সহকারী শিক্ষক
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৭:২৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ইসলামী শরী'আতে শাস্তি তিন প্রকার। যথাঃ
১। যে শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর করার দায়িত্ব অপরাধীর নিজের উপর ন্যস্ত করেছেন। যেমন বিভিন্ন ধরনের কাফফারা।
২। ঐ সমস্ত শাস্তি যা আল্লাহর কিতাব বা রাসুল (সাঃ) -এর হাদীস দ্বারা নির্দিষ্ট এবং এগুলো কার্যকর করার দায়িত্ব সরকারের। এক্ষেত্রে বিচারক বা সরকারের নিজস্ব মতামতের কোন সুযোগ নেই। এ শাস্তি দু'ধরনেরঃ হদ্দ ও কিসাস (বিধিবদ্ধ শাস্তি) এ অপরাধে একদিকে যেমন সৃষ্ট জীবের প্রতি অন্যায় করা হয়, অন্যদিকে তেমনি স্রষ্টার নাফরমানীয়ও করা হয়। ফলে অপরাধী আল্লাহ ও তাঁর বান্দা উভয়ের নিকট দোষী বলে বিবেচিত হয়। যে অপরাধে আল্লাহর হকের পরিমাণ প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'হদ্দ' আর যে অপরাধে বান্দার হককে শরী'আতের বিচারে প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'কিসাস' বলে। হদ্দ ও কিসাসের মধ্যে আরো একটি পার্থক্য এই যে, হদ্দকে আল্লাহর হক হিসাবে প্রয়োগ করা হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা করলেও হদ্দ অব্যবহার্য হবে না। যেমন, যার সম্পদ চুরি যায়, সে ক্ষমা করলেও চোরকে নির্ধারিত শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু 'কিসাস' -এর বিপরীত। কিসাসে বান্দার হক প্রবল হওয়ার কারণে হত্যা প্রমাণ হওয়ার পর হত্যাকারীর বিষয়টি নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর ইসলামী শরী'আতে শাস্তি তিন প্রকার। যথাঃ ১। যে শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর করার দায়িত্ব অপরাধীর নিজের উপর ন্যস্ত করেছেন। যেমন বিভিন্ন ধরনের কাফফারা। ২। ঐ সমস্ত শাস্তি যা আল্লাহর কিতাব বা রাসুল (সাঃ) -এর হাদীস দ্বারা নির্দিষ্ট এবং এগুলো কার্যকর করার দায়িত্ব সরকারের। এক্ষেত্রে বিচারক বা সরকারের নিজস্ব মতামতের কোন সুযোগ নেই। এ শাস্তি দু'ধরনেরঃ হদ্দ ও কিসাস (বিধিবদ্ধ শাস্তি) এ অপরাধে একদিকে যেমন সৃষ্ট জীবের প্রতি অন্যায় করা হয়, অন্যদিকে তেমনি স্রষ্টার নাফরমানীয়ও করা হয়। ফলে অপরাধী আল্লাহ ও তাঁর বান্দা উভয়ের নিকট দোষী বলে বিবেচিত হয়। যে অপরাধে আল্লাহর হকের পরিমাণ প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'হদ্দ' আর যে অপরাধে বান্দার হককে শরী'আতের বিচারে প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'কিসাস' বলে। হদ্দ ও কিসাসের মধ্যে আরো একটি পার্থক্য এই যে, হদ্দকে আল্লাহর হক হিসাবে প্রয়োগ করা হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা করলেও হদ্দ অব্যবহার্য হবে না। যেমন, যার সম্পদ চুরি যায়, সে ক্ষমা করলেও চোরকে নির্ধারিত শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু 'কিসাস' -এর বিপরীত। কিসাসে বান্দার হক প্রবল হওয়ার কারণে হত্যা প্রমাণ হওয়ার পর হত্যাকারীর বিষয়টি নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর ইখতিয়ারে ছেড়ে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে বিচার বিভাগের মাধ্যমে কিসাস হিসাবে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে কিংবা দিয়াত-রক্তপণ গ্রহণ করতে পারে কিংবা ক্ষমা করে দিতে পারে। ৩। ইসলামী শরী'আত সেসব অপরাধের শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারণ করেনি। বরং বিচারকের বিবেচনার উপর ছেড়ে দিয়েছে। তাকে বলে তাযীব বা দণ্ডবিধি। বিচারক স্থান, কাল ও পরিবেশ বিবেচনা করে অপরাধ দমনের জন্য যেমন ও যতটুকু শাস্তির প্রয়োজন মনে করেন, ততটুকুই দিবেন। এক্ষেত্রে সরকার নিজস্ব আইন প্রণয়ন করতে পারে এবং বিচারককে তা মেনে চলতে বাধ্য করতে পারেন। অবস্থানুযায়ী তাযীরকে লঘু থেকে লঘুতর, কঠোর থেকে কঠোরতর এবং ক্ষমাও করা যায়। তাযীরের ক্ষেত্রে ন্যায়ের অনুকুলে সুপারিশ গ্রহণ করা যায়। কিন্তু হদ্দের বেলায় সুপারিশ ক
