Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ এপ্রিল, ২০২৩ ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ

এশিয়ার ৫টি শক্তিশালী দেশ এর নাম কী কী হতে পারে?কোনো দেশের জনগণ এবং সার্বভৌমত্ব নিরাপদ রাখাই সেদেশের সামরিক বাহিনীর প্রধান কাজ
main-qimg-9e924e44111015f4bcccce989f4e1866-lq

ছবি: সংগৃহীত

কোনো দেশের জনগণ এবং সার্বভৌমত্ব নিরাপদ রাখাই সেদেশের সামরিক বাহিনীর প্রধান কাজ। এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ। বিশ্বের শীর্ষ ১০ সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনীর মধ্যে পাঁচটি-ই রয়েছে এ মহাদেশের। ২০১৭ সালে পাওয়ার ইনডেস্ক এর স্কোর অনুযায়ী এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী শীর্ষ ১০টি সামরিক বাহিনীর তালিকা প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ফায়ার।

এ প্রতিবেদন অনুযায়ী দশম স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম। পাওয়ার ইনডেস্ক স্কোরে শূন্য দশমিক ৮২৫৩ অর্জন করেছে দেশটি। সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দেশ ভিয়েতনাম। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ইন্দেচিনি উপদ্বীপের পূর্ব দিকে অবস্থান দেশটির।

চীনের বিরুদ্ধে আধিপত্যে চারটি এবং ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘মঙ্গল আক্রমণে’ তিনটি বিজয় অর্জন করেছে ভিয়েতনাম।

৯) এশিয়ার শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নবম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পাওয়ার ইনডেস্ক স্কোর হলো শূন্য দশমিক ৮০০৮।ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনীতে প্রায় চার লাখ সক্রিয়-কর্তব্য কর্মী রয়েছে। সেদেশের জিডিপির প্রায় চার শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে সামরিক খাতে।

৮) পাওয়ার ইনডেস্ক এর স্কোর অনুযায়ী সেরা আটে রয়েছে তাইওয়ান। দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ৭৫৬৪। তাইওয়ান মূলত চীনের প্রজাতন্ত্র। তাইওয়ানের সেনাবাহিনী তথ্যপ্রযুক্তির দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে। যদিও বিষয়টি অলিখিত। দেশটির সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ সফলতা অর্জন করেছে।

৭) সপ্তম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। শূন্য দশমিক ৭৩৬৯ হলো দেশটির পাওয়ার ইনডেস্ক স্কোর। পাকিস্তান একটি আঞ্চলিক ও মধ্যম শক্তি এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে দেশটির।

৬) পাওয়ার ইনডেস্ক এর শূন্য দশমিক ৫৮৮৭ স্কোর অনুযায়ী শীর্ষ ছয়ে রয়েছে ইসরায়েল। জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে সামরিক খাতে এমন উন্নত দেশগুলোর মধ্যে ইসরায়েল অন্যতম।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী-ই হলো দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী; যেটি ইসরায়েল নিরাপত্তা বাহিনী। সেদেশের সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী এর অন্তর্ভুক্ত।

৫) এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে জাপান। এর স্কোর পয়েন্ট শূন্য দশমিক ৫৫৮১। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করার অধিকারকে নিন্দা জানায় দেশটি।

বিশ্বের আগত বৃহত্তম সামরিক বাজেটের সাথে একটি আধুনিক সামরিক বাহিনী বজায় রাখে জাপান। আত্মরক্ষা ও শান্তিরক্ষায় ভূমিকা রাখতে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে দেশটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত ইরাকের সৈন্যবাহিনীকে প্রথম বিদেশি সামরিক বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করে জাপান।

৪) চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এর পাওয়ার ইনডেস্ক স্কোর শূন্য দশমিক ৫৫৩৬। বিশ্বের দশম বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বাজেটের সাথে একটি আঞ্চলিক শক্তি দক্ষিণ কোরিয়া। জাতিসংঘের জিডিপি`র দুই দশমিক ছয় শতাংশ এবং সরকারি সামরিক ব্যয়ের ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে দেশটির সামরিক খাতে।

এছাড়া বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম সংখ্যক সক্রিয় সৈন্য রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীতে, যার সংখ্যা ছয় লাখ ৫০ হাজার সৈন্যের অধিক।

৩) এশিয়া মহাদেশে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক। এর স্কোর পয়েন্ট শূন্য দশমিক ৫১৭১।

প্রায় পাঁচ লাখ (আনুমানিক চার লাখ ৯৫ হাজার) জন নিয়োজিত বাহিনীর শক্তি দিয়ে ন্যাটোতে দ্বিতীয় বৃহত্তম সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক। তুর্কি ভূমি বাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী দেশটির সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত।

ন্যাটোর সদস্যভুক্ত পাঁচটি রাষ্ট্রের মধ্যে জোট পরমাণু বণ্টন নীতিতে তুরস্ক অন্যতম।

২) শক্তিশালী সামরিক শক্তির দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। পাওয়ার ইনডেস্কে দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ৩৮৭২।

ভারত একটি পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র এবং একটি আঞ্চলিক শক্তি। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্থায়ী বাহিনী রয়েছে দেশটির। এছাড়া, বিশ্বে সামরিক খাতে ব্যয়ে নবম স্থান রয়েছে দেশটি।

ভারত এ পর্যন্ত ৩৫টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে চারটি মহাদেশে এক লাখ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা পাঠিয়েছে।

১) এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক দেশ চীন। পিপলস লিবারেশন আর্মি ও সামরিক দিক দিয়ে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে চীন। ২৩ লাখের বেশি সামরিক নিয়োজিত রয়েছে দেশটিতে। এর পাওয়ার ইনডেস্ক স্কোর শূন্য দশমিক ২৫৯৪।

চীন একটি স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র। একটি সম্ভাব্য সামরিক মহাশক্তি। কয়েক বছর ধরে, এটি উন্নত বা অনেক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র পদ্ধতি অর্জন করেছে।

আমরা আশা করবো, এই সামরিক শক্তিগুলো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে কাজ করবে।

মন্তব্য করুন