এতে আছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম ও
ভিটামিন ডি, যা হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক। মহিলাদের টক দই বেশী প্রয়োজন, কেননা
তারাই ক্যালসিয়ামের অভাবে বেশী ভোগেন।
টক দইয়ের ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত উপকারী।
এটা শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে হজম
শক্তি বৃদ্ধি করে।
টক দই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
এছাড়া ঠান্ডা, সর্দি, জ্বরকে দূরে রাখে।
টক দইয়ে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা কোষ্টকাঠিন্য
দূর করে ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। এটি কোলন ক্যান্সার রোগীদের খাদ্য হিসাবে উপকারী।
যারা দুধ খেতে পারেন না বা দুধ যাদের
হজম হয় না, তারা অনায়াসেই টক দই খেতে পারেন। কারণ টক দইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজপাচ্য।
ফলে স্বল্প সময়ে হজম হয়।
টক দই ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এর আমিষের
জন্য পেট ভরা বোধ হয় ও শরীরে শক্তি পাওয়া যায়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করতে
ইচ্ছে করে না। আর অতিরিক্ত খাবার খাওয়া বন্ধ হ’লে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
টক দই শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
রাখে। প্রতিদিন মাত্র এক কাপ করে টক দই খেলে উচ্চ রক্তচাপ প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে
যায় এবং স্বাভাবিক হয়ে আসে। এছাড়া এটি রক্তের খারাপ কোলেষ্টেরলের মাত্রাও কমিয়ে
দেয়।
হার্টের অসুখ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা
টক দই খেলে রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
টক দই শরীরে টক্সিন জমতে দেয় না। ফলে
অন্ত্রনালী পরিস্কার থাকে। যা শরীরকে সুস্থ রাখে ও বার্ধক্য রোধে সাহায্য করে।
৭১
১৪৫ মন্তব্য