সিনিয়র শিক্ষক
০৩ মে, ২০২৩ ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
১. শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina:2009-PRESENT) BANGLADESH
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রথম ডিক্টেটর শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা; যদিও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ মুজিবই ছিলেন বাংলাদেশীদের নেতা।পরবর্তীতে রাজনৈতিক নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেন এবং তার শাসনামলে হাজার হাজার মানুষ খাদ্যের অভাবে না খেয়ে মৃত্যুবরণ করে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে গিয়ে পুনরায় হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়; বিশেষ করে যারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থার বিরোধিতা করেছিল। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ নেতাদের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনীর ডজনখানেক জুনিয়র অফিসিয়ারদের হাতে শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর দেশের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়।
২০০৯ সালে দেশের প্রথম ডিক্টেটর শেখ মুজিবেরই মেয়ে শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং দেশের সেনাবাহিনীর সহায়তায় এক প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ঐ নির্বাচনে ব্যালট বাক্স চুরি, অস্ত্রের মুখে ভোটারদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের গুম এবং খুনের মধ্যে দিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শেখ হাসিনা তার বাবা'র পথ অনুসরণ করে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে বিরোধী দলীয় নেতা কর্মী এবং অনুসারীদেরকে অপহরণ, আইন বহির্ভুত হত্যা এবং দিনে দুপুরে অবৈধ অস্ত্রের মহড়া শুরু করেন। এসব অত্যাচার এবং হত্যাযজ্ঞ থেকে সরকারের সামান্যতম সমালোচনাকারিদেরকেও রেহাই দেয়া হয়নি। নিরংকুশ ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার লক্ষ্যে শেখ হাসিনার নির্দেশে হাজার হাজার মানুষকে পশু পাখির ন্যায় হত্যা করে তাদের লাশ রাস্তাঘাট, নদীনালা বা পুকুরে ফেলে দেয়া হয়; আবার কখনও কখনও তাদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়; অগণিত মানুষদের অপহরণ করে পার্শবর্তী দেশ ভারত অথবা মিয়ানমারে পাঠিয়ে দেয়া। শেখ হাসিনা তার বাবা বাংলাদেশের প্রথম ডিক্টেটর শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দায়ী করেন বিধায় তারই প্রতিশোধ নেয়ার লক্ষ্যে বিডিআর পিলখানায় হত্যাকান্ড ঘটিয়ে শ'খানেক সেনা অফিসিয়ারদের নিশৃংস ভাবে হত্যা করা হয়।বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে শাস্তি দেয়ার জন্য ভারতীয় কমান্ডোদের সাহায্যে ঐ হত্যাকান্ড ঘটানোর পর শেখ হাসিনা তাদেরকে নিরাপত্তার মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করার ব্যবস্থা করেন এবং এজন্যই তিনি দেশের সেনাবাহিনীকে পিলখানায় ঢোকার আদেশ দেননি। তার বাবার হত্যাকাণ্ডের পর জনগণ রাস্তায় শান্তি মিছিল করেছিল বিধায় শেখ হাসিনা দেশের জনগণকেও ক্ষমা করেননি।
শেখ হাসিনার নির্দেশেই তার দলের স্বশস্ত্র ক্যাডাররা দেশের দুইজন প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখ্যে পদত্যাগ এবং দেশত্যগে বাধ্য করেন; ফলশ্রুতিতে দেশের বিচারব্যবস্থা আজ আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডারদের হাতে জিম্মি।আবার তার ছেলে সজীব আহমেদ জয়ের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ব্যাংকে কম্পিউটার হ্যাকিং নাটক তৈরী করে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার চুরি করা হয়; এবং প্রায় সকল অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধন লুটপাট করে ঐ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেউলিয়া ঘোষণার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়া হয়।একথা নির্বিঘ্নেই বলা যায় যে শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বেই বাংলাদেশে প্রথম মাফিয়া শাসন শুরু হয়। মাফিয়া শাসনের অধীনে আইনভঙ্গকারীকেই পুরস্কৃত করা হয়। ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের যেই নেতা বিরোধী দলের নেতা এবং কর্মীদেরকে বেশী বেশী করে হত্যা করতে পারে তাকে দেশের রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে মাফ করিয়ে দলের নেতৃত্বে নিয়ে আসা এবং আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে ভারতের সাথে শতশত চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন যা বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর এবং লজ্জাস্কর। সম্ভবত, শেখ হাসিনাই হবেন পৃথিবীর দ্বিতীয় সরকার প্রধান যিনি নিজ স্বার্থ্যে প্রথমে দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছেন এবং পরবর্তীতে দেশটিকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন।ঠিক একইভাবে সিক্কিমের কাজী লেন্দুপ দর্জী এই কাজটিই করেছিলেন।
