটির সমমূল্যের সম্পদ প্রয়োজনের অতিরিক্ত একবছর গচ্ছিত থাকবে তার ওপর যাকাত আদায় করা ফরয।

যাকাতের অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহ :
আল্লাহ তা’আলা কুরআনে যাকাতের অর্থ ব্যয়ে আটটি খাত উল্লেখ করেছেন। ১.ফকির, ২.মিসকিন, ৩.যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী, ৪.যাদের চিত্ত অকর্ষণ প্রয়োজন, ৫.দাসত্ব থেকে মুক্তি জন্য, ৬.ঋণগ্রস্থদের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য, ৭.আল্লাহর পথে যারা জিহাদ করে তাদের
জন্য, ৮.মুসাফিরদের জন্য এই হলো আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। (সুরা তাওবা-৬০)

মন্তব্য করুন