সহকারী শিক্ষক
১০ জুন, ২০২৩ ০৬:১৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
বৃষ্টির পানির উপকারিতা
বৃষ্টির পানির আরেকটি অন্যতম কার্যকারিতা হলো কানের সমস্যা দূর করা। কানের ব্যথা ও ইনফেকশন দূর করতে এই পানি উপকারী।
বৃষ্টিতে ভিজতে কার না ভালো লাগে। তবে অনেকেই মনে করেন এতে সর্দি-কাশি বাধে। কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। বৃষ্টির পানির রয়েছে নানান উপকারিতা। চলুন দেখে নেই-
চুলের সুস্বাস্থ্য
বৃষ্টির পানিতে আছে প্রাকৃতিক অ্যালকাইন, যা মাথার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা দূর করে। এতে চুলের গোড়া হয় মজবুত। তাই বৃষ্টির পানি ব্যবহারের ফলে চুলের রুক্ষতা কমে এবং অধিক উজ্জ্বল দেখায়। এ ছাড়া এই পানি খুশকিও দূর করে।
অবসাদমুক্তি
বৃষ্টিতে ভেজার ফলে শরীরে এন্ডোরফিন ও সেরাটোনিন হরমোন ক্ষরণ হয়। এতে দূর হয় মানসিক অবসাদ। এ ছাড়া বৃষ্টির সময় পরিবেশে যে ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে তাকে বলা হয় পেট্রিকোর। এটি মানুষকে আরও চনমনে করে তুলতে সহায়তা করে।
ভিটামিন বি
বৃষ্টির পানিতে থাকে হালকা অ্যালকাইন ও বেশ কিছু অণুজীব। যেগুলো বিপাকের মাধ্যমে ভিটামিন বি-১২ তৈরি করে। ফলে বৃষ্টিতে ভিজলে ভিটামিন বি এর অভাব দূর হয়।
কানের সমস্যা
বৃষ্টির পানির আরেকটি অন্যতম কার্যকারিতা হলো কানের সমস্যা দূর করা। কানের ব্যথা ও ইনফেকশন দূর করতে এই পানি উপকারী।
চর্মরোগের সমাধান
বৃষ্টিতে ভিজলে বিভিন্ন চর্মরোগ দূর হয়। বিশেষ করে চুলকানি, ফুসকুড়ি ও ঘামাচি দূর করতে বৃষ্টির পানি কার্যকর। এ ছাড়া শরীরের খসখসে ভাব দূর করতেও এই পানি ভূমিকা রাখে।
ত্বকের সৌন্দর্য
ভারি বৃষ্টির সময় যে জলীয়বাষ্প উৎপন্ন হয় তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ এর ফলে পরিবেশে থাকা ক্ষতিকর জীবাণুদের কর্মক্ষমতা কমে যায়। এতে ত্বক আরও উজ্জ্বল ও কমনীয় হয়ে ওঠে।
শরীরের বিষাক্ত উপাদান
বৃষ্টির পানি পান করার ফলে দেহে থাকা বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। উন্নতি ঘটে হজম ক্ষমতার। এই পানি রক্তের পিএইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। তাই অ্যাসিডিটির মাত্রাও কমে।
শেষ কথা
বৃষ্টির পানির অনেক উপকারিতা থাকলেও ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি সময় ভেজা উচিত নয়। এতে ঠাণ্ডা লেগে জ্বর চলে আসতে পারে। ভেজার পর সব সময় গোসল করে নিন। গোসলের পানি কুসুম গরম হলে ভালো হয়।
সূত্র: নিউজট্র্যাকলাইভ
৫৩
৯২ মন্তব্য