নির্বাচক প্যানেলের নোট: শেখ হাসিনার সার্বিক কর্মকান্ড বিবেচনা করলে বাংলাদেশের প্রতি তার দায়িত্ববোধ বা দেশপ্রেমের পরিবর্তে প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধই পরিলক্ষিত হয়। তাকে কোনো অবস্থাতেই হিটলার, অং সান সু ক্যি, মুয়াম্মার গাদ্দাফী বা সাদ্দাম হোসেন অথবা তাদের সমসাময়ীক কারো সাথে তুলনা করা যায় না। এসব স্বৈরশাসকরা ব্যক্তিজীবনে যথেষ্ট শিক্ষিত, মার্জিত, দূরদর্শীসম্পন্ন এবং জাতীয়তাবাদী ছিলেন।তারা ব্যক্তিগতভাবে নিঃসন্দেহে লোভী ছিলেন কিন্তু নিজ দেশের স্বার্থকে তারা কখনোই উপেক্ষা করেনি।
২. স্যামুয়েল দৌ (SAMUEL DOE: 1080-1990) LIBERIA
কয়েকজন সিপাহী সহ মিলিটারি ক্যু এর মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম টলবার্টকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে। আমেরিকা তার অভ্যুথ্যানকে সমর্থন করে এবং পরবর্তীতে শেখ হাসিনার মতো একই কায়দায় দেশবাসীর মধ্য আতঙ্ক তৈরী এবং ভোট চুরির মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে।স্যামুয়েল দৌ আর্মির মাস্টার সার্জেন্ট ছিলেন বিধায় তিনি সেনাবাহিনীর পদস্থ অফিসারদের পছন্দ করতেন না। ক্ষমতা গ্রহণের সাথে সাথে তিনি শেখ হাসিনা পিলখানা হত্যাকণ্ডের মতোই সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে পদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করা শুরু করেন। দেশের ব্যাংকগুলো অর্থশূন্য হয়ে পরে এবং দেশের বিচারপতিদেরকে আদালতের ভিতরেই বন্দুকের নলের দ্বারা সিধান্ত নিতে বাধ্য করতেন। কথিত রয়েছে যে স্যামুয়েল দৌ আমেরিকাকে অবাধ হস্তক্ষেপের সুবিধা দিয়ে নিজেকে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা তার হয়নি।দেশের বিক্ষুব্দ জনতা তাকে নির্মমভাবে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
৩. রাফায়েল ত্রুহিয়ো (RAFAEL TRUJILLO: 1930-1961) - DOMINICAN REPUBLIC
রাফায়েল ত্রুহিয়ো ১৯৩০ সাল থেকে মে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ডোমিনিকান রিপাবলিক নামক দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন।ডোমিনিকান রিপাবলিকের ইতিহাসে রাফায়েল ত্রুহিয়োর শাসনামলকে বলা হয় এক রক্তাক্ত অধ্যায়। ত্রুহিয়োর শাসনামলে হাজার হাজার মানুষকে অপহরণ করা হয় যাদের কোনো হদিস আজও মিলেনি। বিরোধী দলীয় নেতা, কর্মী এবং অনুসারীদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষদেরকে হত্যা করা হয়।ত্রুহিয়ো পার্শবর্তী দেশ হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।পরে সে নিজ দেশে হাজার হাজার ডোমিনিকাণদেরকে হাইতির প্রেসিডেন্ট এর সমর্থক আখ্যা দেয় এবং তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করে।প্রেসিডেন্ট ত্রুহিয়ো দেশের প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা ব্যাটানকোর্টকে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও পরবর্তীতে ব্যাটানকোর্টকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হাজতে প্রেরণ করে ঠিক যেমনি শেখ হাসিনা মিথ্যা মামলার দ্বারা বেগম খালেদা জিয়াকে হাজতে প্রেরণ করেছে।পরকীয়া প্রেমে বাধা হওয়ার কারণে ত্রুহিয়ো নিজ স্ত্রীকে হত্যা করে তাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয় ঠিক যেভাবে শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের শাশুড়িকে হত্যা করার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হয়।
নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার লক্ষ্যে দেশের স্বার্থ্য উপেক্ষা করে আমেরিকানদেরকে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার অনুমতি দেয় ঠিক যেমনি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থ্য উপেক্ষা করে ভারতকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রদান করে। ৩০ মে ১৯৬১ সালের বিকেল বেলায় বান্ধবীর সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে তাকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে অবসান হয় তার ৩১ বছরের দুঃশাসন।
