Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ জুন, ২০২৩ ০৩:৩৭ অপরাহ্ণ

#HIV/AIDS- #Target: 1) Public Awareness 2) Infection rate 0% 3) Death rate of infected 0%

#Target: 

1) Public Awareness

2) Infection rate 0%

3) Death rate of infected 0%

-------------------

#HIV/AIDS

এইডস আসলে কী?

এইডস হলো, Acquired Immunodeficiency Syndrome. একে আমরা সংক্ষেপে এইডস বলি। এটি আসলে একটি ভাইরাসের আক্রমণের কারণে হতে পারে। এই ভাইরাসকে আমরা বলি এইচআইভি/HIV ভাইরাস। HIV মানে Human Immunodeficiency Virus.


এইডসের কারণ কী?

 ১) অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক। 

 ২) এইচআইভির বাহক বা এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে যদি অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক হয়, তাহলে যার সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছে সে আক্রান্ত হতে পারে।

 ৩) অনিরাপদ রক্ত শরীরে যেকোন ভাবে সঞ্চালিত হলে সেখান থেকে এইচআইভি হতে পারে।

 ৪) এ ছাড়া মাদক সেবনের মাধ্যমেও হতে পারে। 

 ৫) এইচআইভি আক্রান্ত কোনো মায়ের যদি বাচ্চা হয়, তাহলে মায়ের থেকে বাচ্চার সংক্রমণ হতে পারে।

 

এইডসের লক্ষণ কী?

 আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো অনেক পরে প্রকাশ পায়। তথ্যমতে, এই রোগটি প্রকাশ পেতে ৮ থেকে ১০ বছর সময় লাগে। কেউ যদি নিজে চিকিৎসকের কাছে যায় এবং জানায় যে তার অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক রয়েছে, সে ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি রোগ নির্ণয় করা যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো প্রকাশ না পাওয়ার কারণে চিকিৎসকের কাছে রোগীরা অনেক দেরি করে আসে। HIV আক্রান্ত ব্যক্তির প্রথম থেকেই চিকিৎসা শুরু করলে ৪০/৪৫ বছর বাঁচে।


 মায়ের থেকে এইচআইভি যদি বাচ্চাদের ছড়ায়, তাহলে  বাচ্চাদের স্ক্রিনিং করা হয়। যদি বাচ্চারা নেগেটিভ হয়, তাহলে তাদের কোনো ঝুঁকি নেই। বিভিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে, এর মাধ্যমে নেগেটিভ হতে পারে। 


এইডস রোগের চিকিৎসা কীভাবে শুরু হয়?

ডাক্তারের কাছে গেলে উনারা প্রথমে তার একটি ইতিহাস নেন, কাউন্সেলিং করেন।  প্রথমেই তাকে মানসিকভাবে তৈরি করতে হয়। কারণ, এই রোগের আসলে কোনো প্রতিকার নেই। তবে ওষুধের মাধ্যমে সে ভালোভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। এই জন্য তাকে মানসিকভাবে তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি পরিবার ও স্বজনের সহযোগিতাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এইচআইভি রোগীর ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হলো, সামাজিক বাধা। রোগীকে মানসিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।


এইডস কিভাবে ছড়ায় না?

১) এইডস রোগীর গ্লাস-প্লেট কেউ ব্যবহার করলে।

 ২) এইডস রোগীর খাওয়া পানি কেউ পান করলে। 

৩) এইডস আক্রান্ত রোগীকে মশা কামড় দিলে এবং সেই মশা পরে অন্য কাউকে কামড়ালে। ৪) একজনের পোশাক আরেকজন পরলে। 

৫) চুম্বন করলে ( তবে আক্রান্ত রোগির গাল থেকে রক্ত বের হলে চুম্বন করা যাবে না, সুস্থ ব্যক্তিও আক্রান্ত হতে পারে)


*** মোট কথা এইডস রোগীর রক্ত যেকোন ভাবেই সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলেই সুস্থ ব্যক্তিও আক্রান্ত হতে পারে।

মন্তব্য করুন