Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ আগস্ট, ২০২৩ ০৩:৪৪ অপরাহ্ণ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং (Bullying)/র‍্যাগিং (Ragging) প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩

কোন স্টুডেন্ট কে বেনামে ডাকা, কটুকথা বলা, খোজা দেওয়াও র‌্যাকিং ও বুলিং হবে সেটি আগে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের বুঝতে হবে – শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং – র‌্যাগিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৩

বুলিং বা র‌্যাগিং কি? – বুলিং বা র‍্যাগিং হলো ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতিকর/বেদনাদায়ক এবং আক্রমনাত্মক ব্যবহার, যা যার প্রতি করা হয় তার নিজেকে তা হতে রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে যায়। বুলিং/র‍্যাগিং শারীরিক বা মানসিক হতে পারে, একজন অথবা দলবদ্ধভাবে করতে পারে। ব্যঙ্গ করে নাম ধরে ডাকা, বদনাম করা, লাথি মারা, বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি করা বা উত্যক্ত করা, এমনকি অবহেলা বা এড়িয়ে চলে মানসিক চাপ দেওয়া বুলিং/র‍্যাগিং এর পর্যায়ে পড়ে। বুলিং/র‍্যাগিং ভিকটিমের পীড়া অথবা বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

শুধুমাত্র সহপাঠী বা শিক্ষার্থী নয় শিক্ষক/অভিভাবকদের দ্বারাও বুলিং/র্যাগিং হতে পারে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং/র‍্যাগিংকারী শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীরা সাধারণত দুর্বল শিক্ষার্থীকে বেছে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে নিজেদেরকে জাহির করার লক্ষ্যে ভিকটিমকে হাসির পাত্র হিসেবে উপস্থাপন করা এর প্রধান উদ্দেশ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং/র‍্যাগিং বিষয়টি বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। এর ফলে শিক্ষাজীবনে শিক্ষার্থীর সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

যেসব শিক্ষার্থী এর শিকার হয়-তাদের মধ্যে বিষণ্নতা, ভীতসন্ত্রস্ততা, খিটখিটে মেজাজ এবং নিজেকে হেয় করে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়। বুলিং/র‍্যাগিং প্রতিরোধ না করলে সমাজে গঠনমূলক নেতৃত্ব ও সুনাগরিকের অভাব পরিলক্ষিত হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুলিং/র‍্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছে কিনা বা কাউকে বুলিং/র‍্যাগিং করছে কিনা, দু’দিকেই সজাগ থাকা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রয়োজন। এ প্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং/র‍্যাগি এর মত ঘটনা যাতে না ঘটে সে লক্ষ্যে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হল।

মন্তব্য করুন