৪.জোসেফ এস্ত্রাদা (JOSEPH ESTRADA: 1998-200) PHILIPPINE
এস্ত্রাদা ছিলেন একজন অভিনেতা পরবর্তীতে যিনি রাজনীতিবিদে পরিণত হয়েছেন। প্রথমে মেয়র পরে সিনেটর এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ফিডল রামোসের অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। । ফিলিপাইনের অনেকেই জানতো যে ফার্ডিনান্ড মার্কোসের পর এস্ত্রাদাই আমেরিকানদের প্রিয়পাত্র। দেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিবেশে আমেরিকা এবং সেনাবাহিনীর সমর্থন নিয়ে প্রেসিডেন্ট পদপ্রাথী হন এবং ২000 সালে নির্বাচনে জয়ী হন। দেশের সবাই জানতো যে আমেরিকা এস্ত্রাদার নির্বাচনের জন্য করেনি এমন কোনো কাজ নেই ঠিক যেভাবে ইন্ডিয়া শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করার জন্য সবকিছুই করেছে। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই আমেরিকাকে সন্তুষ্ট করার লক্ষ্যে তিনি জঙ্গী দমনের কথা বলে হাজার হাজার নিরীহ মুসলিমদেরকে দিনে দুপুরে হত্যা করে। হাজার হাজার মুসলিম যুবক নিখোঁজ হয়ে যায় যাদের হদিস আজ অবধি মেলেনি। তিনি "মরো" ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্টের বিরুদ্ধে "সর্বাত্মক যুদ্ধ" ঘোষণা করেন এবং সেই যুদ্ধেও হাজার হাজার নিরীহ মানুষ, নারী ও শিশু নিহত হয়। তিনি তার লোকজনদেরকে দিয়ে নিখোঁজ এবং মৃত মুসলিমদের ঘরবাড়ী দখল করে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। তিনি বিরোধী দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের কারারুদ্ধ করেন, যারা তাঁর নীতির বিরোধিতা করে। দিন দিন, তিনি ক্রমবর্ধমান দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়ে যান অথচ দেশের সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম। পরবর্তীতে বেকারত্ব, অর্থনৈতিক মন্দা ও দুর্নীতির কারণে জোসেফ এস্ত্রেদা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০৭ সালে সরকার কর্তৃক ৮0 মিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করার জন্য এস্ত্রাদাকে আটক রাখা হয়। প্রেসিডেন্ট অ্যারোইয়ো তাকে ক্ষমা করে দেন এবং ২০১০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হলে দেশের জনগণ বিশাল ভোটের ব্যবধানে তাকে প্রত্যাখ্যান করে।
৫. নেগুয়েন কাও কী (NGUYEN CAO KY: 1965-1967) SOUTH VIETNAM
১৯৬৫ সালে, আমেরিকা ভিয়েতনামে তাদের কর্তৃত্ব বাড়াতে দক্ষিণ ভিয়েতনামের নেগুয়েন কাও কী'কে মিত্র হিসেবে বেছে নেয়। তিনি দক্ষিণ ভিয়েতনাম এয়ার ফোর্সের মেজর জেনারেল ছিলেন। তিনি এতটাই উচ্চাভিলাষী ছিলেন যে ক্ষমতার লোভে নিজ জাতিকে ত্যাগ করে দখলদার বাহিনীকে সহায়তা প্রদানে রাজী হয়েছিলেন। ।তিনি ভিয়েতনামীদেরকে হত্যা করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করে আমেরিকানদের সাহায্য করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আমেরিকানদেরকে ভিয়েতনামী প্রাকৃতিক সম্পদ স্বল্পমূল্যে এবং বিনামূল্যে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। তার শাসনামলে নাগরিকদের বক্তব্যের স্বাধীনতা ছিল না। তিনি অস্ত্রের দ্বারা প্রেস নিয়ন্ত্রণ করতেন। দক্ষিণ ভিয়েতনামীদেরকে জোড় করে আমেরিকানদের জন্য কাজ করতে বাধ্য করেছিলেন।হাজার হাজার ভিয়েতনামীরা তার শাসনামলে মৃত্যুবরণ করে। তিনি একদা বলেছিলেন, "যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে যে কে আমার নায়ক, আমি তার উত্তরে বলবো "হিটলার হিটলার।" কিন্তু এক সময়ে, আমেরিকানরা জেনারেল নেভিন ভ্যান থিয়েটারকে নেগুয়েন কাও কী'র বিকল্প হিসেবে বেছে নেয়। আমেরিকানরা নেগুয়েন কাও কীকে নেভিন ভ্যান থিয়েটারের অধীনে কাজ করার জন্য বাধ্য করে। আমেরিকানরা তাকে বীরত্ব ও অন্যান্য সম্মান দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি খুব তাড়াতাড়িই আমেরিকার বোঝা হয়ে যান।
উত্তর ভিয়েতনাম দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পরাজিত করার পর, নেগুয়েন কাও কী'র ভিয়েতনামে থাকা অসম্ভব ছিল। নেগুয়েন কাও কী' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩০ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়েস্টমিনস্টারে বসতি স্থাপন করে। তিনি ৩০ জুলাই ২0১১ সালে মালয়েশিয়ায় কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান। দেশে ফেরার ভাগ্য তার আর হয়ে উঠেনি।
৫৩
৯১ মন্তব্য