প্রভাষক
১৯ জুন, ২০২৩ ০৮:০৪ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্কাউটিং এর ভূমিকা
গৌরব আর অর্জনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম স্কাউট দেশ। তবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যাত্রা শুরু অনেক আগে। ১৯০৭ সালে রবার্ট স্টিভেন্সন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব গিলওয়েল এই যুব আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা করেন।
একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে স্কাউটিং এর ভূমিকা অনেক। ডিজটাল প্রযুক্তির নিত্য নতুন উদ্ভাবনের পথ ধরে আসা চতুথ 'শিল্পাৎপ্লব বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য অগ্রগতিতে এগিয়ে যাওয়া বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক পরিকল্পনা-কর্মকৌশল গ্রহণ ও সফল বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারের প্রতিশ্রুত 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে৷ এই বাস্তবতা সামনে সরকারের নতুন লক্ষ্য “স্মার্ট বাংলাদেশ' গড়ার। 'ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত এবং উদ্ভাবনী'। অর্থাৎ সব কাজই হবে স্মার্ট।
ডিজিটাল বাংলাদেশ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি প্রেরণাদায়ী অঙ্গীকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেন৷ এ রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে বাংলাদেশ বিপ্লৰ সাধন করেছে৷ ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতায় পরিপূর্ণতা পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ'-এ রূপান্তরে কাজ শুরু হয়ে গেছে।
আজকের তরুণ, আগামীর বাংলাদেশ। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্কাউটিং এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বাংলাদেশ আজ যতদূর এগিয়েছে, ভবিষ্যতে আজকের শিশু-কিশোর-তরুণ বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। স্কাউটিং কার্যক্রমই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রগতিশীল, সৃজনশীল ও উন্নয়নের পথে সম্পৃক্ত করে দেশকে জাতির পিতার কাঙ্খিত সোনার বাংলায় রূপান্তর করতে। বাংলাদেশে বর্তমানে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২২ লাখ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাদের যুবসমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কাউটিংয়ে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও স্কাউটিংয়ে সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। মেয়েরা পিছিয়ে থাকলে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। স্কাউট সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের গুণগতমানও নিশ্চিত করতে হবে।’
স্কাউটরা সব সময় অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকে। একজন মানবিক মানুষের স্বাদ পেতে হলে অন্যের বিপদে এগিয়ে যেতে হবে। তাই দেশের প্রতিটি দুর্যোগে স্কাউট ও রোভার স্কাউট সদস্যরা সেবার মন্ত্রে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। বন্যায় পানিবন্দিদের উদ্ধার কাজ, অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার অভিযান, মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্কাউটদের সাড়া দিতে দেখা যায়। শুধু দেশে নয়, প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যরা বিভিন্ন দেশের ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করে। যা একদিকে যেমন ছাত্রজীবনকে সমৃদ্ধ করে। একই সঙ্গে দক্ষ ও যোগ্য হয়ে উঠতে সহায়তা করে। নিজের প্রতি কর্তব্য পালন, সৃষ্টিকর্তার প্রতি কর্তব্য পালন এবং অপরের প্রতি কর্তব্য পালন এই তিন মূল মন্ত্র নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে স্কাউটরা। স্কাউটদের মূলমন্ত্র হচ্ছে কাব স্কাউট যথাসাধ্য চেষ্ট করা, স্কাউট সদা প্রস্তুত এবং রোভার স্কাউট- সেবা। স্কাউটদের আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, সৎ, চরিত্রবান, কর্মোদ্যোগী, সেবাপরায়ণ, সর্বোপরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতি গঠনে স্কাউট আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিহার্য। মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা তৈরি করতে স্কাউটরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
স্কাউটিং নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও জীবনধর্মী প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে তরুণদের মাঝে আধুনিক, প্রগতিশীল ও সৃজনশীল গুণাবলী বিকশিত হয়। ফলে স্কাউট সদস্যরা সেবার মন্ত্রে দীক্ষিত হচ্ছে এবং সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলছে। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার স্তম্ভ হবে চারটি। যথা: স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি। ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে স্কাউটরা। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে তরুণদের উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি স্কাউটদেরকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে।
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন স্মার্ট জেনারেশন। সরকার প্রধান স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে যে চারটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে অগ্রসর হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন, তাতে স্পষ্টই বোঝা যায় যে দেশের এই চারটি খাতকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট খাত হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। আজকের শিক্ষার্থীরা স্মার্ট জেনারেশন তথা স্মার্ট সিটিজেন তৈরির অন্যতম মূল কারিগর। এজন্য তরুণ প্রজন্মের স্কাউটদেরকে তথ্য প্রযুক্তিতে উন্নত করার কোন বিকল্প নেই। যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ যেমন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হবে, তারাই পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার ক্ষেত্রে দৃঢ প্রত্যয়ী হবে।
