Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ আগস্ট, ২০২৩ ০৬:১২ পূর্বাহ্ণ

অপাদান ও অধিকরণের প্রকারভেদ, অভিজিৎ কুমার মন্ডল। ০১৭৬৬-৯৯৪২৪১.০১৯৭৬-৯৯৪২৪১

অপাদান কারকের উদাহরণ

  • বিচ্যুত গাছ থেকে পাতা পড়ে।
  • গৃহীত শুক্তি থেকে মুক্তো মেলে।
  • জাত জমি থেকে ফসল পাই।
  • বিরত পাপে বিরত হও।
  • দূরীভূত দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
  • রক্ষিত বিপদ থেকে বাঁচাও।
  • আরম্ভ সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
  • ভীত বাঘকে ভয় পায় না কে?

অধিকরণ কারক

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ এ/য়/তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।

অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা:

  • কালাধিকরণ: সময় বুঝালে কালাধিকরণ হবে। যেমন: প্রভাতে সূর্য উঠে।
  • ভাবাধিকরণ: যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়।
  • আধারাধিকরণ: আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত:

১. ঐকদেশিক আধারাধিকরণ: বিশাল স্থানের যে কোনো অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে। উদাহরণ: পুকুরে মাছ আছে (পুকুরের যে কোনো একস্থানে)। সামীপ্য অর্থেও ঐকদেশিক আধারাধিকরণ হয়। উদাহরণ: ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে (ঘাটের কাছে)।

২. অভিব্যাপক আধারাধিকরণ: উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে, তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে। যেমন: তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী।)

মন্তব্য করুন

ব্লগ