সহকারী শিক্ষক
২৬ আগস্ট, ২০২৩ ০৮:৫১ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ওয়াইফাই এর পূর্ণরূপ হল ওয়্যারলেস ফেডিলিটি (wireless fidelity) । ওয়াইফাই হলো এক ধরনের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক টেকনোলজি (wireless network technology) । যার মাধ্যমে হাই স্পিড ইন্টারনেট বা হাই স্পিড নেটওয়ার্ক radio signal এর দ্বারা provide করে। WiFi হলো wireless প্রযুক্তি, wifi আবিষ্কার করেন john o'sullivan ১৯৯৭ সালে।
ওয়াইফাই টেকনোলজিতে এমন একটা ডিভাইস থাকে যা wireless signal কে ট্রান্সমিট করে এটি সাধারণত ওয়াইফাই রাউটার (wifi router) বা hotspot হয়ে থাকে সেই রাউটারটি আইএসপি থেকে আসা ইন্টারনেটকে রেডিও তরঙ্গে কনভার্ট করে একটি নির্দিষ্ট এরিয়ায় ছড়িয়ে যা WiFi zone নামে পরিচিত। এবং সেই ওয়াইফাই জোন টি wireless local area network আকার ধারণ করে। এবং ওই নির্দিষ্ট স্থানে থাকা যতগুলো ডিভাইস আছে যেমন laptop, computer, mobile, tablet, printer এই ডিভাইসগুলি হটস্পট দ্বারা খুব সহজেই কানেক্ট হতে পারে
১. এক বা একাধিক ডিভাইসে WiFi সংযোগ করে ইন্টারট ব্যবহার করা হয়। মোবাইল ল্যাপটপ কম্পিউটার ট্যাবলেট একাধিক ডিভাইস আপনি ওয়াইফাই সংযোগ করতে পারবেন।
২. ওয়াইফাই স্পিড মোবাইল ডাটা থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তবে আপনি ওয়াইফাই প্যাক এর জন্য যত বেশি টাকা রিচার্জ করবেন তত বেশি স্পিড পাবেন।
৩. বর্তমানে smart TV তে WiFi সংযোগ করে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
৪. বর্তমানে ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন ডাটা ক্যাবল ব্যবহার না করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে আপনারা যে কোন ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন। যেমন shareit, xender ইত্যাদি অ্যাপসের মাধ্যমে।
Wi-Fi এর সুবিধাই বেশি। ওয়াইফাই এর অসুবিধা বলতে গেলে খুবই কম। ওয়াইফাই এর অসুবিধা গুলো কি কি সেগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে ।
১. নির্দিষ্ট WiFi Zone এর বাইরে চলে গেলে আপনারা ওয়াইফাই সংযোগ করে internet ব্যবহার করতে পারবেন না। WiFi মূলত ৩০-১০০ মিটারের মধ্যে এক্সেস করে । এর বেশি দূর থেকে ওয়াইফাই সংযোগ করে ইন্টার্নেট ব্যবহার করতে পারবেন না ।
২. WiFi খুব একটা secure না ।
৫৩
৯১ মন্তব্য