মুখস্থ বিদ্যার ওপর নির্ভর না করে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ক্লাব, রোবোটিকস, স্কাউটিং, ডিবেটিংসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবে তারাই রুচিশীল ও মার্জিত আচরণের মাধ্যমে গড়ে তুলবে বাংলাদেশ। তথ্য প্রযুক্তি মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্মার্ট জেনারেশনকে হতে হবে আরও সচেতন। সকল প্রকার মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর অপরাধ পরিহার করে গুজবের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। তাহলেই স্মার্ট জেনারেশনের হাত ধরেই স্মার্ট বাংলাদেশের প্রথম উপাদান স্মার্ট সিটিজেন নিশ্চিত হবে।
স্কাউটিংয়ের শিক্ষা ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে কাজে লাগানো গেলে জাতীয় উন্নয়ন গতিশীল হবে। স্কাউটিং কর্মকাণ্ড নতুন প্রজন্মকে আধুনিক, গতিশীল ও সৃজনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। স্কাউটিং সমাজকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে। আগামী দিনে স্কাউটরাই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। বিভিন্ন সমাজ সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে গণসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো, পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, ভবন ধস ও অগ্নিকাণ্ডসহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধার অভিযানে এগিয়ে আসে স্কাউটরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকারের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সহযোদ্ধা হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে স্কাউট সদস্যরা। শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা অপরিহার্য। এই অভিলক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে তৈরি হবে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সোসাইটি ও স্মার্ট ইকোনমি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনী বাংলাদেশ। তিনি স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট ভিলেজ বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট ট্রান্সপোর্টেশন, স্মার্ট ইউটিলিটিজ, নগর প্রশাসন, জননিরাপত্তা, কৃষি, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবটিক্স, মাইক্রোচিপ ডিজাইনিং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ও সাইবার সিকিউরিটি এই চারটি প্রযুক্তিতে আমাদের মনোযোগী হতে হবে মর্মে উল্লেখ করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে ভিত্তি তৈরি করে গেছেন, সে পথ ধরেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এক যুগের বেশি পথচলায় প্রমাণিত হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক উন্নয়ন দর্শন। এখন সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’এ রূপান্তর করা। এক্ষেত্রে, ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে যদি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে আমরা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি , তাহলে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি এই চারটি মূল ভিত্তির ওপর নির্ভর করে আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলা সম্ভবপর হবে মর্মে আমরা আশাবাদী।
স্মার্ট সিটি এমন নগরায়ন হবে যেখানে ন্যুনতম পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করে কোনো একটি শহরের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য উন্নততর জনবান্ধব সেবা প্রদানে আধুনিক প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগানো হবে। স্মার্ট ভিলেজ হবে এমন এক গ্রামীণ জনগোষ্ঠী যেখানে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং উন্মুক্ত উদ্ভাবনী প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারের মাধ্যমে স্থানীয় নাগরিকরা বিশ্ব বাজারে সাথে যোগাযোগের সুযোগ পাবে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে উন্নত করা, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বিকাশে স্মার্ট ভিলেজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
“স্মার্ট বাংলাদেশ' বলতে স্মার্ট নাগরিক, সমাজ. অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার গড়ে তোলা হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তর হবে। বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাইজেশন করা হবে। মনে রাখতে হবে, স্মার্ট বাংলাদেশ কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নয়, দেশের ১৬ কোটি মানুষের ধ্যানজ্ঞান ও চিন্তা-ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে। দেশপ্রেমিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে স্কাউট আগামী দিনগুলোতে সেবামূলক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করবে। বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরে স্কাউটদেরকে অগ্রসৈনিক হিসেবে ২০৪১ সালের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত হতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সিটিজেন গড়ার ক্ষেত্রে যে দক্ষ ছাত্রসমাজ এবং ছাত্রবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা দরকার সে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ার ক্ষেত্রে স্কাউটিং এর মাধ্যমে গৌরবোজ্জ্বল ধারা অব্যাহত রাখবে।
৫৩
৯১ মন্তব্য