Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ মে, ২০২৩ ০৩:২০ অপরাহ্ণ

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরুপ-

১) মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং আবহ ও উপাদানভিত্তিক শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক অনুসরণ করা। বিদ্যালয়ে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করে শিসুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ব্যবস্থা করা।

২) কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে এক  ও অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি সব ধরণের প্রাথমিক বিদালয়ে পাঠদান বাধ্যতামূলক করা।

৩) শিশুর মনে ন্যায়বোধ, কর্তব্যবোধ, শৃঙ্খলা, শিষ্টাচারবোধ, অসাম্প্রদায়ক দৃষ্টিভঙ্গি, মানবাধিকার, সহ-জীবিনযাপনের মানসিকতা, কৌতুহল, প্রীতি, সৌহার্দ্য, অধ্যবসায়, ইত্যাদি নৈতিক ও আত্মিক গুণাবলী অর্জনে সহায়তা করা এবং তাকে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিমনস্ক করা এবং কুসংস্কারমুক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে উৎসাহিত করা।

৪) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্দীপ্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেশাত্মবোধের বিকাশ ও দেশ গঠনমূলক কাজে তাকে উদবুদ্ধ করা।

৫)  শিক্ষার্থীর নিজ স্তরের যথাযথ প্রান্তিক দক্ষতা নিশ্চিত করে তাকে উচ্চতর ধাপে শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহী এবং উপযোগী করে তোলা। এই অল্কখ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো, সামাজিক পারিপার্শ্বিকতা, শিক্ষাদান ও শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক আকর্ষণীয় করে তোলা এবং মেয়েদের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা।

৬)শিক্ষার্থীকে জীবনযাপনের জন্য আবশ্যিক জ্ঞান, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, জীবন -দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা অর্জনের মাধ্যমে মৌলিক শিখন চাহিদা পূরণে সমর্থ করা এবং পরবর্তী স্তরের শিক্ষা লাভের উপযোগী করে গড়ে তলার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৭) শিক্ষার্থীদের মধ্যে কায়িক শ্রমের প্রতি আগ্রহ মর্যাদাবোধ এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্বন্ধে প্রাথমিক ধারণা সৃষ্টির লক্ষ্যে ষষ্ট থেকে অষ্টম শ্রেণীতে প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

8) প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে আদিবাসীসহ সকল ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জন্য স্ব স্ব মাতৃভাষা শিক্ষার ব্যস্থা করা।

৯) শিক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চাৎপদ এলাকাসমূহে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া ।

১০) সবধরণের প্রতিবন্ধিসহ সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত ছেলে-মেয়েদের জন্য সুযগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 

মন্তব্য করুন

ব্লগ