ভাত শালিক
ভাত শালিক এমন একটি পাখি যা বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান ভারত, মায়ানমার প্রভৃতি দেশেও এই পাখিরা বাস করে। গাছের ফোকরে বা গাছের ডাল-পালার মধ্যে খড়কুটো বা ঐ জাতীয় জিনিষপত্র দিয়ে বাসা বানায়।
বৈশিষ্ট্য
- ১. ভাত শালিক মানুষের বসতির কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে।
- ২. এরা আকারে বুলবুল বা কবুতরের মত।
- ৩. ভাত শালিক দলবদ্ধ ও জোড়ায় জোড়ায় থাকতে পছন্দ করে।
- ৪. বিপদে-আপদে দলবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করে।
- ৫. মিষ্টি ও কর্কশ দু’রকম স্বরেই চেঁচামেচি করতে পারে।
- ৬. আম গাছ বা ঐ জাতীয় গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে একসাথে থাকে।
- ৭. ভাত শালিককে পোষ মানান যায় এবং কথাও শেখানো যায়।
চেনার উপায়
- ১. ভাত শালিক আকারে ২৩ সে.মি.হয়।
- ২. ভাত শালিকের গায়ের রং গাঢ় খয়েরী হলেও বুকের অংশে ছাই রঙের দেখা মিলে।
- ৩. এদের ঠোঁট, পা এবং চোখের নিচে ও পাশে লোমহীন ও গাঢ় হলুদ চামড়া থাকে।
- ৪. স্ত্রী ও পুরুষ দেখতে প্রায় একই রকম।
ভাত শালিকের খাদ্যাভ্যাস
- সব রকমের খাবারই এরা খেয়ে থাকে যেমন: পোকা-মাকড়, ফল-ফলাদি, ভাত, ধান, গম ইত্যাদি।
ভাত শালিকের প্রজনন
- ১. ভাত শালিকের প্রজননকাল মার্চ হতে জুন মাস পর্যন্ত।
- ২. এরা বছরে ১ থেকে ২ বার ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা ফোটায় পর্যন্ত ডিম পাড়ে।
- ৩. এদের ডিম লম্বাটে ও খোসা শক্ত। ডিমের রং নীলচে সবুজ।
- ৪. পুরুষ ও স্ত্রী দুজনেই ডিমে তা দেয়, বাচ্চা ফুটায় ও প্রতিপালন করে।
০
০ মন্তব্য