সহকারী শিক্ষক
০৪ নভেম্বর, ২০২৩ ০১:০৪ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
হরতকি ফলটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফুট্রোজ ও বিটা সাইটোস্টাবেল সমৃদ্ধ। এটি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একেই সঙ্গে এটি মানব দেহের শক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে বেশ কার্যকর। হরতকি হৃদপৃন্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। এটি পরজীবী নাশক, পরিবর্তন সাধক ও অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক ও স্নায়ুবিক শক্তি বর্ধকও বটে। হরতকি কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে। স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অবসাদ ও অধিক দুর্বলতার চিকিৎসাতেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়াও আরও প্রচুর উপকারিতা রয়েছে হরতকির।
এই ফলটিতে অ্যান্থাইন কুইনোন থাকার কারণে এটি রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে হরতকি। অ্যালার্জি দূর করতে বিশেষ উপকারি হলো হরতকি। পানির মধ্যে হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে শরীরের অ্যালার্জি কমে যেতে পারে। হরতকির গুঁড়ো নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে মাথায় লাগাতে পারেন। তবে চুল খুবই ভালো থাকবে। এর গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও ঠান্ডার মধ্যে অনেকেরই গলা ব্যথা হয়ে থাকে বা অ্যালার্জিতে মুখ ফুলে যায়। এ ধরণের সমস্যা হলে হরতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে অনেকটা আরাম পাবেন।
এমনকি দাঁতের ব্যথাও ভীষণ আরাম দিতে পারে হরতকি। দাঁতের ব্যথা হলে হরতকি গুঁড়ো লাগালে ব্যথা দূর হয়ে যাবে। রাতে ঘুমানোর আগে বিট নুণের সঙ্গে দুই গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে অনায়েসেই পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে। সামান্য তেঁতো ও আকারে ছোট হলেও অনেক ভেজষ গুণে ভরপুর হলো হরতকি। মনে রাখা ভালো, হরতকি ফলটি মানব দেহে প্রবেশ করলেই উপকারিতা পাওয়া যায়। এটা এমনই একটি ফল যা শরীরে কোনো ক্ষতি করে না বরং উপকারই করে থাকে। তবে হরতকিতে কারো কোনো সমস্যা থাকলে বা ত্বকের কোনো জটিল রোগ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এটি ব্যবহার করবেন।
৫৩
৯১ মন্তব্য