Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ জুলাই, ২০২৩ ০৮:১৭ পূর্বাহ্ণ

বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, জাদুকর এবং সঙ্গীতজ্ঞ অজিতকৃষ্ণ বসু।

আজ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, জাদুকর এবং সঙ্গীতজ্ঞ অজিতকৃষ্ণ বসু।


বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, জাদুকর এবং সঙ্গীতজ্ঞ অজিতকৃষ্ণ বসু। অজিতকৃষ্ণ বসু বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গ্যান্ডেরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন । পড়াশোনা ঢাকার ই জগন্নাথ কলেজ ও কলকাতার স্কটিশচার্চ কলেজে। 


ডি জে কিমার ও ডাকব্যাক কোম্পানিতে বিজ্ঞাপন ও প্রচারের কাজে কর্মজীবন শুরু করেন অজিতকৃষ্ণ বসু। পরে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন গোবরডাঙা কলেজ ও আশুতোষ কলেজে।


অজিতকৃষ্ণ বসু প্রধানত রসসাহিত্যিক হলেও জাদুবিদ্যা ও সঙ্গীতেও তিনি পারদর্শি ছিলেন।অজিতকৃষ্ণ বসু অ কৃ ব নামেই তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন। 


১৯২৬-এ, মাত্র ১৪ বছর বয়সে ‘খোকাখুকু’ মাসিকপত্রে প্রকাশিত অনুবাদ-কবিতা দিয়ে লেখালিখির সূত্রপাত করেন অজিতকৃষ্ণ বসু।

কৌতুকরসের কবিতা-গল্প-উপন্যাসই লিখেছেন বেশি। 


‘শনিবারের চিঠি’তে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত ‘পাগলা গারদের কবিতা’ তাঁর অন্যতম সেরা রচনা। ইংরেজি কৌতুককবিতা লিখেছেন ‘শঙ্করস উইকলি’তেও। 


জাদুসম্রাট পি সি সরকারের বাল্যবন্ধু অজিতকৃষ্ণ জাদুবিদ্যা নিয়ে লেখালিখিও করেছেন প্রচুর । সঙ্গীতশিক্ষার হাতেখড়ি নিয়েছেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী মান্না দে'র চাচা  কৃষ্ণচন্দ্র দে’র কাছে।


শাস্ত্রীয় সংগীতের  তালিম নিয়েছেন উস্তাদ গুল মহম্মদ খাঁ ও তারাপদ চক্রবর্তীর কাছে। সে কথা আছে অজিতকৃষ্ণ বসুর রচনা  ওস্তাদ কাহিনী গ্রন্থে।


‘ও এক নদী বহু তরঙ্গ’ ,’বিধাতা’ (১৯৬৩), ‘চন্দনপুরের কাহিনী’ (১৯৬৬), ‘ম্যরিনা ক্যান্টিন’ (১৯৬৭), ‘নন্দিনী সোম’, ‘সৈকত সুন্দরী’ প্রভৃতি অজিতকৃষ্ণ বসুর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। 


কবিতার পাশাপাশি ছোটগল্প ও উপন্যাস রচনাতেও 

অজিতকৃষ্ণ বসুর প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। ‘শেষ বসন্ত’ (১৯৬৩), ‘প্রজ্ঞাপারমিতা’(১৯৬৬), ‘শকুন্তলা স্যানাটরিয়াম’ প্রভৃতি তাঁর উপন্যাস। 


এছাড়া অজিতকৃষ্ণ বসুর বিচিত্র গল্পসংকলন (১৯৭৬) তাঁর ছোটগল্প সংকলনের মধ্যে অন্যতম । তিনি মার্ক টোয়েন এবং ন্যথালিয়েন হর্নের বেশ কিছু গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।


 সাহিত্যরচনার পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে  জাদুবিদ্যা প্রদর্শন করে তিনি সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।  এবং সঙ্গীত চর্চাতেও অজিতকৃষ্ণ বসুর উপস্থিতি ও অনুরাগ বিশেষ ভাবে লক্ষ করা যায়।


 সরস শব্দ চয়ন, হাস্য রসাত্মক বাক্যবিন্যাস এবং লেখনিশক্তির অসামান্য দক্ষতায় অজিতকৃষ্ণ বসু যে সৃষ্টিরাজি সাহিত্যপ্রেমী মানুষদের উপহার দিয়েছেন, তাতে তিনি পাঠক-হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে আছেন।


অজিতকৃষ্ণ বসু  ৩ জুলাই, ১৯১২ সালে  বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। – তিনি ৭ ই মে, ১৯৯৩ সালে ইহকাল ত্যাগ করে পরপারে চলে যান।শুভ জন্মদিনের শ্রদ্ধার্ঘ্য?♥️ ????

মন্তব্য করুন