Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ জুলাই, ২০২৩ ১২:০০ অপরাহ্ণ

বিজ্ঞানের ১০ টি আবিষ্কার যা বদলে দিয়েছিল বিশ্বকে ১

আদিম যুগ থেকে মানুষ বেঁচে থাকার তাগিদে কিংবা জীবনযাপন কে কিছুটা সহজ করতে বিভিন্ন উপায় খুঁজে বের করত, আবিষ্কার করত বিভিন্ন ধরনের জিনিস। তারা বিভিন্ন অস্ত্র ও সরল যন্ত্র তৈরি করত জীবনের ঝুঁকি কমাতে ও পরিশ্রম লাঘব করতে। নতুন নতুন উপায় ও পদ্ধতি দিয়ে বদলে ফেলত নিজেদের জীবনযাপনের ধারা। আগুন দিয়ে কিভাবে খাবার পুড়িয়ে খেতে হয় অথবা কিভাবে ঘর বানিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে হয় সবই মানব সভ্যতা আয়ত্ত করেছে ধীরে ধীরে। মানুষের এই নতুনের প্রতি আকাঙ্ক্ষা আর আবিষ্কারের নেশা মানুষকে ক্রমাগত এগিয়ে নিয়ে গেছে সামনের দিকে।

বিজ্ঞান বলতে আমরা বুঝি কোন বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান, আর এই বিশেষ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মানুষ যা কিছু আবিষ্কার করেছে তা ই হল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। তাই বলা যায় যে বিজ্ঞানের চর্চা মানুষ সে আদিম যুগ থেকেই করে আসছে। আদিম যুগ থেকেই মানুষ তাদের বিশেষ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে একের পর এক উদ্ভাবন করেছে নানান যন্ত্র ও পদ্ধতি।

তবে মানব ইতিহাসে এমন কিছু আবিষ্কার আছে যা কি না পরিবর্তন করে দিয়েছিল পুরো বিশ্বকে। আজ আমরা বিজ্ঞানের এমনই ১০ টি আবিষ্কার সম্পর্কে জানব, জানব কি ছিল এর পেছনের ইতিহাস। [এখানে কোন ক্রম অনুযায়ী সাজানো হয় নি]


১। চাকা 

সম্ভবত মানুষের জীবন ধারাকে আমূল বদলে দেওয়া প্রথম আবিষ্কারটি ছিল চাকা। অনেকের মনে হতে পারে এটি আবার এমন কি আবিষ্কার। কিন্তু ৩৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এই সামান্য আবিষ্কারটিই ছিল বিজ্ঞানের অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

একবার ভেবে দেখুন তো, বর্তমান সময়ে আমরা কতটা চাকার উপর নির্ভরশীল। দ্রুত একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমন কিংবা ভারী মালপত্র বহনে আমরা যে যানবাহনের ব্যাবহার করি তার সূত্রপাত এই চাকার হাত ধরেই। সভ্যতার অগ্রগতিতে আমরা জলে, স্থলে বা আকাশে গমন করতে পারে এমন অনেক বাহন পেয়েছি কিন্তু সবকিছুর সূত্রপাত হয়েছে ৩৬০০ খৃষ্টপূর্বাব্দের দিকে চাকা আবিষ্কারের মধ্য দিয়েই। সভ্যতার শুরুতে মানুষকে পায়ে হেটে পথ পাড়ি দিতে হত। মালপত্র পরিবহন থেকে শুরু করে যে কোন পরিবহনের জন্য মানুষকে নির্ভর করতে হত কায়িক শ্রমের উপর। মাঝে মাঝে মানুষ বিভিন্ন পশুকে তাদের এই পরিবহন মাধ্যম হিসেবে ব্যাবহার করত। কিন্তু সেটিও ছিল বেশ সংক্ষিপ্ত।

তবে চাকার আবিষ্কার বলতে ব্যাপারটি এমন ছিল না যে বৃত্তাকার বা সিলিন্ডার আকৃতির কোন কাঠামো তৈরি। সেরকম কোন কাঠামো মানুষ তারও আগেই শিখে ফেলেছিল। কঠিন বিষয়টি ছিল কিভাবে এই বৃত্তাকার কাঠামোকে কোন মজবুত ও স্থির কোন কাঠামোর সাথে যুক্ত করা যা চাকা গুলোকে ঘুরতে সাহায্য করবে। আর এই উপায়টিই মানুষ এই সময়ে এসে আয়ত্ত করে। আবার সভ্যতার সে সময়টিতে মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞানে একদম পিছিয়েও ছিল না। তখন মানুষ শিখে গিয়েছিল কিভাবে ধাতুর সংকর তৈরি করতে হয় এবং তা দিয়ে কিছু সূক্ষ্ম ও জটিল যন্ত্রপাতিও আবিষ্কার করতে হয়। শুধু সমস্যা টা ছিল এমন কোন আবিষ্কারের যার মাধ্যমে তাদের সময় ও পরিশ্রম দুই ই লাঘব হবে। এভাবে ধীরে ধীরে তারা সিলিন্ডার আকৃতির কোন কাঠামোকে মজবুত ও স্থির কোন কাঠামোর সাথে যুক্ত করে সেটিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গড়িয়ে নিতে পারে এমন পদ্ধতির আবিষ্কার করে।


মন্তব্য করুন

ব্লগ