সহকারী শিক্ষক
১৩ জুলাই, ২০২৩ ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
টেলিফোন আবিষ্কার ছিল বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি কল্পনাতীত অধ্যায়। একবার ভাবুন তো, আমরা আধুনিক যুগে এসেও যখন মোবাইল ফোনে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্য-প্রান্তে, দূর থেকে দূরান্তে কারও সাথে কথা বলি, একটু হলেও কি অবাক হই না। তাহলে বুঝুন এই যন্ত্র আবিষ্কারের পর মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল। বিজ্ঞানের এমন অনেক আবিষ্কার আছে যা আবিষ্কারের পূর্বে কাউকে বললে সে নির্ঘাত আপনাকে পাগল বলবে। টেলিফোন আবিষ্কার ছিল তেমনই একটা ব্যাপার।
আলেক্সেন্ডার গ্রাহামবেল কে টেলিফোনের আবিষ্কারক হিসেবে ধরা হলেও এ নিয়ে কিছুটা দ্বন্দ্ব আছে। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল এবং ইলিশা গ্রে উভয়ই ওয়াশিংটনের পেটেন্ট অফিসে ১৮৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেলিফোন আবিষ্কারের পেটেন্ট এপ্লিকেশন জমা দেন। তবে গ্রাহামবেলের আবেদন টি আগে নিবন্ধিত হয়। ১৮৭৬ সালের মার্চে এই পেটেন্টটি নিবন্ধিত হয়। ১৮৭৬ সালের জুনে ফিলাডেলফিয়ার বিশ্ব প্রদর্শনীতে বেল প্রথমবারের মতো এক বিশাল দর্শক উপস্থিতির সামনে তার আবিষ্কৃত টেলিফোন উপস্থাপন করেছিলেন। এই যন্ত্রটি সফলতার সাথে একপ্রান্তে উচ্চারিত শব্দ অপর প্রান্তে পৌঁছে দিতে পারত।
অবশ্য গ্রামবেলের টেলিফোনটি ব্যাবহারিক ক্ষেত্রে খানিকটা কষ্টসাধ্য ছিল। তবে ১৮৭৭ সালে বেল টেলিফোন কোম্পানি টেলিফোনকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করে উৎপাদন শুরু করে এবং ক্রমান্বয়ে ইউরোপের বাজারে ছড়িয়ে দিতে থাকে।
৫৩
৯২ মন্তব্য