সহকারী শিক্ষক
১৭ মে, ২০২৩ ০২:৫৭ অপরাহ্ণ
আমাদের দেশে প্রধানত দুটি সংস্কৃতি রয়েছে। একটি হলো, গ্রামীণ সংস্কৃতি আর অন্যটি নগরসংস্কৃতি।
আমাদের দেশে প্রধানত দুটি সংস্কৃতি রয়েছে। একটি হলো, গ্রামীণ সংস্কৃতি আর অন্যটি নগরসংস্কৃতি। সংস্কৃতি আবার দুই প্রকার, বস্তুগত সংস্কৃতি ও অবস্তুগত সংস্কৃতি। বস্তুগত সংস্কৃতি হচ্ছে—মানুষের অর্জিত বা তৈরিকৃত দ্রব্যের সমষ্টি। সহজ কথায় বস্তুগত সংস্কৃতি হলো—যে সংস্কৃতি দেখা যায়, ছোঁয়া যায়, তা-ই বস্তুগত সংস্কৃতি। বস্তুগত সংস্কৃতির মধ্যে রয়েছে নাগরিকের চলাফেরার ধরন, আচরণবিধি, পোশাক-পরিচ্ছদ, বিভিন্ন আসবাবপত্র, ঘরবাড়ি, দালানকোঠা এবং বিভিন্ন উত্পাদন কৌশল ও হাতিয়ার হলো বস্তুগত সংস্কৃতির উপকরণ।
বস্তুগত সংস্কৃতি আর মানব সম্প্রদায় একই সুতোয় বাঁধা থাকলেও অবস্তুগত সংস্কৃতির স্থান হওয়া চাই একটু ভিন্ন রকমের অন্যতম মর্যাদায়। বস্তুগত সংস্কৃতিকে ধরাছোঁয়া গেলেও অবস্তুগত সংস্কৃতিকে ধরাছোঁয়া যায় না। তবে এই অস্পর্শ করা বা অবস্তুগত সংস্কৃতির দিকটি সমাজের মূল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বাহন হিসেবে প্রধান ভূমিকা রাখে বলে মনে করি। অবস্তুগত সংস্কৃতির উন্নতির ফলে বস্তুগত সংস্কৃতির উন্নতি ঘটে। তাই আগে অবস্তুগত সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিতে হবে। অবস্তুগত সংস্কৃতির মধ্যে রয়েছে সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, রাজনীতি, জ্ঞান, শিল্পকলা, সংগীত, মূল্যবোধ, বিশ্বাস ও আইন। অবস্তুগত সংস্কৃতির নিয়মধারার মধ্যে যেসব উপকরণ বা বিষয়বস্তু রয়েছে তা আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও জাতি পরিবর্তন করতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে যথার্থ সক্ষম। তাই এ অবস্তুগত সংস্কৃতিকে সমাজ সংস্করণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে
৫
৬ মন্তব্য