প্রধান শিক্ষক
২৫ নভেম্বর, ২০২৩ ০৬:০৪ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
রোড টু চট্রগ্রাম-বান্দরবন-কক্সবাজার-রাঙামাটি ( চতুর্থ পর্ব)
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
ইনানী সী-বিচ থেকে বান্দরবনের উদ্দেশ্যে আমরা রওয়ানা হই ২৩ অক্টোবর সকাল ১১.০০ টায়। ঈদগাহ বাজার আসার পর সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নেওয়ার জন্য গাড়ি থামালে ইনানী বিচের ডাবের প্রেসার বুঝা গেল। সবাই ওয়াশ রুমে দৌড়ালো। যদিও ফিলিং স্টেশনে গ্যাস পাওয়া গেল না। ঘুড়ি ঘুড়ি বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি এগিয়ে চললো। রাস্তায় সিএনজি নিল অদ্ভুত পদ্ধতিতে। কাবার্ড ভেন থেকে কনভার্ট করে ফিলিং করলো।
দুপুরের খাবার খেলাম সাতকানিয়া সিমান্তে সীমান্তিক কাবাব এন্ড বারবি কিউ -তে। সিরাজ হায়দার চৌধুরী স্যারের বন্ধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র জনাব বায়েজিদ ভাই রেস্টুরেন্টের মালিক। তিনি খাবার শেষ মুহূর্তে এসে আমাদের সাথে যুক্ত হলেন। আমরা গাড়িতে উঠতে চাইলে উনি পুদিনা পাতা ও লেবুর চা পান করিয়ে বিদায় দিলেন। গাড়িতে উঠে আমরা চললাম বান্দরবনের মেঘলা ও নীলাচলের উদ্দেশ্যে। সীমান্তিক কাবাব এন্ড বার বি কিউ এর পাশে হরিণের খামার আছে।
বান্দরবনে প্রথমে আমরা প্রবেশ করি মেঘলাতে। প্রবেশ ফিস জনপ্রতি ৫০/-
ঝুলন্ত ব্রীজে যাওয়ার জন্য ধাপ নামতে হলো। ঝুলন্ত ব্রীজ পার হয়ে উপরে উঠে দেখলাম লেকের উপর দিয়ে রুপওয়ে লাইন। এখানেও জনপ্রতি পঞ্চাশ টাকা দিয়ে লেকের উপর ঘুরে আসলাম। নীলাচল যাওয়ার জন্য সবাইকে নিয়ে দ্রুত বের হলাম।
নীলাচল যাওয়ার পথে গোল্ডেন টেম্পল পার হয়ে গেলাম। নীলাচলে যাওয়ার পথে গাড়ির প্রবেশ ফিস নিল ১২০/- টাকা। নীলাচল প্রবেশ ফিস নিল জনপ্রতি পঞ্চাশ টাকা। গাড়ি অনেকটা উপরে উঠায় নীলাচলে খুব বেশি ধাপ উঠতে হয় নাই। নীলাচলের পাহাড়ে গিয়ে নিচে বান্দরবন শহর দেখা গেল। পাহাড়ের বাকে মেঘ জমা দেখা গেল। সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসায় ধীরে ধীরে সবাই নেমে এলাম। ফেরার পথে বায়েজিদ ভাইয়ের সীমান্তিক কাবাব এন্ড বার বি কিউ তে আমাদের চা- এর জন্য নামলাম। সেখানে দেখা হলো টিচার্স ট্রেনিং কলেজ সিলেট এর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল মিছবাহুদ্দিন স্যারের সাথে। চট্টগ্রাম শহরে ফিরে রাতের খাবার খেলাম "মেজ্জান হাইলে আইওন" রেস্টুরেন্টে। রাতের খাবার খেয়ে আমরা চলে আসলাম আমাদের চট্টগ্রামে দুইদিনের অবস্থান স্থল " মোটেল সৈকত" - এ। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল আমাদের গন্তব্য রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাই লেক।
৫৩
৯২ মন্তব্য