Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ মে, ২০২৩ ০৮:২৭ অপরাহ্ণ

নয়নতারা শুধুই একটি ফুল নয়,এর আছে নানা ওষধি গুণ।

নয়নতারা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Catharanthus roseus, এটি Apocynaceae (dogbane, অথবা oleander পরিবার) পরিবারের একটি উদ্ভিদ।এর আদি উৎপত্তিস্থল মাদাগাস্কার।একে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নাম পরিচিত, যেমন-Cape periwinkle, Madagascar periwinkle, periwinkle, sadabahar, sadaphuli, sadasuhagi, sadsuhagan ইত্যাদি।এর আরেকটি প্রজাতি হলো Vinca rosea। এটি গুল্মজাতীয় ও বর্ষজীবী উদ্ভিদ।কোন কোন ক্ষেত্রে এটি অনেক বছর বেঁচে থাকতেও দেখা যায়।কিন্তু বেশি দিন বেঁচে থাকলে যত্ন না করলে গাছটি শক্ত হয়ে যায় এবং ফুল হয় না।এটি উচ্চতা সাধারণত ২/৩ ফুট হয়ে থাকে।ফুল গুলির কোন গন্ধ নেই।পাতা গুলি দেখতে বিপরীত, মসৃণ,গাঢ় সবুজ রঙ,আয়তাকার বা ডিম্বাকৃতি।৪-৭ সেমি লম্বা হয়।কাণ্ড গুলি নরম,রসালো ও গাঢ় সবুজ হয়।কাণ্ড গুলি কোনাচে ধরনের হয়।এর ফুল গুলিতে ৫টি করে পাপড়ি থাকে।প্রত্যেকটি পাপড়ি ৩ সে.মি. পর্যন্ত চওড়া।ফুল গুলি বিভিন্ন রং এর হয় যেমন- গোলাপি,হালকা গোলাপি ও সাদা।ফুলের পুরো অংশটি একি রঙের হলেও মধ্যবর্তী অংশটি আর একটি রঙের হয় যেমন-সাদার মাঝে লাল,গোলাপীর মাঝে হলুদ।ফুলটি চওড়া ৩-৩.৫ সেমি , দলনল সরু,লম্বা ২.৫ সেমি।ফুল সারা বছরই ফোটে কিন্তু শরৎ ও বসন্ত ঋতুতে বেশি বেশি ফোটে।ফুল থেকে ফল ও বীজ হয়।বীজ কালো ও অমসৃণ হয়।এদের বংশ বৃদ্ধি হয় বীজের সাহায্যে।



ভৌগৌলিক অবস্থান:-

নয়নতারা ওয়েস্ট ইণ্ডিজের প্রজাতি।বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফ্রিকা মহাদেশ আরও বেশ কয়েকটি দেশে এর দেখা পাওয়া যায়। 

নয়নতারার উপকারিতা:-

১:সন্ধিবাত:-
গাঁটে গাঁটে যন্ত্রনা,তাতে ফোলা বা প্রদাহ কিছুই নেই।কাঁচা বা শুকনো নয়নতারার সমগ্র গাছ তিল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন তারপর ওই যন্ত্রনায় ব্যবহার করুন ভালো ফল পাবেন।কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই তেলটি বানাবেন।

২:বহুমূত্র রোগ:-

যাদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয় এবং যে প্রস্রাবের বেগ থামানো যায় না।তারা নিয়মিত সকালে সাদা নয়নতারা গাছের দুটি পাতা চিবিয়ে খালি পেটে খেতে হবে।এছাড়াও গাছের পাতাকে পরিমাণ মত জল দিয়ে বেটে ১ চামচ রস খেতে পারেন।তাহলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।

৩:রক্তচাপ:-

যাদের রক্ত চাপ বেড়ে যায় তারা ৫ মিলিলিটার নয়ন তারা গাছের মূলের তাজা রস খালি পেটে সপ্তাহে ২দিন খান।কয়েক দিন খাওয়ার পর কিন্তু রক্ত চাপ মাপবেন।তারপর অবস্থা বিচার করে এটিকে ব্যবহার করবেন।


৪:ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করে:-

এটি শরীরে রক্তের চিনির পরিমাণ কমায়।যার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
মন্তব্য করুন