ইসলামী শরী'আতে শাস্তি তিন প্রকার। যথাঃ
১। যে শাস্তি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর করার দায়িত্ব অপরাধীর নিজের উপর ন্যস্ত করেছেন। যেমন বিভিন্ন ধরনের কাফফারা।
২। ঐ সমস্ত শাস্তি যা আল্লাহর কিতাব বা রাসুল (সাঃ) -এর হাদীস দ্বারা নির্দিষ্ট এবং এগুলো কার্যকর করার দায়িত্ব সরকারের। এক্ষেত্রে বিচারক বা সরকারের নিজস্ব মতামতের কোন সুযোগ নেই। এ শাস্তি দু'ধরনেরঃ হদ্দ ও কিসাস (বিধিবদ্ধ শাস্তি) এ অপরাধে একদিকে যেমন সৃষ্ট জীবের প্রতি অন্যায় করা হয়, অন্যদিকে তেমনি স্রষ্টার নাফরমানীয়ও করা হয়। ফলে অপরাধী আল্লাহ ও তাঁর বান্দা উভয়ের নিকট দোষী বলে বিবেচিত হয়। যে অপরাধে আল্লাহর হকের পরিমাণ প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'হদ্দ' আর যে অপরাধে বান্দার হককে শরী'আতের বিচারে প্রবল ধরা হয়েছে, তার শাস্তিকে 'কিসাস' বলে। হদ্দ ও কিসাসের মধ্যে আরো একটি পার্থক্য এই যে, হদ্দকে আল্লাহর হক হিসাবে প্রয়োগ করা হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা করলেও হদ্দ অব্যবহার্য হবে না। যেমন, যার সম্পদ চুরি যায়, সে ক্ষমা করলেও চোরকে নির্ধারিত শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু 'কিসাস' -এর বিপরীত। কিসাসে বান্দার হক প্রবল হওয়ার কারণে হত্যা প্রমাণ হওয়ার পর হত্যাকারীর বিষয়টি নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর ইখতিয়ারে ছেড়ে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে বিচার বিভাগের মাধ্যমে কিসাস হিসাবে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে কিংবা দিয়াত-রক্তপণ গ্রহণ করতে পারে কিংবা ক্ষমা করে দিতে পারে।
৩। ইসলামী শরী'আত সেসব অপরাধের শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারণ করেনি। বরং বিচারকের বিবেচনার উপর ছেড়ে দিয়েছে। তাকে বলে তাযীব বা দণ্ডবিধি। বিচারক স্থান, কাল ও পরিবেশ বিবেচনা করে অপরাধ দমনের জন্য যেমন ও যতটুকু শাস্তির প্রয়োজন মনে করেন, ততটুকুই দিবেন। এক্ষেত্রে সরকার নিজস্ব আইন প্রণয়ন করতে পারে এবং বিচারককে তা মেনে চলতে বাধ্য করতে পারেন। অবস্থানুযায়ী তাযীরকে লঘু থেকে লঘুতর, কঠোর থেকে কঠোরতর এবং ক্ষমাও করা যায়। তাযীরের ক্ষেত্রে ন্যায়ের অনুকুলে সুপারিশ গ্রহণ করা যায়। কিন্তু হদ্দের বেলায় সুপারিশ ক
ইখতিয়ারে ছেড়ে দেয়া হয়। সে ইচ্ছা করলে বিচার বিভাগের মাধ্যমে কিসাস হিসাবে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে কিংবা দিয়াত-রক্তপণ গ্রহণ করতে পারে কিংবা ক্ষমা করে দিতে পারে।
৩। ইসলামী শরী'আত সেসব অপরাধের শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারণ করেনি। বরং বিচারকের বিবেচনার উপর ছেড়ে দিয়েছে। তাকে বলে তাযীব বা দণ্ডবিধি। বিচারক স্থান, কাল ও পরিবেশ বিবেচনা করে অপরাধ দমনের জন্য যেমন ও যতটুকু শাস্তির প্রয়োজন মনে করেন, ততটুকুই দিবেন। এক্ষেত্রে সরকার নিজস্ব আইন প্রণয়ন করতে পারে এবং বিচারককে তা মেনে চলতে বাধ্য করতে পারেন। অবস্থানুযায়ী তাযীরকে লঘু থেকে লঘুতর, কঠোর থেকে কঠোরতর এবং ক্ষমাও করা যায়। তাযীরের ক্ষেত্রে ন্যায়ের অনুকুলে সুপারিশ গ্রহণ করা যায়। কিন্তু হদ্দের বেলায় সুপারিশ করা এবং তা শোনা উভয়ই নাজায়িয।
১
১ মন্তব্য